খবর, দুর্নীতি

বানারীপাড়ায় লক্ষ টাকার ব্রিজ নির্মাণ

প্রকাশিত, বুধবার,২৮ জুলাই ২০২১,১০:০৭ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠিতে আয়রণ ব্রিজের স্থলে সুপারী গাছের সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বরিশাল জেলা পরিষদ পরিষদ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বানারীপাড়ার উদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব উদয়কাঠি মুন্সি বাড়ির সামনে একটি আয়রণ ব্রিজ নির্মাণের জন্য লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় পূর্বের বাঁশ ও সুপারি গাছের সাঁকো সংস্কার করে চারটি লোহার ভিমের ওপর তিনটি সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।

সেখানে থাকা নামফলকে উদয়কাঠির মুন্সি বাড়ির সামনে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এক লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আয়রণ ব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন ও অর্থায়নে জেলা পরিষদ লেখা রয়েছে।

এ সংক্রান্ত বরাদ্দের নামফলকে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা থাকার কথা থাকলেও অর্থায়নে ও বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের নাম লেখা রয়েছে।

খবর

বিহারীপুরে রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগ জনসাধারণের

প্রকাশিত,রবিবার,২৫ জুলাই ২০২১,১২:১৫ পিএম।অনলাইন সংস্ককরন।

১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে পাকা রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে মাদ্রাসা ,স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের।


পাকা রাস্তা না থাকায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ডের, এবিএম আনছার উদ্দিন মাওলানা প্রতিষ্ঠাতা, বিহারীপুর হোসেনিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা হইতে ,

এবং দক্ষিণ বিহারিপুর বড় খান বাড়ির সামনে থেকে মোঃখালেক হাং এর বাড়ীর পাশ থেকে আনন্দবাজার হইয়া লোচনাবাদ আবুল কালাম এর বাড়ী পর্যন্ত, পাকা রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সহ এলাকার জনসাধারণের।

বর্ষার সময় কাচা রাস্তার উপর হাটু সমান কাদা হয় , ভোগান্তিতে পড়েছেন মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও।

রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২নং বিহারীপুরে এই রাস্তাটা দীর্ঘ দিন ধরে বোতরা টু কালীগন্জ বাজার মেইন রোড হিসাবে ব্যবহার হয় এই রাস্তা দিয়া প্রতিদিন শত শত লোক চলাচল করে এই রাস্তার কোন খোজ খবর নেয় না এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যান। তাই সাধারণ মানুষের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।

বিহারীপুরের এই মাটির রাস্তাটি অতি প্রয়োজন মনে করছেন ওই এলাকার স্থানীয় লোকজন।

বর্তমানে এই রাস্তা দিয়া চলাচল করা যে কতটা কষ্ট কর তা শুধু এই এলাকার মানুষই জানে।

এলাকাবাসী বলেন, গর্ভবতী মহিলাদের হাসপাতালে নিতে অনেক কষ্ট হয় একজন ব্যক্তি যদি অসুস্থ হয় তাকে হাসপাতালে নেওয়া কষ্ট কর, রাস্তায় থাকে হাটু সমান কাদা ও বন্যার সময় রাস্তায় উপর থাকে হাটু সমান পানি। বাচ্চাদের স্কুলে যেতে পারেনা সময়মত, কাদার জন্য হাটতে পারে না ।

এবং রাস্তায় চারপাশে রয়েছে ৩ টা প্রাইমারী স্কুল ৩ টা মাদ্রাসা ১ টা হাইস্কুল রয়েছে ছোট ছোট শিশুদের স্কুল মাদরাসায় যেতে ভোগান্তির শেষ নাই,

এই রাস্তাটা অতি প্রয়োজন এতে আমরা অনেক উপকৃত হই। তাই রাস্তা নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উদ্ধতন কতৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সুদৃষ্টি রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী’রা।

রাস্তাটি নির্মাণ হলে স্কুল মাদ্রাসার লেখাপড়ার মান আরো বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও যাতায়াত সহ জীবন মান উন্নয়ন পরিবর্তন হবে এই এলাকার জনসাধারণের|

খবর

শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে কঠোর লকডাউন চলবে।

  • প্রকাশিক,বৃহঃপতিবার,২২ জুলাই ২০২১,০৭:৫৫পিএম,অনলাইনসংস্করন।
অনলাইন সংরক্ষন

আগামী ২৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন চলবে। এ সময় গার্মেন্টসহ সব ধরনের শিল্পকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন বিশেষ করে বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। রাজধানী ঢাকা থাকবে বিচ্ছিন্ন।

এতে বলা হয়, কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণাসহ বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করা করেছে। চিঠিতে বিধি-নিষেধ আরোপকালীন সচিবদের অধীনস্থ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দপ্তরের সরকারি কর্মচারীকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন শুরু হবে। কয়েক দিন আগে লকডাউনসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কোরবানি ঘিরে আমাদের বিশাল অর্থনীতি রয়েছে। সব কিছু বিবেচনা করে চলাফেরার ওপর বিধি-নিষেধ শিথিল করতে হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যত দিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় তত দিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৩. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। ১৭. খাবারের দোকান, হোটেল- রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে। ১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে। ২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। ২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয়সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। লকডাউনে খোলা থাকবে ৩ খাত : ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে শুধু তিনটি খাত।

খাতগুলো হলো- খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ মিলকারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প। প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে বর্তমানে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর লকডাউন দিয়েছে সরকার।

অর্থনীতি, খবর

রাজপুত্র পালঙ্কে ঘুমায় মা পান সুপারি বিক্রি করে

প্রকাশিত: মঙ্গলবার,১৩ জুলাই ২০২১,০৯:১৫ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

রাজপুত্র তাকবীরকে সড়কের পাশে রাজপলঙ্কে ঘুম পাড়িয়ে মা সুমি আক্তার পান-সিগারেট বিক্রি করছে।

তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা, ১০ জুলাই
ছবি:

১৬ কোটি মানুষের রাজধানী ঢাকা এই শহরে কত মানুষ আছে যারা দিন আনে দিন খায়,কেউ ভাত মাছ মাংস খায় কেউ নুন ভাত আলুভর্তা খায়, তারপর কেটে যায় তাদের দিন কেউ হয়তো কাটে আরাম-আয়েশে কেউ হয়তো কষ্টের ।

যাইহোক যদি এই ভাত মাছ বা নুন ভাত আলুভর্তা খাবার জোগানোর পথ যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কেমন হয় ? এই করোনাকালীন সময় অনেক মানুষ রাস্তার ফকির হয়ে যায়।

কেউ হয়তো মুখ খোলে মানুষের কাছে হাত পেতে চাইতে পারে কেউ হয়তো মুখ খুলে মানুষের কাছে চাইতে পারেনা মনের কষ্ট মনে নিয়ে চলে ,কেউ হয়তোবা লজ্জা-শরম ফেলে রাস্তার কুলে কাজকর্ম নিয়ে বা কিছু নিয়ে বিক্রি করার জন্য বসে ।

তেমনি একজন দেখা গেছে রাজধানীর তেজকুনিপাড়া মা কোলের শিশুকে রাস্তার পাশে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পান-সিগারেট এসব বিক্রি করে ।

দৃশ্যটি দেখে অনেকেরই মনে কষ্ট লাগে সুমি আক্তারের এভাবেই দিন কেটে যায় জানিনা এই কষ্টের শেষ কোথায় তাই সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন সবাইকে এই করোনার প্রভাব কাটিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ দেন

খবর, শোক সংবাদ

বাকেরগঞ্জ থানার সামনে ঝুলন্ত যুবকের লাশ

প্রকাশিত: সোমবার,১২ জুলাই ২০২১,০৩:২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বাকেরগঞ্জ থানার সামনে মিনিস্টার হিস্ট্রি সপে যুবকের ঝুলন্ত লাশ,

বাকেরগঞ্জ থানার সামনে মিনিস্টার হিস্ট্রি সপে রাকিবুল ইসলাম (২৫) পিতা জানে আলম নামে বরিশাল ভাটিখানা নিবাসী এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে।

নিহত যুবক একই দোকানের ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুর আগে দোকান মালিক সাজ্জাদ হোসেনকে ভাই সম্মোধন করে একটা চিরকুট লিখে রেখে যান।

সেখানে পরিবারিক অসন্তোষের বিষয় টি উল্লেখ করে সবার নিকট ক্ষমা চেয়েছেন। নিহতের লাশটি দুপুর ১২ টার দিকে থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মেডিকেল প্রেরণ করেন।

এ বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি আলাউদ্দিন মিলন জানান বিষয় টি কি ঘটছে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে নিহতের শরীরে অন্য কোনো আহতদের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে মিনিস্টার শোরুমের ম্যানেজার সাজ্জাদ জানান, কয়েক মাস আগে আকাশ তাদের এখানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ শুরু করে। সোমবার সকালে তিনি দোকানে এসে দেখেন, ভেতর থেকে সাটার বন্ধ। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

বা‌কেরগঞ্জ থানার ওসি আলাউদ্দিন মিলন ব‌লেন, আকাশ শোরুমের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা ক‌রেছে। দোকানের ভেতরে তার লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে পরিবারিক কোলহের জেরে এমন ঘটনার সূত্র, তারপর ও বিষয় টি গুরুত্বর বিবেচনা করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

খবর

সরকার প্রথমবারের মতো ওয়েটব্ল চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়েছে।

প্রকাশিত:রবিবার,১১ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৫ পিএম। অনলাইন সংস্করন

সরকার প্রথমবারের মতো পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ বর্গফুট করে মোট ১ কোটি বর্গফুট ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়েছে। গতকাল শনিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের (রফতানি-১ অধিশাখা) আমদানি ও রফতানি নিয়ন্ত্রক দফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রককে দেওয়া চিঠিতে এসব প্রতিষ্ঠানকে ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়।


চামড়া রফতানির অনুমতি পাওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- এএসকে ইনভেস্টমেন্ট, মেসার্স কাদের লেদার কমপ্লেক্স, আমিন ট্যানারি লিমিটেড, লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউনিট-২) এবং কালাম ব্রাদার্স। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০ লাখ বর্গফুট করে মোট ১ কোটি বর্গফুট ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতিপত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এগুলো হলো- রফতানি নীতি ২০১৮-২১ অনুসরণ করতে হবে।


শুধু রফতানির অনুমতিপ্রাপ্ত ওয়েট-ব্লু চামড়ার নির্ধারিত পরিমাণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী রফতানির জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে। মানসম্মত ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানি করতে হবে। অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে রফতানি করতে হবে। জাহাজীকরণ শেষে রফতানি সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র এ শাখায় দাখিল করতে হবে।


যে দেশে রফতানির জন্য অনুমতি রয়েছে, ওইসব দেশেই রফতানি করতে হবে। সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানি নিষিদ্ধ করতে পারবে।