খবর, ধর্মীয় খবর

টাইটেলের কারণে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,নাম

প্রকাশিত: রবিবার,১৩ মার্চ ২০২২, ১০:৫০ এএম । অনলাইন সংস্করণ

শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হোসাইন:

☆ নাম ও বংশ পরিচয়:
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন(মা.জি.আ) ২রা শাওয়াল ১৪০৫ হিজরী, ইংরেজি ১৯৮৮ সনের মে মাসের ১৯ তারিখ শুক্রবার সুবহে সাদিকের সময় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ (মা.জি.আ.), গদ্দীনশীন পীর ছাহেব ছারছীনা দরবার শরীফ। দাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু জা’ফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.)। পরদাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ ছাহেব (রহ.)। নানা ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল আনসার মোঃ আব্দুল কাহ্হার ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)। তাঁর পিতা হলেন কাইয়ুমুজ্জামান আলহাজ্জ হযরত মাওলানা আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল হাই ছিদ্দিকী আল-কুরাইশী (রহ.)। তার পিতা হলেন মুজাদ্দিদে যামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী রহ.। তার নানাজানের বংশধারা পরম্পরা সূত্রে আমীরুল মু’মিনীন হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধরের সাথে মিলিত হয়েছে।

☆ নেক দোয়া ও ছোহবত লাভ:
তিনি দাদাজান ও নানাজান উভয়কে পেয়েছিলেন। উভয়ে নাতিকে অত্যন্ত আদর, স্নেহ ও ভবিষ্যত কামিয়াবীর জন্য দোয়া করতেন। তাকে ১৯৯৩ সালে মুজাদ্দিদে যামান ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর মেঝ ছাহেবজাদা পীরে কামেল, মুফতিয়ে আজম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু জা’ফর মোহাম্মদ অজীহ উদ্দিন মুজতবা ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর সান্নিধ্যে নেওয়া হয়। তিনি তাকে কোলে তুলে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ কামিয়াবীর জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেন। তিনি আওলাদে রাসূল হযরত সাইয়্যেদ আহমদ মালেকী আল-আলাভী আল মাক্কি ছাহেবের বিশেষ সান্নিধ্য ও দোয়া লাভ করেন।

☆ ইলমে দীন শিক্ষা লাভ:
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ১৯৯৪ সনে ৬ বছর বয়সে ছারছীনা দারুসসুন্নাত আলীয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে থাকেন। পরে নিজের আগ্রহে উদার পিতার মনোবাসনাকে প্রাধান্য দিয়ে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ায় ভর্তি হন। পর্যায়ক্রমে ২০১০ সনে দাওরায়ে হাদিসে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
পরবর্তীতে তিনি সুনামের সাথে ইফতা জামাতে উত্তীর্ণ হন।
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ছাত্র জীবনেই স্বীয় পিতা ছারছীনা শরীফের গদ্দিনশীন পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ ছাহেব (মা.জি.আ.)-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করে নিয়মিত অজীফা আদায়ের মাধ্যমে ইলমে তাছাউফ শিক্ষায় নিয়োজিত আছেন।

☆ দীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ:
২০০৭ সনে সর্বপ্রথম তিনি স্বীয় পীরের এজাজতক্রমে মক্কা শরীফে মিনায় বসে উপস্থিত পীর ভাইদেরকে তা’লিম দেন এবং ২০১০ সন হতে প্রায় প্রতি মাহফিলেই জিকিরের তা’লিম দিয়ে থাকেন। ২০১১ সনে তাকে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার র‌ঈছের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে মজলিসে শুরার বৈঠকে বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর এবং পরে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ ও যুব হিযবুল্লাহর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ডের বোর্ড সভার সহ-সভাপতি, ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি ও ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ ইসলামিয়ার গভর্নিং বডির অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। সংগঠন ও মাদ্রাসা পরিচালনার পাশাপাশি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকখানা কিতাব ও সংকলন করেছেন।
যেমন-
○ রহমতে দোজাহাঁ হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা ﷺ এর জীবনী,
১. ইসলামের পঞ্চবেনা,
২. দরূদ শরীফের ফাজায়েল ও আহকাম,
৩. যিয়ারতে হারামাইন শরীফাইন,
৪. আছমাউল হুসনা,
৫. আসমাউন্নবী ﷺ,
৬. প্রিয় নবী ﷺ -এর স্মরণে মিলাদ মাহফিল,
৭. কিয়ামতের আলামত,
৮. আদি পিতা হযরত আদম (আ.)।

☆ হজ্জ, যিয়ারত ও বিদেশ সফর:
মক্কা ও মদীনা শরীফে হজ ও যিয়ারতসহ আরো কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ইরাক, জর্দান, ওমান, আরব আমিরাত, বাহরাইন, থাইল্যান্ড, কাতার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ও ইন্ডিয়া। তিনি বহু নবী-রাসূল ও আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার শরীফ যিয়ারত ও দর্শনীয় স্থান সফর করে আল্লাহ প্রদত্ত অনেক প্রজ্ঞা লাভ করেন।

খবর, ধর্মীয় খবর

ইসলামের কিছু শিক্ষনীয় বিষয়

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ ই মার্চ ২০২২,০১:২৫ পি এম। অনলাইন সংস্করণ

সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই
উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে ।

চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম
থেকে উঠে বসে প্রথমে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’
বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে ।
জায়নামায
বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন ।
স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে
আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না ।

সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে
নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার
জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত
বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব
মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে
চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন

স্ত্রী কুরান পড়ছে ।

সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য
প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে
দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময়
দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে
দিলেন ।

অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন ।
ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ

থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর
থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে

ডেকে দেয় । বিয়ের পর থেকে স্ত্রীর
জন্য জামায়াতেও নিয়মিত নামায পড়া হয় । এগুলো

ভাবতে ভাবতে হটাত স্ত্রীর কথা খুব বেশি মনে
পড়লে স্ত্রীকে একটা কল দেয় ।

এবারো
যথারীতি দু’জন একসাথে সালাম বিনিময় করে । বেশ
কিছুক্ষণ কথা বলার পর সালাম বিনিময় করে কল
কেটে দেয় ।

কথা বলা শেষে সাইফুল্লাহ সাহেব
আবার ভাবনায় পড়লেন । আলহামদুলিল্লাহ বলে মনে
করলেন নিজের সে দুয়ার কথা যা তিনি নিয়মিত
করতেন ।

দুয়াটি বিড় বিড় করে আবার পড়লেন-
” হে আল্লাহ ! আমাকে উত্তম চরিত্র দান কর ।

আমার তাকওয়া বৃদ্ধি করে দাও । হারাম থেকে বাঁচিয়ে
হালাল রোজগার দিয়ে আমার রিযিক প্রশস্ত করে দাও

। হে আল্লাহ !আমাকে একজন উত্তম স্ত্রী দান
কর । আমার জন্য তুমি যাকে রেখেছো তাকে
তুমি উত্তম চরিত্র দান কর । তাকে বিপদ-দুশ্চিন্তা
থেকে তুমি মুক্তি দাও । তার জীবনকে তুমি সুন্দর
করে দাও । তাকে দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত

রাখো। হে আল্লাহ ! আমাকে হিদায়াহ’র উপর মৃত্যু
দান কর। আমি একমাত্র তোমার উপরেই ভরসা রাখি”

নিজের নিয়মিত করা দুয়া মনে মনে পড়ে সাইফুল্লাহ
সাহেব খুশি মনে আলহামদুলিল্লাহ বলেন উঠলেন

এবং প্রমাণ পেলেন পূর্ণ ভয় করে আল্লাহর উপর
ভরসা রাখলে আল্লাহ বান্দাকে নিরাশ করেন না ।
অফিসের কাজকর্ম সব শেষ । এখন বাসায় ফিরবেন ।

তার আগে প্রতিদিনের মত ফুলের দোকানে
যাবেন স্ত্রীর জন্য ফুল আনতে । যথারীতি ফুল
কিনলেন । আজ কেন জানি সাইফুল্লাহ সাহেব
অনেকগুলো ফুল কিনেলন ।

বাসার সামনে এসে
দরজা নক করলেন । স্ত্রীর দরজা খুলতেই

যথারীতি দুজন আবার একসাথে সালাম বিনিময় করলেন
। সাইফুল্লাহ সাহেব স্ত্রীকে বললেন , তুমি কি
আমাকে কখনো আগে সালাম দিতে দিবে না ?

স্ত্রীও একই প্রশ্ন করলেন । তারপর সাইফুল্লাহ
সাহেব পেছন থেকে অনেকগুলো ফুল
স্ত্রীর হাতে দিয়ে বলেন , আই লাভ ইউ ফর দ্য

সেইক অফ আল্লাহ । স্ত্রীও বললেন , লাভ ইউ টু
ফর দ্য সেইক অফ আল্লাহ ।

এই হচ্ছে প্রেম । হালাল প্রেম এবং কাছে আসার
গল্প । যেখানে নাই কোন নোংরামি, নাই কোন

অশান্তি , নাই কোন আল্লাহর অবাধ্যতা । যেখানে
আছে শুধু , সুখ আর শান্তি যা আল্লাহর পক্ষ থেকে
আগত ।

আলহামদুলিল্লাহ ।

শোক সংবাদ

সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু মল্লিক এর মায়ের মৃত্যু

প্রকাশিত: মঙ্গলবার,৮ই মার্চ ২০২২, ১০:৫৫ এএম। অনলাইন সংস্করণ

শোক সংবাদ

পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন এর সাংগঠনিক সম্পাদক, মোহাম্মদ রাজিব হসেন (রাজু মল্লিক) এর মা মোসাম্মৎ খাদিজা বেগম (৫০) আজ মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা পনেরো মিনিটের দিকে মৃত্যুবরণ করেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বরিশাল,বাকেরগঞ্জ থানার ১৩ নং পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত ২ নং ওয়ার্ড পূর্ব মহেশপুর গ্রামের নির্বাসী, স্বামী মোঃ শাহাদত মল্লিক এর বাড়িতে তাহার মৃত্যু হয়, মৃত্যুর সময় (খাদিজার) বয়স ছিল প্রায় ( ৫০) বছরের মত।

মৃত্যু ( খাদিজা) এর ছেলে মোহাম্মদ রাজিব হসেন (রাজু মল্লিক) উনি আমাদেরকে জানান গতকাল সোমবার সকাল বেলা উনার মা খাদিজা বলেন বাবা আমার শরীরটা ভাল না, রাজু মল্লিক উনার মায়ের শরীরে হাত দিয়ে দেখেন শরীর টা একটু গরম একটু জ্বর জ্বর ভাব,

ছেলে রাজু বলেন মা আপনার শরীরটা তো গরম জ্বর জ্বর ভাব আপনি একটু রেস্টে থাকেন কোন কাজকর্ম করার দরকার নেই ছোট বোন মরিয়ম ও সব করতে পারবে আপনি রেস্টে থাকেন

এই বলে রাজু আবার কাজ কর্মের দিকে চলে যান এবং যাবার সময় পাশের ঘরে দাদিকে বলে যান দাদি আমার মায়ের শরীরটা ভালোনা শরীরে জ্বর আছে একটু খেয়াল রাখেন

সন্ধ্যাবেলা কাজের শেষে রাজু বাড়িতে এসে দেখেন উনার মায়ের শরীরে জ্বর আরো বেশি পরে উনি দোকানে গিয়ে রাতের বেলা আপেল এবং কমলা এনে অনার আমাকে খাওয়ান

খাওয়ানোর পরে মা খাদিজা বলেন বাবা আমার শরীরটা এখন মোটামুটি ভালই লাগে পরে রাতে ছোট মেয়ে মরিয়ম কে সাথে নিয়ে একই বিছানায় ঘুমানো

প্রত্যেকদিন গভীররাতে তাহাজ্জত পড়তে উঠেন এবং ফজরের নামাজ পড়ে জিকির-আজগার করে তারপরে ঘুমান কিন্তু প্রতিদিনের মতো উনি আজ ওঠেননি উনার বোন সকালবেলা উঠে ভাই রাজু মল্লিক কে ডাক দিয়েছেন

ডেকে বলেন ভাইয়া আম্মু তো ওঠেনা এবং নড়াচড়াও করেনা রাজু মল্লিক তড়িঘড়ি করে এসে দেখেন মায়ের শরীর গরম উনি মামা বলে ডাকেন কোন সাড়া দেয় না তাৎক্ষণিক ডাক্তার নিয়ে আসেন

ডাক্তার এসে দেখে বলেন তোমার মা আর দুনিয়াতে নেই তিনি তোমাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন এই বলে ডাক্তার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্তনা দিয়ে ডাক্তার চলে গেলেন

মোঃ রাজিব হোসেন রাজু মল্লিক “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” নামের একটি সংগঠন পরিচালনা করেন এই সংগঠনের মূল কাজ স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

এই সংগঠন পরিচালনা করে গ্রামের সকল স্তরের মানুষের কাছে থেকে অনেক সুনাম অর্জন করেছেন মোঃ রাজিব হোসেন রাজু এবং গত ৫ ই মার্চ রোজ শনিবার, উপজেলা বাকেরগঞ্জে অডিটোরিয়ামে “বেঙ্গল ইউথ ফাউন্ডেশন” নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে

রাজু মল্লিক এর “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” কে আমন্ত্রণ করা হয়, উক্ত অনুষ্ঠানে বাকেরগঞ্জের পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া উপস্থিত ছিলেন, এবং উক্ত অনুষ্ঠানে পূর্ব মহেশপুর ও সংগঠন, মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া ফুলের শুভেচ্ছা জানান

এবং সেখানে “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” এর কিছু কার্যকলাপ রিভিউ করা হয় সংগঠনের কর্মকান্ড দেখে বাকেরগঞ্জের মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া খুবই কৃতজ্ঞ হন এবং খুবই আনন্দিত হন

উক্ত অনুষ্ঠানে মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া বক্তৃতাকালে আশ্বাস দেন ভবিষ্যতে কোনো কর্মকাণ্ডের যদি কোন সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তাহলে সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

সমাজসেবার এসব কাজ নিয়ে সবসময় ব্যস্ত হঠাৎ করে তাহার মায়ের মৃত্যুতে তাহার সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ খুবই মর্মাহত এবং খুবই শোকাহত এবং সংগঠনের সকল স্তরের মানুষের ভিতরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

আমরা মোঃ রাজিব হোসেন রাজু মল্লিক এর মায়ের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাহার সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।