খবর, সময়ের আলো

বরিশাল বাকেরগঞ্জে স্ত্রীকে দিয়ে সাজানো রেপ। কেঁচো খুঁড়তেই এল সাপ

বরিশাল বাকেরগঞ্জে রাসেল বেপারী স্ত্রীক শারমিন আক্তার (২৮) কে বাদী করে সাজানো এক রেপ কেসের আসামি করেন মোঃ মিরাজ গাজী (৩৩) নামের এক যুবককে।

মিথ্যা মামলার বর্ণনা

বাদী মোসাঃ শারমিন আক্তার(২৮) স্বামী রাসেল বেপারী, পিতা মোঃ হাবিব মোল্লা, মাতা মোসাঃ নাসিমা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা, গ্রাম পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।

আসামি মোঃ মিরাজ গাজী(৩৩) পিতা বাবুল গাজী, স্থায়ী ঠিকানা পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।

বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে ঘটনার তারিখ ১০-৬-২০২৩ রোজ শনিবার।

মামলার এজাহারে বাদী শারমিন আক্তার (২৮) বলেন শনিবার রাত আনুমানিক আট ঘটিকার সময় আমার মেজো ছেলে ও ছোট মেয়েকে আমার শোয়ার রুমে ঘুম পাড়ায় প্রচন্ড গরমে আমি সামনের রুমে দরজা খোলা রাখিয়া খাটের উপর শোয়া অবস্থায় থাকাকালীন

আসামী সামনের দরজা খোলা পাইয়া সামনের রুমে প্রবেশ করিয়া হঠাৎ আমাকে খাটে শোয়া অবস্থায় দেখামাত্র আমাকে ঝাপটাইয়া ধরিয়া ঠোঁটে চুম্বন করিতে থাকিয়া আমার পরনে থাকা মেক্সির ভিতর থেকে ডান হাত ঢুকাইয়া দিয়া দুই স্থানে চাপাচাপি করিয়া আসামির বাম হাত দিয়া পেটিকোট উপরে উঠাইয়া

আমার যৌন পথে আসামির বাম হাত দিয়া নাড়াচাড়া করিয়া আসামির লিঙ্গ আমার যৌনপথে প্রবেশ করার চেষ্টা করিলে

আমি আমার ঠোঁট হইতে আসামির মুখ সজরে ধাক্কা দিয়া সরাইয়া দিয়া ডাক চিৎকার দিলে আমার ডাক চিৎকারের শব্দ শুনিয়া পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা আসিয়া পরিলে সাক্ষীদের সামনে দিয়া আসামি দৌড়াইয়া ঘটনাস্থল হইতে পালাইয়া যায়

আমি জোরে ডাক চিৎকার না দিলে এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা না আসিয়া পরিলে আসামী আমাকে ধর্ষণ করিয়া খুন যখম করিয়া ফেলিতো পরবর্তীতে আমার শ্বশুর শাশুড়ি ও দেবর সংবাদ পাইয়া বাড়িতে আসিলে আমি তাদেরকে ঘটনার বিষয় বিস্তারিত খুলিয়া বলি। এই কথাগুলো এজাহারে বলা হয়।

এমন একটি মিথ্যা এজাহার দিয়ে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় পরবর্তীতে ঘটনাটি সময়ের আলোকে জানানো হলে সময়ের আলো ঘটনার সততা যাচাই করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়

এবং সময়ের আলো ঘটনার সততা উদঘাটন করে ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষ কতটা নিকৃষ্ট এবং কতটা লজ্জাহীন হলে এমন এজাহার দেওয়া সম্ভব হয় সময়ের আলোর মন্তব্য

ঘটনা তদন্তে বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। মোঃ হিঙ্গুল মোল্লার ছেলে, মোঃ জয়নাল মোল্লা তার বাবার সম্পত্তি আছে, বাড়ির সংলগ্ন বাংলাবাজার সেই বাজারের ভিতর

জয়নাল মোল্লা তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে কিছু জমি বিক্রি করেন পাশাপাশি বাড়ি মোঃ লেহাজ উদ্দিন গাজী এর ছেলে মোঃ বাবুল গাজী এর কাছে

এবং এই জমি বিক্রির সাক্ষী মোঃ জয়নাল মোল্লার ছোট ছেলে লিটন মোল্লা এবং সাক্ষী আতাহার মৃধা, ছোট ছেলে লিটন মোল্লার শশুর এবং সাক্ষী দেলোয়ার খলিফা বিহারীপুর বাড়ি ছোট ছেলে লিটন মোল্লার ভায়েরা এবং এই জমির দলিল লেখক মোঃ শাজাহান মাস্টার গ্রাম পূর্ব মহেশপুর পোস্ট অফিস বড় পুই য়াউটা থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল

জয়নাল মোল্লার বড় ছেলে হাবিব মোল্লার মেয়ে বাদী শারমিন আক্তার তিনি দাবি করেন দাদার সম্পত্তি পাবেন এই দাবিতে লোকজন নিয়ে বাংলাবাজারে জয়নাল মোল্লার বিক্রি করা জমিনে ক্রেতা মোঃ বাবুল গাজীর দোকান ভাঙচুর করেন

তখন বাজারের সবাই তাকে নিষেধ করেন এবং বলেন এই সম্পত্তি তোমার দাদায় বিক্রি করে দিয়েছে এ সম্পত্তিতে তোমার বাবা এবং চাচার কোন দাবি থাকতে পারে না, বাবার জীবদ্দশায় যে সম্পদ বিক্রি করে সে সম্পত্তির উপরে সন্তানের কোন দাবি থাকে না, বিক্রি করার পর সম্পত্তি যা থাকে তাই নিয়ম অনুসারে সন্তানেরা পায় তাই এই জায়গার তোমাদের কোন দাবি নেই বা তোমরা কোনো দাবি করতে পারো না এ জায়গার প্রকৃত মালিক বাবুল গাজী

এই ব্যাপার নিয়ে সালিশ ডাকা হলে ১৩ নং পাদ্রী শিবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ বাবু হাওলাদার তিনি উভয়কে আপোষ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু বাদীপক্ষ আপস হইতে রাজি নন

পরে তারা এই ঘটনার জের ধরে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মিথ্যা রেপ কেসের মামলা দায়ের করেন ক্রেতা বাবুল গাজীর ছেলে মিরাজ গাজীর নামে এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন, এই মিথ্যা মামলার প্রধান বুদ্ধিদাতা আবুদাবী প্রবাসী মোহাম্মদ আবুল খায়ের নিচে তার ফেসবুক লিংক দেওয়া হল

https://www.facebook.com/abul.khairiab.39?mibextid=ZbWKwL

গ্রাম কাফিলা রাসেল বেপারির ভায়রা, প্রমাণ পাওয়া যায় বাদীর স্বামী মোঃ রাসেল বেপারীর কল রেকর্ড থেকে নিচে দেওয়া হল।

বাদী শারমিন আক্তারের স্বামী রাসেল ব্যাপারীর ফেসবুক লিংক

https://www.facebook.com/profile.php?id=100080562851570&mibextid=ZbWKwL

বাদী শারমিন আক্তারের স্বামী রাসেল বেপারীর মিথ্যা মামলার স্বীকারোক্তি
সাজানো নাটকের স্বীকারোক্তি
জমি বিক্রির দলিল

জমি গৃহিতা মোঃ বাবুল গাজীর দাবি আমি জমি ক্রয় করেছি তার দাদা জয়নাল মোল্লার কাছ থেকে জয়নাল মোল্লা তার ছেলেদেরকে জানাবে না, না জানাবে সেটা তার ব্যাপার আমি কেন তাদের হয়রানির শিকার হব। আমার ছেলে এই ঘটনা ঘটায়নি কেন আমার ছেলের নামে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলো এই বলে সকলের কাছে তিনি সুষ্ঠু সমাধানের দাবি করেন।

খবর

পরিবার গঠনে ইসলামের গুরুত্ব

ইসলামী শিক্ষার সঠিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘সত্যবাদী মুমিন’ ‘রক্ষণশীল প্রতিনিধি’ এবং ‘দৃঢ়-বিশ্বাসী’ মানুষ তৈরি করা। আল্লাহর পরিচয় জানা ও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ইহকালীন ও পরকালিন মুক্তি অর্জন করা। এ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন করা একমাত্র পরিতৃপ্ত ঈমানী শক্তি দ্বারাই সম্ভব। প্রতিনিধিত্বমূলক দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সামনের দিক এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রত্যয়ী হতে হবে। এছাড়াও সঠিক অনুভূতি, বাস্তবধর্মী কর্ম পদ্ধতি, হৃদয়ের সাহস, আমানত ও বিশ্বাসের দৃঢ়টা এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আবশ্যিক উপকরণ। কাজের দক্ষতা এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন ছাড়া এ লক্ষ্যে পৌঁছা কোনো ক্রমেই সম্ভব নয়।

আর সম্ভাবনাময় একজন মানুষ গঠন করতে হলে, এ সকল উন্নত গুণাবলীর বীজ মানব শিশুর মূল উৎস শিশু বয়সেই স্থাপন করতে হবে। এ জন্যই পরিবার এবং পারিবারিক সুসম্পর্কই হচ্ছে শিশুদের ইসলামী শিক্ষা তথা নববী শিক্ষার কারিকুলামের মূল ভিত্তি। কারণ, পরিবারই শিশুর মানসিক ও বৈষয়িক বিকাশের সর্বপ্রথম আশ্রয়স্থল। একটি মানব শিশু তার মানসিক ও বৈষয়িক যে কোনোও ধরনের প্রয়োজন পূরণে অক্ষম অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে। তখন একমাত্র পরিবারই তার সকল প্রকার প্রয়োজন পূরণে সহায়তা ও ব্যবস্থা করে তাকে সুন্দরভাবে লালন-পালনের যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এজন্যই পরিবার গঠন ও পরিবারের সুসম্পর্কই হচ্ছে মানবিক গঠন ও বিকাশের প্রাণকেন্দ্র। যার ওপর ভিত্তি করে মানবিক ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে। এজন্যই পবিত্র আল-কুরআন ও রাসূলের বাণী এবং মানবতার মুক্তির ধর্ম ইসলাম পরিবার এবং পরিবারের সুসম্পর্ককে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং ব্যক্তি ও সমাজ গঠনে পরিবারকে প্রথম বীজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমাদেরকে তাই পরিবার এবং পারিবারিক সুসম্পর্ক বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে হবে যাতে সঠিকভাবে পরিবার ও পারিবারিক সম্পর্কের মূল্যায়ন করে মুসলিম শিশুদেরকে যথাযথ তা‘লীম-তরবিয়তের ব্যবস্থা করে সঠিকভাবে লালন পালন করা যায়। তাদের থেকে পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিস্থিতির আগ্রাসনের শিকার, অন্ধবিশ্বাস, ভ্রান্ত-অনুকরণ, বিচ্যুতি এবং চিন্তার স্থবিরতা ইত্যাদি অপসারণ করা যায়। বিশেষ করে বর্তমান চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুসলিম জাতিকে যেন হিফাযত করা যায়। এ সম্পর্কে আল্লাহ আল-কুরআনে বলেন,

﴿وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنۡ خَلَقَ لَكُم مِّنۡ أَنفُسِكُمۡ أَزۡوَٰجٗا لِّتَسۡكُنُوٓاْ إِلَيۡهَا وَجَعَلَ بَيۡنَكُم مَّوَدَّةٗ وَرَح÷ۡمَةًۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ ٢١﴾ [الروم:

আর তাঁর নিদর্শনা-বলীর মধ্যে একটি নিদর্শন হচ্ছে যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে”। [সূরা আর-রূম, আয়াত: ২১]

আল্লাহ আরও বলেন,

﴿وَٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ أَزۡوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعۡيُنٖ وَٱجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِينَ إِمَامًا ٧٤﴾ [الفرقان: ٧٤]

“যারা বলে, হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৭৪]

আল্লাহ আরও বলেন

﴿وَإِذۡ قَالَ لُقۡمَٰنُ لِٱبۡنِهِۦ وَهُوَ يَعِظُهُۥ يَٰبُنَيَّ لَا تُشۡرِكۡ بِٱللَّهِۖ إِنَّ ٱلشِّرۡكَ لَظُلۡمٌ عَظِيمٞ ١٣ وَوَصَّيۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيۡهِ حَمَلَتۡهُ أُمُّهُۥ وَهۡنًا عَلَىٰ وَهۡنٖ وَفِصَٰلُهُۥ فِي عَامَيۡنِ أَنِ ٱشۡكُرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيۡكَ إِلَيَّ ٱلۡمَصِيرُ ١٤ وَإِن جَٰهَدَاكَ عَلَىٰٓ أَن تُشۡرِكَ بِي مَا لَيۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٞ فَلَا تُطِعۡهُمَاۖ وَصَاحِبۡهُمَا فِي ٱلدُّنۡيَا مَعۡرُوفٗاۖ وَٱتَّبِعۡ سَبِيلَ مَنۡ أَنَابَ إِلَيَّۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرۡجِعُكُمۡ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ ١٥ يَٰبُنَيَّ إِنَّهَآ إِن تَكُ مِثۡقَالَ حَبَّةٖ مِّنۡ خَرۡدَلٖ فَتَكُن فِي صَخۡرَةٍ أَوۡ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ أَوۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ يَأۡتِ بِهَا ٱللَّهُۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَطِيفٌ خَبِيرٞ ١٦ يَٰبُنَيَّ أَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ وَأۡمُرۡ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَٱنۡهَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَٱصۡبِرۡ عَلَىٰ مَآ أَصَابَكَۖ إِنَّ ذَٰلِكَ مِنۡ عَزۡمِ ٱلۡأُمُورِ ١٧ وَلَا تُصَعِّرۡ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمۡشِ فِي ٱلۡأَرۡضِ مَرَحًاۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخۡتَالٖ فَخُورٖ ١٨ وَٱقۡصِدۡ فِي مَشۡيِكَ وَٱغۡضُضۡ مِن صَوۡتِكَۚ إِنَّ أَنكَرَ ٱلۡأَصۡوَٰتِ لَصَوۡتُ ٱلۡحَمِيرِ ١٩﴾ [لقمان: ١٣،  ١٩]

যখন লোকমান উপদেশ হিসেবে তার পুত্রকে বললেন: হে বৎস, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সাথে শরীক করা মহা অন্যায়। আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছর বয়সে। নির্দেশ দিয়েছি যে আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়ে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মানবে না। দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহাবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করো। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমার দিকেই এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে অবহিত করবো। হে বৎস, কোনো বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয়, অতঃপর তা যদি থাকে প্রস্তর খণ্ডের গর্ভে অথবা আকাশে, অথবা ভূগর্ভে, তবে আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ গোপন-ভেদ জানেন, সবকিছু খবর রাখেন। হে বৎস! সালাত কায়েম কর, সৎ কাজের আদেশ দাও, মন্দ কাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবুর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ। অহংকার বশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনোও দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। পাদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং কণ্ঠস্বর নিচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার আওয়াজ সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট আওয়াজ”। [সূরা লোকমান, আয়াত: ১৩-১৯]

আল্লাহ আরও বলেন,