সময়ের আলো

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ

সংগৃহীত

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ইং,০২:৩০ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

আসন্ন রমজান উপলক্ষে “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” পক্ষ থেকে রমজানের শুরুতেই শতাধিক হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করেছেন এই সংগঠন।

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের ফটোচিত্রে দেখা যায়, তরুণরা রাতের আঁধারে হতদরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েস তাদের ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করছেন। তাদের এই উদ্যোগ দেখে সময়ের আলোর পক্ষ থেকে তাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

সংগৃহীত

বরিশাল জেলার, বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে ২০২১ সালে, মহামারি করোনার আগমনে গড়ে ওঠে এই “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনটি”

২০২১ সালের মহামারি করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেকের, কর্মসংস্থান দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো অনেক অসহায় হয়ে পড়েন। তখন তারা কারো কাছে হাত বাড়াতে পারেনি কারণ সকলের আয়ের পথ গুলো বন্ধ ছিল।

তখনই পূর্ব মহেশপুর গ্রামের এক ঝাঁক তরুণ এসে দাঁড়ান গ্রামের অসহায় হতদরিদ্রদের পাশে । তখন তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলেন এবং সংগঠনের নাম দেওয়া হয় “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন”

“ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মূল পরিচালক মোঃ মাসুম গাজী, হেলাল উদ্দিন, মোঃ রায়হান মোল্লা, মোঃ রবিউল বিশ্বাস, তাদের সাথে আলাপ কালে তারা আমাদের বলেন, করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান ব্যবসা-বাণিজ্য,

দোকানপাট, তাই স্বল্প আয়ের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েন এবং তাদের কষ্ট দেখে আমরা সহ্য করতে না পেরে আমরা গ্রামের যুবকরা এগিয়ে আসি তাদের জন্য কিছু একটা করার লক্ষে। এবং এই সাহায্য সহ-যোগিতার মধ্য দিয়ে আমাদের এ সংগঠনটি গড়ে ওঠে।

যখন আমারা সংগঠনটি গড়ে তুলি, তখন আমাদের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১১ জন, এই ১১জন নিয়ে আমরা সংগঠন পরিচালনা করি এবং ১১ জনের মধ্য থেকে যে যার সাধ্যমত সংগঠনে দান করেন এবং সেই দানের মাধ্যমে আমাদের সংগঠনের আয়ের পথ হয়। সেই আয় দিয়েই হত-দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

সাথে সাথে আমরা গ্রামের রাস্তাঘাট মেরামত করি এবং যদি কারো চিকিৎসার দরকার হয়, আমরা চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করি, যদি কারো ঔষধের প্রয়োজন হয়, আমরা ঔষধের ব্যবস্থা করি, যদি কারো রক্তের প্রয়োজন হয়, আমরা রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করে সকলের পাশে থাকি।

এবং আমাদের এই কার্যক্রম দেখে গ্রামের লোকজন খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত তারা আমাদের কাজে উৎসাহ দেন এবং আমাদেরকে ও আমাদের সংগঠনকে সাহায্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের সাধ্যমত আমরা গ্রামের সকলকে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামেও যারা হত দরিদ্র আছে তাদেরকেও আমরা সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।

এ বছর আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মাধ্যমে ৫০টি, হত দরিদ্র ফ্যামিলিকে রমজানের ইফতার বিতরণ করব এবং এই প্রস্তুতির উপরে নির্ভর করে আমরা সকলের কাছে দাওয়াত দিতে থাকি সংগঠন থেকে, আমরা ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করব যার যা সাধ্য আছে, সে সাধ্য অনুযায়ী আমাদের সাথে শরিক হতে পারেন।

সংগৃহীত

আলহামদুলিল্লাহ সকলের কাছ থেকে আমরা এত সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি আমরা এক শতাধিকেরও বেশি হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করতে পেরেছিস এটা সকলের ভালোবাসায় সম্ভব হয়েছে।

প্রতিটি প্যাকেজে ছিল, চিড়া, মুড়ি, ছোলা বুট, তেল, চিনি, ট্যাং, খেজুর, আলহামদুলিল্লাহ আমরা সকলের দোয়ায় সুন্দরভাবে পরিবেশন করতে পেরেছি কোন প্রকার ঝামেলা বিহীন

প্রধান পরিচালক গন আর বলেন, আমরা মনে করি আমাদের মত সকলে যদি হতদরিদ্রদের পাশে সাহায্য সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন, তাহলে আমাদের সমাজ হবে একটি সুন্দর সমাজ। তাই সকলের প্রতি আমাদের একটাই আহ্বান থাকবে আমাদের পাশে আসুন আমাদের মাধ্যমে হত দরিদ্রদের সাহায্য সহযোগিতা করুন। অথবা আপনি নিজেও যদি পারেন তাহলেও অসহায়দের পাশে দাঁড়ান ।

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন, পূর্ব মহেশপুর, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল, বাংলাদেশ।

খবর

তুচ্ছ ঘটনায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে যখম

সংগৃহীত

প্রকাশ: শনিবার, ১৭ ই মার্চ ২০২৩ ইং, ০৪:৪০পিএম, অনলাইন সংস্করণ

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধ

পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে মিন্টু মৃধা(৪০) নামক এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করা হয়

বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিহারী পুর গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী মোঃ মিন্টু মীরদা কে কুপিয়ে জখম করেন দুর্বৃত্তরা

সূত্রে জানা যায় বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিহারীপুর গ্রামে মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে

গতকাল রোজ শুক্রবার ১৭ই মার্চ আনুমানিক দুপুর ২ টার পরে পারিবারিক তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় মোহাম্মদ কেয়ামত আলী মিরদার ছেলে মিন্টু মৃধা ও গ্রামের নামিদামি সুদ ব্যবসায়ী মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধার ছেলে, তোতলা শিপন, তোতলা রাসেল ও শামীম মিরদার সাথে ও হিরু মৃধার সাথে

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একে অন্যকে ধাক্কাধাক্কি করে ফলে তোতলা শিপন পড়ে যায় এবং পরে গিয়ে ব্যথা পাওয়ায় তখন ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন মৃধা ও হিরু মৃধা তাদের ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র রামদা ও ছুরি লাঠি নিয়ে শামীম মৃধা. ও রাসেল মৃধা

মিন্টু মৃধার উপর শামীম মৃধার দলবল নিয়ে আক্রমণ করেন তখন মিন্টু মৃধা আত্মরক্ষার জন্য লাঠি হাতে নেন লাঠি হাতে নেওয়া দেখে শিপন মৃধা ও রাসেল মৃধা দেশীয় অস্ত্র রামদা দিয়ে কুপিয়ে যখম করেন মিন্টু মৃধা গুরুতর আহত হন

এবং সাথে সাথে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভর্তি করা হয়

এ ব্যাপারে থানায় কোন ডাইরি বা অভিযোগ হয়নি থানায় অভিযোগ করতে সংকোচ বোধ করেন কারণ শিপন মৃধা শামীম মৃধা হিরু মৃধা রাসেল মৃধা তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবার আশঙ্কায়

এদিকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি মিনটু মৃধা গুরুতর অসুস্থ এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালা লরসেন ডাক্তার বলেছেন মিন্টুর উন্নত চিকিৎসার দরকার

সূত্রে আরও জানা যায় শিপন মৃধা ও হিরো মৃধা তারা চোরা কারবারী ও গ্রামে তরুণ যুবকদের মাঝে গাঞ্জা ব্যবসা করেন এবং এর সহযোগিতা করেন বড় ভাই শামীম মৃধা ও ছোট ভাই রাসেল মৃধা রাসেল মৃধা এখন পালিয়ে সৌদি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন গত দু মাস যাবৎ তার ভিসার প্রসেসিং চলিতেছে।

এবং সূত্রে আরও জানায় মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধা ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একজন রাজাকার ছিলেন পাকিস্তানিদের অনেক সহযোগী হিসেবে সে কাজ করতেন

মিন্টুর পরিবার থেকে আরো জানা যায় মিন্টুর অবস্থা যদি বেশি গুরুতর হয় তাহলে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেবেন এবং যদি যদি মিন্টুর কিছু হয়ে যায় তাহলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন

খবর, স্বাস্থ্য তথ্য

আপনার হাত-পা ঘামায়? এর থেকে বাঁচার উপায় কি?

অনেকেই আছেন যাদের হাতের তালু অতিরিক্ত পরিমাণ ঘামে।পরীক্ষা হলে লিখতে গিয়ে খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায় বা ছিড়ে যায়।কলম পিছলে যাওয়ায় লিখতেও অনেক কষ্ট হয়।বার বার হাত মুছতে হয়।অফিসে ফিংগার প্রিন্ট দিতে গিয়ে বা কারো সাথে করমর্দন করতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে হয়।ল্যাপটপ,ডেস্কটপ ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স এর জিনিসপত্র ব্যবহার করতে গিয়ে ভেজা হাতের জন্য দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। একে Palmer Hyperhidrosis বলা হয়।

আবার অনেকে আছেন,যাদের পায়ের তালু অনেক ঘামে।মোজা পড়লে পা ভিজে অস্বস্তি হয়, না পড়লে পা ঘামার কারণে পছন্দসই জুতা পড়তে পারেন না। ঘামে পা পিচ্ছিল হয়ে,চলাফেরায় সমস্যা হয়।পায়ে দুর্গন্ধ হয়। দীর্ঘসময় ভেজা থাকার কারণে পায়ে ফাংগাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ দেখা দেয়।এই পা ঘামা’কে বলা হয় Planter Hyperhidrosis.

যদি কারো হাত ও পা উভয়ই অতিরিক্ত ঘামে তবে তাকে Palmoplanter Hyperhidrosis বলা হয়।



হাত-পায়ের তালু অতিরিক্ত ঘামার কারণ কিঃ

ঠিক কি কারণে আপনার হাত পা ঘামছে তা অজানা। তবে নিম্নলিখিত সমস্যার কারণে হাত বা পা অতিরিক্ত ঘামতে পারেঃ

১)অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়(চা,কফি) ও অ্যালকোহল পান করলে অ্যাপোক্রাইন গ্রন্থি থেকে মাত্রারিক্ত ঘাম বের হতে পারে।

২)ব্লাড সুগার লো বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলেও এমনটি হতে পারে।

৩)কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে হতে পারে।

৪)মহিলাদের মেনোপজ়ও এর একটা অন্যতম কারণ।

৫)যাদের হাইপারথাইরয়েডইজম আছে।

৬)অতিরিক্ত ঝাঁল বা মশলাযুক্ত খাবার।

৭)হতাশা,দুশ্চিন্তা, পারিবারিক অশান্তি।

৮) উলেন বা পলিস্টারের মোজা,টাইট জুতা অনেক সময় ধরে পরে থাকার কারনেও ঘাম হতে পারে।

প্রতিকারঃ

১) বাজারে অনেক ধরনের অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট কিনতে পাওয়া যায়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাতে ও পায়ের তলায় লাগিয়ে শুতে যান।

২)চা,কফি বা ক্যাফেইনজাতীয় পানীয়র অভ্যেস ত্যাগ করুন।

৩)ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪)প্রচুর পানি পান করুন।

৫)নিয়মিত দু’বেলা গোসল করুন।কিন্তু গরম পনিতে গোসল করার অভ্যেস পরিহার করুন, এতে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হাত-পা’য়ে অনেক ঘাম হতে পারে।

৬) পানিতে বার বার হাত-পা ধুয়ে নিন। পানির কলের নিচে কিছুক্ষণ ধরে হাত-পা ধুলে, সাময়িকভাবে কিছুক্ষণের জন্য ঘামানো বন্ধ করা যাবে।

৭)পা ধোয়ার পর কখনও ভেজা অবস্থায় রেখে দেবেন না। শুকনো কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছুন। না হলে পায়ে জীবাণু জন্ম নিতে পারে, গোড়ালি ফেটে যেতে পারে, ঘাম হতে পারে, পায়ে দুর্গন্ধও হতে পারে।

৮)পা ঘামা কমাতে চেষ্টা করুন অন্তত বাড়়িতে খালি পায়ে থাকতে। মেঝে যদি পরিষ্কার থাকে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

৯)ভেজা জুতো পরবেন না।পরার আগে পুরোপুরি শুকিয়ে নিন।

১০)অতিরিক্ত টাইট মোজা পরবেন না।

১১)হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ কমে গেলে হাত ঘামা বন্ধ হতে পারে।

১২) প্রেসক্রিপশন মেডিসিনঃ অতিরিক্ত সমস্যা হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মত ওষুধ সেবন করুন।

১৩)এছাড়াও বর্তমানে আয়োন্টোফোরোরিস,বোটক্স, রেডিয়োফ্রিকুয়েন্সী মাইক্রোনিডলিং, সার্জারি সহ নানাবিধ আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে।



হাত-পায়ের তালু ঘামা কোন গুরুতর রোগ নয়, হতে পারে এটা কোনো রোগের লক্ষণ! তাই এই সমস্যা দেখা দিলে হেলাফেলা না করে অতিসত্বর একজন চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং চিকিৎসা নিন।

@ ডা.মোঃ মুরাদ হোসেন

এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ডিডি(থাইল্যান্ড)

ডার্মাটোলজিস্ট ও এস্থেটিক সার্জন

কনসাল্টেন্ট

কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, উত্তরা,ঢাকা-১২৩০।

শিক্ষা ব্যবস্থা

বিদ্যালয় যেন শিক্ষার্থীর টরচারিং সেল

সংগৃহীত

যশোরে মেহেদী হাসান নামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে স্কুলের শিক্ষক ড্রেসের জন্য পিটিয়ে রক্তাক্তকরণ

প্রতিদিনের ন্যায় রীতিমতো ১৪/০৩/২০২৩ ইং তারিখ স্কুলে যান মেহেদী হাসান (১৫)
যশোর শার্শা সরকারী মডেল পাইলট স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান। তার বাবা ইটভাটার সাধারণ শ্রমিক।

বাবা তিনি মেহেদী হাসানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য ছেলেকে ভর্তি করেন যশোর শার্শা সরকারি মডেল পাইলট স্কুলে ।

দিন মজুর বাবার এই সন্তানকে স্কুলের শিক্ষকরা ড্রেস তৈরী করার জন্য সময় দেন সাত দিন।এর মধ্যে অনেক কষ্টে স্কুল ড্রেস হিসেবে ছেলেকে শার্ট বানিয়ে দেন অভাবী বাবা।
উক্ত সাত দিনের দুই দিনের মাথায় সোমবার সকালে স্কুল ড্রেস হিসেবে শুধু শার্ট পরিধান করে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ক্লাস থেকে ডেকে মাহদীকে নিয়ে যান স্কুল ল্যাব রুমে।
অতঃপর ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর উপর চড়াও হন স্কুল শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।

তোরা হওয়ার পর তাকে বেদার ভাবে মারধর করেন মাহদীর ঘটনা আজ আড়ালেই থেকে গেলো
কারণ মিডিয়া বলে কথা কোন মিডিয়া এটি প্রচার করতে আসেনি

তবে মূল বিষয় হলো শিক্ষক ভাগ্যবান তার বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যাবস্হা নেওয়া হয়নি……!! অনতিবিলম্বে এসে তোকে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক এটা মেহেদির ফ্যামিলির এবং অন্যান্য গার্জিয়ান সকলের দাবি