খবর

তুচ্ছ ঘটনায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে যখম

সংগৃহীত

প্রকাশ: শনিবার, ১৭ ই মার্চ ২০২৩ ইং, ০৪:৪০পিএম, অনলাইন সংস্করণ

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধ

পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে মিন্টু মৃধা(৪০) নামক এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করা হয়

বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিহারী পুর গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী মোঃ মিন্টু মীরদা কে কুপিয়ে জখম করেন দুর্বৃত্তরা

সূত্রে জানা যায় বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিহারীপুর গ্রামে মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে

গতকাল রোজ শুক্রবার ১৭ই মার্চ আনুমানিক দুপুর ২ টার পরে পারিবারিক তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় মোহাম্মদ কেয়ামত আলী মিরদার ছেলে মিন্টু মৃধা ও গ্রামের নামিদামি সুদ ব্যবসায়ী মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধার ছেলে, তোতলা শিপন, তোতলা রাসেল ও শামীম মিরদার সাথে ও হিরু মৃধার সাথে

কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একে অন্যকে ধাক্কাধাক্কি করে ফলে তোতলা শিপন পড়ে যায় এবং পরে গিয়ে ব্যথা পাওয়ায় তখন ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন মৃধা ও হিরু মৃধা তাদের ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র রামদা ও ছুরি লাঠি নিয়ে শামীম মৃধা. ও রাসেল মৃধা

মিন্টু মৃধার উপর শামীম মৃধার দলবল নিয়ে আক্রমণ করেন তখন মিন্টু মৃধা আত্মরক্ষার জন্য লাঠি হাতে নেন লাঠি হাতে নেওয়া দেখে শিপন মৃধা ও রাসেল মৃধা দেশীয় অস্ত্র রামদা দিয়ে কুপিয়ে যখম করেন মিন্টু মৃধা গুরুতর আহত হন

এবং সাথে সাথে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভর্তি করা হয়

এ ব্যাপারে থানায় কোন ডাইরি বা অভিযোগ হয়নি থানায় অভিযোগ করতে সংকোচ বোধ করেন কারণ শিপন মৃধা শামীম মৃধা হিরু মৃধা রাসেল মৃধা তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবার আশঙ্কায়

এদিকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি মিনটু মৃধা গুরুতর অসুস্থ এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালা লরসেন ডাক্তার বলেছেন মিন্টুর উন্নত চিকিৎসার দরকার

সূত্রে আরও জানা যায় শিপন মৃধা ও হিরো মৃধা তারা চোরা কারবারী ও গ্রামে তরুণ যুবকদের মাঝে গাঞ্জা ব্যবসা করেন এবং এর সহযোগিতা করেন বড় ভাই শামীম মৃধা ও ছোট ভাই রাসেল মৃধা রাসেল মৃধা এখন পালিয়ে সৌদি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন গত দু মাস যাবৎ তার ভিসার প্রসেসিং চলিতেছে।

এবং সূত্রে আরও জানায় মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধা ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একজন রাজাকার ছিলেন পাকিস্তানিদের অনেক সহযোগী হিসেবে সে কাজ করতেন

মিন্টুর পরিবার থেকে আরো জানা যায় মিন্টুর অবস্থা যদি বেশি গুরুতর হয় তাহলে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেবেন এবং যদি যদি মিন্টুর কিছু হয়ে যায় তাহলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন