শোক সংবাদ

করোনায় মৃত পুলিশের পরিবার পেল সরকারি ঘর

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪২ এ এম। অনলাইন সংস্করন

বেতাগীতে করোনায় মৃত এএসআই খালেকের পরিবার পেল ঘর

এএসআই খালেকে ১৬ বছর চাকরি পুলিশে। এরপরও দালান বা পাকা বাড়ি দূরের কথা, পুরোনো বাড়িঘর মজবুত করে মেরামতই করতে পারেননি পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল খালেক (৩৬)। ঢাকার মিরপুর পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মরত এই পুলিশ কর্মকর্তা ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

জেলা পুলিশের সদস্যরা বরগুনার বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামে তাঁর গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন করতে গিয়ে দেখেন, এই এএসআইয়ের পরিবারের করুণ অবস্থা। ১৬ বছর পুলিশের চাকরিজীবনে বসবাসযোগ্য একটি ঘরও নির্মাণ করতে পারেননি আব্দুল খালেক। এমতবস্থায় তার হঠাৎ মৃত্যুতে তিন সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী ফাতিমা বেগম।

এ মানবেতর পরিস্থিতি জানার পর বরগুনার তৎকালীন পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন নিহত এএসআই খালেকের পরিবারের জন্য একটা ছোট বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার কথা দেন। সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হয়েছে খালেকের পরিবারের। বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে  খালেকের পরিবারকে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু খালেকের পরিবারের হাতে নবনির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।

জানা যায়, আব্দুল খালেক ২০০৪ সালে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে পদোন্নতি পান। চাকরি পাওয়ার আগে নিজ এলাকার একটি মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। চাকরি জীবনেও বিভিন্ন স্থানে কর্মরত অবস্থায় তিনি ইমামের দায়িত্ব পালন করেছেন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান আব্দুল খালেক চাকরিও করতেন স্বল্প বেতনে। তাই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মাথা গোঁজার জন্য একটি ঘরও বানিয়ে যেতে পারেননি তিনি।

নিহত এএসআই আব্দুল খালেকের স্ত্রী ফাতিমা বেগম বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে সন্তানদের নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ি। এই দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে বাংলাদেশ পুলিশ উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ঢাকার মিরপুর পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মরত অবস্থায় আব্দুল খালেক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তাঁর পরিবার। তাঁদের বাসযোগ্য ভালো বাড়িও ছিল না। তাঁদের এই দুরবস্থা দেখে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

খবর, দুর্নীতি

বাকেরগঞ্জের কসাই ডাক্তার মনিরুজ্জামানের কেলেঙ্কারি

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১, ১১:২০ এএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম খানকে তুচ্ছ ঘটনায় গ্রেফতার করে সাজানো মামলায় জেল হাজতে প্রেরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্রে মতে, ২৪ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর আনুমানিক ১ঃ৩০ মিনিটের সময় পরিবারের সব সদস্য ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন এমনতবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা কালামের আরাই বছরের মাসুম বাচ্চা তাসকিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান ছাত্রলীগ নেতা খান কালাম।

বাচ্চার মা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় স্যালাইন রত অবস্থায় ছিলো হঠাৎ বাচ্চাটি দুই বার বমি এবং দুইবার পাতলা পায়খানা করে, বিছানায় ঢলে চোখ তারীয়ে পড়ে, বাচ্চার এ অবস্থা দেখে কিংকর্তব্য বিমূর্ত হয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটিকে কাদের উপর নিয়ে দুপুরবেলা প্রচন্ড গরম ও লকডাউন উপেক্ষা করে, গাড়ি না পেয়ে,২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে তাড়াহুড়ো করে জরুরি বিভাগে ঢুকে পরেন বাচ্চা বাবা উপজেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম।

তখন কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে গিয়ে বিনিত অনুরোধ করেন,আমার বাচ্চাটিকে বাঁচান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার বাচ্চাটিকে গুরুত্ব না দিয়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার দিকে তাকান আমি মাক্স পড়া আপনার ম্যাস্ক কই, ম্যস্ক পরে আসেন নি কেন? আগে সেটা বলেন তারপর আপনার বাচ্চার ভর্তি নেবো কি নেবো না সেটা পরে দেখা যাবে। বাচ্চাটিকে অন্য এক মহিলার কাছে দিয়ে বাহির থেকে মাস্ক কিনে ব্যাবহার করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন।

তখন ডাঃ মনিরুজ্জামান খান বাচ্চা টিকে ভর্তি নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এক পর্যায় ভর্তি নিতে না পারলে ক্যানোলা পরিয়ে দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন বাচ্চার বাবা আবুল কালাম। কিন্তু তার কথায় কর্নপাত না করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্থ হয়ে যান ডাক্তার। এহেন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পরলে ঘটনার এক পর্যায় ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দিতে চেষ্টা চালালে ঘটনাটি হাতাহাতিতে গড়ায়।

পরবর্তীতে সেখানকার উপস্থিত সবাই ছুটে এলে। পরিস্থিতি, শান্ত হয়। এ সময়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে থাকা বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুসফিকুর রহমান দোলন সহ সেচ্ছাসেবী সংগঠনে সদস্যরা,ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান কে বুঝাতে চেষ্টা করে ।

বাকেগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ আকন একাধিক বার বুঝালেও ডাক্তার শুনতে নারাজ। সুত্রে জানাজায়, ছাত্র লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম কে আটকের পরে ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে ছুটে জান আবুল কালামের সন্তান সহ অসুস্থ স্ত্রী, হাজারো বুঝিয়েও পাষণ্ড ডাক্তারের মন গলাতে পারেন-নি। তিনি তার কোন কথা শুনেনি। বাসস্ট্যান্ডে চা দোকানি আঃ ছালাম জানান আবুল কালাম কে বরিশালে নেয়ার পথে অসুস্থ সন্তানদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস এক হয়ে যায়,কেঁদেছে পথচারীরা।

স্থানীয় অনেকের মতে, এমন ঘটনা বাকেরগঞ্জ সর্বস্তরের মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থ হয়ে মানুষ চিকিৎসার জন্য একজন ডাক্তারের কাছে ছুটে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। হয়ত কালাম খান অসুস্থ সন্তানকে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসতে গিয়ে মাস্ক ব্যবহার করতে সে ভুলে গেছেন।

কিন্তু একজন ডাক্তার বিষয়টি নমনীয় ভাবে মেনে না নিলে উল্টো মিথ্যে মামলায় অসুস্থ সন্তানের বাবা কে জেল হাজতে পাঠিয়ে অমানুষিক চিন্তা ভাবনার পরিচয় দিয়েছেন ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান। এমন ঘটনায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণ ডক্টর মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

রাজনীতি

ছাত্রলীগ নেতা কালাম গ্রেফতার, প্রশাসনের নাটকীয় চমক

প্রকাশিত:সোমবার,২৭ এপ্রিল ২০২১,০১:১৫ এএম।অনলাইন সংস্করন

বাকেরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা কালাম খানকে গ্রেফতার করে প্রশাসনের নাটকীয় চমক।

বাকেরগঞ্জ ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম খানকে তুচ্ছ ঘটনায় গ্রেফতার করে মিথ্যা অভিযোগে কোর্ট হাজতে প্রেরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায় গতকাল ২৪ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর আনুমানিক একটার দিকে পরিবারের সব সদস্য ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন এমনতবস্থায় ওর মাসুম বাচ্চাটাও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। বাচ্চার মা ডায়রিয়ায় বাসায় স্যালাইন রত অবস্থায় হঠাৎ বাচ্চাটির দুই বার বমি এবং দুইবার পাতলা পায়খানা হলে বাচ্চাটি বাসায় বিছানায় ঢলে পড়ে,

বাচ্চার এ অবস্থায় কিংকর্তব্য বিমূর্ত হয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটিকে কাদের উপর নিয়ে দুপুরবেলা প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে, অন্যদিকে লকডাউন থাকার কারণে কোন গাড়ি না পেয়ে, পায়ে হেঁটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে তাড়াহুড়ো করে জরুরি বিভাগে ঢুকে পরেন।

তখন কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুজ্জামানের কাছে গিয়ে বিনিত অনুরোধ করেন, বাচ্চাটিকে বাঁচান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার বাচ্চাটিকে গুরুত্ব না দিয়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার দিকে তাকান আমি মাক্স পড়া আপনার ম্যাস্ক কই, ম্যস্ক পরে আসেন নি কেন? আগে সেটা বলেন তারপর আপনার বাচ্চার ভর্তি নেবো কি নেবো না সেটা পরে দেখা যাবে।

তখন বাচ্চাটিকে অন্য এক মহিলার কাছে দিয়ে পকেটে থাকা ম্যস্কটি পরে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন। তখন সে ভর্তি নিতে অপরাগতা শিকার করেন। এক পর্যায় ভর্তি নিতে না পারলে ও ক্যানোলা পরিয়ে দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন। কিন্তু তার কোনো কথায় কর্নপাত না করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্থ হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পরলে ঘটনার এক পর্যায় ডাঃ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দিতে চেষ্টা চালালে ঘটনাটি হাতাহাতিতে গড়ায়।

পরবর্তীতে সেখানকার উপস্থিত সবাই ছুটে এলে। পরিস্থিতি, শান্ত হয়। এ সময়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে থাকা লোকজন বিস্তারিত শুনে ডাঃ কে শান্ত করে বুঝিয়ে চিকিৎসা সেবা দেবার অনুরোধ করেন তাতেও কাজ হয়নি। এমন কি ঘটনা স্থলে উপস্থিত পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আকন বিনীত অনুরোধ করছেন তাতেও মন গলেনি।

অবশেষে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় ক্লিনিকে এনে মুমূর্ষু বাচ্চা টিকে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা দেন। বিষয় টি নিয়ে গতকাল অনেক তোলপাড় সৃষ্টি হলে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা সহ একধিক পত্রিকায় প্রশাসনের বরাত দিয়ে লেখালেখি হয়। সেখানে ও ডঃ মনিরুজ্জামানের বিষয় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।

তা সত্বেও স্থানীয় প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপে চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুর ভাবে অদ্য দুপুরে ক্লিনিকে যাওয়ার সময় ৪/৫ জন এস আই সহ পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্যরা মিলে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওকে গ্রেফতার করে তড়িঘড়ি থানায় এনে কোনো নিয়ম নীতির তোয়াজ না করেই মহিলা ডাঃ এর সাথে গ্যানজামের এক কাল্পনিক গল্প সাজিয়ে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় হতবাক স্থানীয় ছাত্রলীগ সহ সচেতন মহল তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে। অনতিবিলম্বে ঘটনার মানবিক দিক বিবেচনা করে। দ্রুত নিঃশ্বর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মেডিকেলে দায়িত্ব রত ডাঃদের দ্বারা প্রতিনিয়ত এমন অমানুষিক নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অনিয়ম দুনীতিতে ভরপুর বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নিয়ে ইতিপূর্বে বহুবার লেখা লেখি হলেও ব্যবস্থা নেবার নজির সৃষ্টি করতে পারেনি কতৃপক্ষ অথচ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এমন নজিরবিহীন তৎপরতায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।

খবর

বরিশালে বাকেরগঞ্জে মসজিদের সভাপতিকে লাঞ্ছিত

প্রকাশিত: রবিবার,২৫ এপ্রিল ২০২১,০৬:০০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুরের স্থানীয় এক মসজিদ কমিটির সভাপতিতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে সুদ ব্যবসায়ীরা।

বিসমিল্লাহ বাজার জামে মসজিদের সভাপতি মো. শাহ আলম বেপারী (৭০) সুদের কুফল তুলে ধরে মন্তব্য করায় তাকে ব্যবসায়ী হারুন ও রফিক সিকদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে মারধর করে।

গতকাল শনিবার বিকেলের এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও জড়িত কাউকে আটক করেনি। এদিকে বাবাকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরেক দফা সুদ ব্যবসায়ীদের হামলার শিকার হন সভাপতির ছেলে সাব্বির বেপারী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকটি পরিবার সুদ ব্যবসার সাথে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ে। শনিবার বাদ আসর মসজিদ কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী সুদের কুফল মুসুল্লিদের উদ্দেশে তুলে ধরে নানান মন্তব্য করেন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা চা দোকানি হারুন সিকদার, রফিক সিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগালি শুরু করে। সভাপতিসহ উপস্থিত মুসুল্লিরা বিষয়টির প্রতিবাদ করলে রফিক সিকদার ছুটে এসে বৃদ্ধ মো. সাহ আলম বেপারীকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।

একপর্যায়ে সভপতি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ এবং মুসুল্লিরা বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বাসায় পৌছে দেন।

খবর পেয়ে বিকেলে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করেনি।

অপর একটি সূত্র জানায়, পরবর্তীতে এশার নামাজ শেষে সভাপতির ছেলে সাব্বির বাবার ওপর হামলার ঘটনায় মুসুল্লিদের কাছে বিচার চাইলে তাকেও মারধর করে হারুন ও রফিকেরা। এমনকি তাকে মসজিদ থেকে টেনে হিচড়ে বের করে দেয়। এবং বিষয়টি নিয়ে আগামীতে বেশি বাড়াবাড়ি করলে নিজেদের দোকানে অগ্নিসংযোগ করে তাকেসহ স্বজনদের ফাঁসানোর হুমকিও দেয়।

এলাকায় সুদের ব্যবসা বন্ধসহ বাবার ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেছেন সাব্বির বেপারী। এবং এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন মিলন বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতি শান্ত আছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আন্তর্জাতিক

মিসরে ট্রেন লাইচ্যুত হয়ে নিহত ১১ জন।

প্রকাশিত: সোমবার,১৯ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩০ এএম। অনলাইন সংস্করণ

মিসরে ট্রেন লাইচ্যুত হয়ে নিহত কমপক্ষে ১১; আহত ৯৮
এপ্রিল ১৯: গতকাল (রোববার) সন্ধ্যায় মিসরের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হলে কমপক্ষে ১১ জন নিহত ও ৯৮ জন আহত হয়। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, যাত্রীবাহী ট্রেনটি রাজধানী কায়রো থেকে উত্তরাঞ্চলীয় শহর মানজুরা যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রেনটির ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

উদ্ধারকাজে অংশ নিতে ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিসরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শোক সংবাদ

এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু (এম পি) আর নেই

প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১,০৮:২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

সাবেক আইনমন্ত্রী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি,

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু (এম পি) ইন্তেকাল করেছেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যা মামলার সাবেক ডেপুটি এটর্নি, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ,

বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন খসরু অদ্য বিকাল ৪.৫০ মিনিটে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করিয়াছেন।

উনি ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করে পাচঁবার ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালের, জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

খবর

স্বশরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে মৃত মানুষ!

প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৪ পিএম। অনলাইণ সংস্করণ

মিজানুর রহমান মিজান, চিরিরবন্দর, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ, নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন একজন মৃত মানুষ। একজন সুস্থ সবল মানুষ যা যা করেন সবই করছেন তিনি। মৃত থেকে নিজেকে জীবিত প্রমাণ করার প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। স্বামীর অবসরভাতা বেশ কয়েকবছর যাবত তুলতে পারলেও হঠাৎ করে ভোটার তালিকায় মৃত হওয়ায় ব্যাংক কতৃপক্ষ ভাতা প্রদান বন্ধ রাখে। বর্তমানে নিদারুন দারিদ্রতা নিয়ে জীবন ধারণ করছেনতিনি। উপজেলার ভূমি অফিসের ৪র্থ শ্রেণির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফজির উদ্দিনের স্ত্রী সহিদা বেগম। বাস্তবে জীবিত থাকলেও ভোটার তালিকায় তিনি মৃত। ভোটার তালিকায় মৃত হওয়ায় স্বামীর অবসরভাতা উত্তোলনসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, এমনকি ভোট দিতেও পারছেন না তিনি।

কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবিত ও মৃত’ ছোটগল্পের বিখ্যাত উক্তি এটি। সৌভাগ্যবশত প্রত্যেকে কাদম্বিনীর মতো অভাগী নন, কাজেই জীবিতাবস্থার প্রমাণ দেওয়ার জন্য জীবন ত্যাগের চুড়ান্ত পদক্ষেপ না করলেও চলে যায় নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে এখন ঘুরছেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে। জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচন অফিসে ছয়মাস ধরে ধর্ণা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি সহিদা বেগমের। তিনি বলেন,আমি জানতাম না ভোটার তালিকা থেকে আমার নাম কর্তন করা হয়েছে। স্বামীর অবসরভাতা তুলতে ব্যাংকে গিয়ে শুনি যে, আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেয়া হয়েছে। আমি নাকি মৃত। আমি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছি। আমাকে কেন মৃত হিসেবে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন করা হলো তার বিচার চাই। কে আমাকে মেরে ফেলেছে, এ বিষয়ে তদন্ত করা হোক। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আমাকে ছয়মাস ধরে হয়রানি করেছে।

ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছি। এখনও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বারবার যোগাযোগ করে এখন পর্যন্ত কাজ না হওয়ায় আমি হতাশ হয়ে পড়েছি। নির্বাচন অফিস থেকে ভাতার বই নিয়ে ঢাকায় গিয়ে তদবির করতে বলেছে। প্রচন্ড আর্থিক কষ্ট ও করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকায় গিয়ে তদবির করা অসম্ভব। এদিকে অর্থাভাবে অনাহারে বিনা চিকিৎসায় নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছি। এ বিষয়ে স্থানীয় আব্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ ময়েন উদ্দিন শাহ বলেন, ওই মহিলার নাম ভোটার তালিকায় ভূলবশত কর্তন করা হয়েছে।

<p class="has-drop-cap" value="<amp-fit-text layout="fixed-height" min-font-size="6" max-font-size="72" height="80">তিনি বর্তমানে জীবিত ও সুস্থ্য আছেন। তিনি ওই মহিলাকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মালেক এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গত ২০ জানুয়ারী/২১ ভোটার তালিকায় ওই মহিলার নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বরাবরে পত্র দেয়া হয়েছে। এখনও কোন রিপ্লাই আসেনি। অপরদিকে সহিদা বেগম ভোটার তালিকায় নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।তিনি বর্তমানে জীবিত ও সুস্থ্য আছেন। তিনি ওই মহিলাকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মালেক এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গত ২০ জানুয়ারী/২১ ভোটার তালিকায় ওই মহিলার নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বরাবরে পত্র দেয়া হয়েছে। এখনও কোন রিপ্লাই আসেনি। অপরদিকে সহিদা বেগম ভোটার তালিকায় নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

ধর্মীয় খবর

চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল রোজা

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১,০৭:২৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ চট্টগ্রামের আকাশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী কাল বুধবার ( ১৪ এপ্রিল) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু। আল্লাহ আমাদের এই সিয়াম সাধনা করার তৌফিক দান করুন।

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শুরু হচ্ছে।

কিছুক্ষণ আগে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে সেহরি খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। বুধবার হবে প্রথম রোজা।

এদিকে মঙ্গলবার রাতের এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। এ উপলক্ষে মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায়ে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পবিত্র রমজানে তারাবির নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এ তিন অংশে বিভক্ত এ মাস।

এ মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহতায়ালা ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেন। রমজান শেষেই দেখা মিলবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের।

ধর্মীয় খবর

রমজান শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৮ এএম। অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে বুধ নাকি বৃহস্পতিবার, তা জানা যাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনায় মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বাদ মাগরিব সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪২ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অপরদিকে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না গেলে বুধবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, রমজান মাস গণনা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)। এক্ষেত্রে বুধবার এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বুধবার থেকে আটদিনের লকডাউন (বিধি-নিষেধ) শুরু হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজ এবং তারাবি নামাজ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি নিয়ে পড়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ টেলিফোন ও ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এদিকে রোববার সৌদি আরবের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেই হিসেবে দেশটিতে সোমবার (১২ এপ্রিল) শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়। ফলে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে সৌদিতে রোজা শুরু হয়েছে।

খবর, শোক সংবাদ

রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দুইজন দগ্ধ

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১০:১২ এএম। অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জে একটি আবাসিক ভবনের আট তলায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দুইজন দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।

রোববার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় শহরের চাষাঢ়ায় প্রেসিডেন্ট রোডে জি এম গার্ডেন নামের একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

দগ্ধরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী উজ্জ্বল ও মানিক। তাদেরকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নেয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, জি এম গার্ডেনের আটতলায় কমিউনিটি সেন্টারের আদলে কয়েকটি কক্ষ রয়েছে। ভবনের কোনো অনুষ্ঠান হলে সেখানে আয়োজন করা হতো।

বিজ্ঞাপন

ভবনের নিরাপত্তারক্ষী মোহাম্মদ আলী জানান, আটতলার গ্যাসের লাইনে সমস্যা ছিল। এজন্য মিস্ত্রি এসে সেটা মেরামত করে। একপর্যায়ে দুই নিরাপত্তারক্ষী নিচে নেমে যান। তখন রান্নাঘরের দরজা-জানালা বন্ধ ছিল।

পরে আবার দুইজন সিগারেট হাতে উপরে উঠে রুমে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।

বিজ্ঞাপন

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসাদুজ্জামান জানান, আহত দুজনকেই ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, ভবনের ছাদের একটি কক্ষে গ্যাসের সংযোগ ছিল। কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সেখানে রান্না করা হতো। কোনো কারণে গ্যাসের লাইনটি চালু থাকায় গ্যাস বের হয়ে কক্ষে জমে যায়।

তিনি আরও বলেন, কক্ষে সিগারেটের অংশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দাহ্য কিছু জ্বালানোর কারণেই এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে দুজন দগ্ধ হয়েছেন।

খেলাধুলা

প্রথম বলেই সাকিব আউট

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ০৯:৪৫এএম , অনলাইন সংস্করণ

আইপিএলের এই আসরে প্রথম বলেই উইকেট পেলেন সাকিব আল হাসান। তৃতীয় ওভরে বল হাতে নিয়েই ঋদ্ধিমান সাহাকে বোল্ড করেন তিনি। ১০ রানে নেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২ উইকেট। চেন্নাইয়ের চেপুকে এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে।

এর আগে ব্যাট হাতে সাত নম্বরে নামেন সাকিব। শেষ দিকে নেমে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাননি। ৫ বল খেলে করেন ৩ রান। শেষ বলে ভুবনেশ্বর কুমারের শিকার হন আব্দুল সামাদের ক্যাচ হয়ে। তবে বল হাতে জ্বলে উঠলেন শুরুতেই। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ঋদ্ধিামানকে ৭ রানে মাঠ ছাড়া করেন বাঁহাতি স্পিনার। তার বল হায়দরাবাদ ওপেনারের ব্যাটে লেগে নিচু হয়ে স্টাম্পে আঘাত করে।

তার আগের ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা হায়দরাবাদ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে ৩ রানে আউট করেন। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে নেমেছে হায়দরাবাদ।

অবশ্য এই স্পেলে পরের দুই ওভারে সাকিব সুবিধা করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে ১২ রান দেন তিনি, জনি বেয়ারস্টো একটি ছয় ও মানীষ পান্ডে একটি চার মারেন। পরের ওভারে বাঁহাতি স্পিনারের বলে ১০ রান তোলে এই জুটি, যার মধ্যে একটি ছয় আসে মানীষের ব্যাটে। প্যাট কামিন্সের বলে ৯২ রানের এই শক্ত জুটি ভাঙার পর নিজের শেষ ওভার করতে নামেন সাকিব। দলের ১৪তম ওভারে একটি ছয়সহ ১১ রান দেন তিনি। ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছেন সাকিব।

রোববারের (১১ এপ্রিল) আগে আইপিএলে সাকিব খেলেছেন মোট ৬৩ ম্যাচ। ব্যাট হাতে ৪৬ ইনিংসে তিনি করেছেন ৭৪৬ রান। চার ৭০টি ও ২০টি ছয় তার ঝুলিতে। সর্বোচ্চ ইনিংস ৬৬ রানের। তার ব্যাটিং গড় ২১.৩১ ও স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৬।

বল হাতেও বেশ সাফল্য রয়েছে সাকিবের, নিয়েছেন ৫৯টি উইকেট। তার সেরা বোলিং ফিগার ১৭ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার। তার বোলিং ইকোনমি ৭.৪৬। এই মৌসুমেও কলকাতার বড় ভরসার জায়গা হতে চলেছেন তিনি।

সাত মৌসুম ধরে এই ক্লাবে খেলেছেন সাকিব। দুই মৌসুম আগে তাকে কলকাতা ছেড়ে দিলে ২০১৯ সালে হায়দরাবাদে খেলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মৌসুমে খেলা হয়নি বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটারের।

খবর

আত্মসমর্পণ করতে বললেন বাবা-মা।

প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২২এএম। অনলাইন সংস্করণ

আত্মসমর্পণ করতে বললেন বাবা-মা। কিন্তু সেই সুযোগ পেল না বছর চোদ্দোর ফয়সল গুলজ়ার গনাই। শেষ পর্যন্ত বাহিনীর গুলিতেই মৃত্যু হল তার। বাহিনীর দাবি, ফয়সলের সঙ্গীই তাকে আত্মসমর্পণ করতে দেয়নি। দক্ষিণ কাশ্মীরে গত কাল থেকে দু’টি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত জঙ্গির সংখ্যা পাঁচ।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭২ ঘণ্টায় কাশ্মীরে ১২ জন জঙ্গি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। যা বড় সাফল্য বলেই দাবি তাদের।

সম্প্রতি কাশ্মীরে ব্যবসায়ী, বিজেপি নেতা, টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান-সহ বেশ কয়েক জন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন জঙ্গি হানায়। বিক্ষিপ্ত ভাবে হলেও জঙ্গিরা ফের সক্রিয় হচ্ছে বলে জানতে পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। ফলে গোপন তথ্য সংগ্রহের নেটওয়ার্ককে আরও সক্রিয় করা হয়।

গত কাল শোপিয়ানের রেবান, বান্ডপাওয়া ও চিত্রগাম গ্রামের মধ্যে বাগিচায় জঙ্গি গতিবিধির খবর পেয়ে অভিযানে নামে বাহিনী। জওয়ানদের দেখে জঙ্গিরা গুলি চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয় বাহিনী। কিন্তু জঙ্গিরা গুলি চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়।

গত কাল সন্ধ্যায় এক জঙ্গি নিহত হয়। ইতিমধ্যে বাহিনী জানতে পারে, ওই দলে রয়েছে বছর চোদ্দোর ফয়সল গুলজ়ার গনাই। সম্প্রতি চিত্রগামের বাসিন্দা ফয়সলের পরিবার জানায়, সে নিখোঁজ হয়েছে। তাকে ফিরে পেতে সকলের সাহায্য চেয়েছিলেন পরিবারের সদস্যেরা।

ওই কিশোর চিত্রগামের বাগিচায় রয়েছে বুঝে তার বাবা-মাকে ঘটনাস্থলে আনে বাহিনী। তাঁরা ফয়সলকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। বাহিনীও তার নিরাপত্তার আশ্বাস দেয়। বাহিনীর দাবি, ওই কিশোরের সঙ্গীই তাকে আত্মসমর্পণ করতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত আজ ভোরে বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় ফয়সল ও তার সঙ্গী আসিফ আহমেদ গনাই। সে-ও চিত্রগামের বাসিন্দা।

তৃতীয় জঙ্গিকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। নিহতদের কাছ থেকে একটি একে-৫৬ রাইফেল, ২টি পিস্তল ও অন্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমারের মতে, ‘‘আমাদের ধারণা, ফয়সলের কাছে অস্ত্র ছিল না। সশস্ত্র দুই সঙ্গী বাধা দেওয়ায় সে আত্মসমর্পণ করতে পারেনি।’’ নিহত তিন জনের বিরুদ্ধেই নানা জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অন্য দিকে অনন্তনাগের বিজবেহারার সেমথানে একটি বাড়িতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে গত কাল অভিযানে নামে বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, জঙ্গিরা গুলি ছুড়লে সংঘর্ষ শুরু হয়। গুলির লড়াইয়ের মধ্যেই আটকে পড়া বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরায় বাহিনী। আজ সকালে ফের অভিযান শুরু হয়। তাতে তৌসিফ আহমেদ বাট ও আমির হুসেন গনাই নামে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারা বিজবেহারারই বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তারা গত বছরে এক সিআরপি জওয়ান ও শুক্রবার টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান মহম্মদ সালিম আখুনের হত্যায় জড়িত ছিল।

ময়না তদন্তের পরে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের নয়া নীতি অনুযায়ী জঙ্গিদের দেহ নির্দিষ্ট সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হবে। অন্ত্যেষ্টির সময়ে পরিবারের সদস্যেরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। কিন্তু তাঁদের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে না।

খবর

চিরিরবন্দরে লকডাউনে বিপাকে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ মো. মিজানুর রহমান মিজান,

চিরিরবন্দরে লকডাউনে বিপাকে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ , সরকারি নির্দেশনায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু এসব দোকানও সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জনশুন্য হয়ে পড়েছে রাস্তা-ঘাট। লকডাউনে চরম বিপদে পড়েছেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষজন। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিকশা, অটোরিকশা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা। ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিভিন্নভাবে ঋণ করে দোকানপাট ও সংসার চালাতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

এছাড়াও তাগিদ রয়েছে সাপ্তাহিক কিস্তি প্রদানের। সে কারণে এসব ব্যবসায়ীদের এখন মহাবিপদ। এসব পরিবারের কাছে লকডাউন এখন অনেক কষ্টের কারণ। যেন গোদের উপর বিষফোঁড়া। ঝুঁকি নিয়ে অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও ক্রেতার অভাবে ব্যবসায় কোনো বিক্রি নেই। এরপরও প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয়েও অনেকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। এদিকে, হোটেল শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষজনও পড়েছে চরম বিপাকে।

কাজ নেই, নেই কোনো সহায়তা। রাণীরবন্দরের রিকশাচালক আব্দুল হালিম, আব্দুল মান্নান এবং নান্দেড়াই গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, একদিন রিকশা না চালালে খাবার জোটে না। তাই রিকশা নিয়ে সকাল থেকে ঘুরছি। রাস্তায় তেমন লোকজন নেই, তাই যাত্রী মিলছে না। প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রোজগার করি। বর্তমানে এমন অবস্থা রোজগার তেমন একটা নেই। আয় রোজগার করতে না পারলে কিস্তির টাকা দেব কি করে, পরিবারের মুখেও খাবার জুটবে না।

আরেক রিকশাচালক আবু তাহের জানান, আমরা গরিব মানুষ প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে চাল-ডাল কিনে খাই। বিধি নিষেধ থাকলেও উপায় নেই আমাদের। তাই সব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই রিকশা নিয়ে ঘুরছি। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারেই থাকতে হবে। এসময় যদি কেউ সাহায্য করতো অনেক উপকার হতো। সকলের কল্যাণের জন্যই সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু আশেপাশে এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা দিনের রোজগার দিয়ে সেদিনের আহারের ব্যবস্থা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ফেরিওয়ালা জানান, লকডাউনের কারণে আমরা গ্রামে ফেরি করতে যেতে পারছি না। লোকজন আমাদেরকে অন্যান্য এলাকায় যেতে দিচ্ছে না। আমরা দিনে এনে দিনে খাই। গ্রামে যেতে না পেরে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে আছি। এদিকে, উপজেলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট, যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ।

খবর, ধর্মীয় খবর

হেফাজতের দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করলেন আল্লামা বাবুনগরী

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ই এপ্রি২০২১,০৬:৪৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিশেষ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার (১১ এপ্রিল) ১১ টায় হাটহাজারী মাদরাসার মিলনায়তনে হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সরকারের কাছে একাধিক দাবি তুলে ধরেছেন হেফাজত আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। এছাড়া আগামী ২৯ মে হাটহাজারী মাদরাসায় জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মলন ঘোষণা করেন তিনি।

১.হেফাজতের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ২.অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ৩.করোনার অজুহাতে কওমী মাদরাসা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার করে কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে।

৪.পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবী, এতেকাফসহ কোন ধরনের ইবাদতে বাধা প্রধান করা যাবে না। এবং ধর্মীয় উপসনালয় মসজিদকে সম্পুর্ন লক ডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে। ৫.প্রশাসন কর্তৃক মাদরাসায় মাদরাসায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

হেফাজতের জরুরি বৈঠক শেষে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, বিগত ২৬ই মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসুচি ছিলো না। কিন্তু ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের উপর পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও সরকার দলীয় হেলমেট বাহিনী কর্তৃক আক্রমনের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষুদ্ধ জনতা মিছিল বের করে। হাটহাজারী ও বি-বাড়ীয়ায় মিছিল বের হলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি করে পাঁচ জনকে শহীদ করে। এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম ২৭ই মার্চ বিক্ষোভ ও ২৮ই মার্চ শান্তিপুর্ণ হরতালের কর্মসুচি ঘোষণা করে।

কিন্তু হেফাজতের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিতে ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী। গত ২৬ মার্চ আমি মাদরাসায় ছিলাম না। অনেক দূরে ছিলাম। কিছু মানুষ মিছিল বের করেছে। তারা বলছে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছি।

কিন্তু পুলিশবাহিনী তাদের উপর গুলি চালিয়ে আহত ও নিহত করে। পুলিশ তাদের বুকে গুলি করেছে। পুলিশের দরকার ছিলো উত্তেচজনা কমাতে হাঁটুর নিচে গুলি করবে। আগুন জ্বলে ওঠলে আগুন নিভাতে হয়। কিন্তু পুলিশ আগুন বাড়িয়ে দিলো। এগুলো কোন আইনে আছে।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তাণ্ডব চালায়নি; বরং ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তাণ্ডব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। সরকারের লোকজন এবং কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এখন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।

হেফাজত আমীর বলেন, আমরা জানতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালীন কারা তাণ্ডব চালিয়েছিল? কারা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।

ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুন। কিন্তু নিরিহ আলেম, ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানি করবেন না। অবিলম্বে গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা প্রত্যাহার করুন। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্ভে নিঃশর্তে মুক্তি দিন।

তিনি বলেন, করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। করোনা মহমারী থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুরআনের তিলাওয়াত, যিকির, তাসবী পাঠ ও দুআ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

তাফসির, দুআ ইত্যাদী চললে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমী মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমী মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমী মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেনের মতো হয়ে যাবে।

সুতরাং মহান আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার লক্ষে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখ সরকারেরই নৈতিক কর্তব্য। এজন্য পবিত্র মাহে রমযানে হিফয খানা, নূরানী, মক্তব চালু রাখতে হবে। মসজিদে সুন্নাহ মুতাবেক নামায তারাবীহ, ইতিকাফ চলবে। লকডাউনের নামে শরীয়ত বিরোধী কোনো বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না। যথা নিয়মে তাফসীর, দাওয়াত ও তালীমের কাজ চালু রাখতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের যে বিষয়টি নিয়ে এখন সর্ব মহলে আলোচিত হচ্ছে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আর হেফাজত থেকে তার অব্যাহতির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলাম আগামী ২৯ মে হাটহাজারীতে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন করবে। এখানে সারাদেশের পীর মাশায়েখ ও হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে এমন আলেম উলামা উপস্থিত থাকবেন, ইন-শা আল্লাহ।

সভায় দেশের সকল মাদরাসা ও মসজিদে করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও সমকালীন সঙ্কট থেকে উত্তরনের জন্য কুনূতে নাযেলার আমল চালু করার জন্য আহ্বান জানান আল্লামা বাবুনগরী।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের নায়েবে আমীর মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা শোআইব জমীরী, মাওলানা ওমর মেখলী, মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুনির হুসাইন কাসেমী, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা

আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর মুহাম্মদ ইদরীস, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, ড. নূরুল আবসার আজহারী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন. মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মুহাম্মাদ আহসান উল্লাহ প্রমুখ।

খবর

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত।

প্রকাশিত:রবিবার,১১ই এপ্রিল ২০২১,০৩:৪৮ পিএম,অনলাইন সংস্করন

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন গতকাল শনিবার নমুনা দেন। গতকাল শনিবার রাতেই নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে খালেদা জিয়া করোনা পজিটিভ বলে উল্লেখ করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা, মাইদুল ইসলাম প্রধান নিশ্চিত করেন, খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট দেখেছেন। উনি ব্যক্তিগতভাবে গুলশান কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

এখন পর্যন্ত তিনি নিশ্চিত নন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্টের একটি কপি ভাইরাল হয়েছে। সেটি কিউআর কোড স্ক্যান করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যে ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফল জানা যায় সেখানে চলে যায়।

সেখানে এই কপিটি দেখা যায়। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিক বলেছেন, তাঁর হাসপাতালে একজন রোগীর করোনার চিকিৎসার জন্য, করোনা ইউনিটে একটি কেবিন রাখতে বলা হয়েছে। রিপোর্টে যে ফোন নম্বরটা দেওয়া হয়েছে, সেটি বিএনপির চেয়ারপারসনের মেডিকেল টিমের টেকনোলজিস্ট মো. সবুজের। তবে তিনি খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হওয়া বা না হওয়া বিষয়ে কিছু জানেন না।

খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত সচিব

প্রকাশিত, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১,১০:৪০ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্তি সচিব দীপক চক্রবর্তী। 


শনিবার (১০ মার্চ) দুপুরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, পৌর ভূমি অফিস, সুর সম্ম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।


এ সময় তিনি বলেন, তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলি সরেজমিন পরিদর্শন করতে মানণীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি এবং এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন মন্ত্রীর কাছে পেশ করব। দ্রুতই ধ্বংস হয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম সিদ্দিকী, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মেয়র নায়ার কবির, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংকজ বড়ুয়া, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সনি আক্তার সুচি প্রমুখ।

খবর

স্বামী পছন্দ না হওয়ায় নববধূর আত্মহত্যা

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরে স্বামী পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় নববধূ আত্মাহত্যা করেছেন। 
শনিবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলার কাশিমপুর হালদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। 
মৃত নববধূ তপতি রাণী (১৮) গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত কাশিমপুর হালদারপাড়া গ্রামের দেবনাথ হালদারের মেয়ে।


নিহত তপতির মা তুলশি রাণী বলেন, গত মার্চ মাসের ২০ তারিখে আনুষ্ঠানিক ভাবে নাটোর লালপুর উপজেলার তারাপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের যুগল চন্দ্রের ছেলে মিঠন চন্দ্র (২৩) এর সাথে বিয়ে হয় তার মেয়ে তপতির। বিয়ের মাত্র কয়েক দিন পর থেকে স্বামী পছন্দ না হওয়ায় সংসার করবে না বলে জানায়। তারপরও তপতি বাবার বাড়িতে থাকা অবস্থায় বাড়ির সবাই তাকে এই সংসার করতে অনুরোধ জানায়।

শনিবার খুব সকালে মা তুলশি রাণী ঘুম থেকে ওঠে টয়লেট সারার জন্য চলে যায়। ফিরে এসে দেখতে পান মেয়ে তপতি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের তীরের সাথে ফাঁস দিয়ে আহত্মহত্যার চেষ্টা করছে। মা তুলশির চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তপতিকে উদ্ধার করে রাণীনগর হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। 

খবর

দেশের স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়ের দায়িত্বে ৬৪ সচিব

সময়ের আলো অনলাইনপ্রকাশ: শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১,১০ :২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ 

করোনায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম সুসমন্বয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৬৪ সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা দেশের ৬৪ জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। গত ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
আদেশে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কর্মপরিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রথমত দায়িত্ব পাওয়া সচিবরা জেলার এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ ও সমন্বয় করে করোনাসংক্রান্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা তত্ত্বাবধান করবেন।
দ্বিতীয়ত জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবেন।
তৃতীয়ত, সমন্বয়ের মাধ্যমে পাওয়া সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ অথবা অন্যান্য বিষয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে লিখিতভাবে জানাবেন। এ ছাড়া এসব বিষয় মন্ত্রিপরিষদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে নিয়মিত জানাবেন।