Category: খবর
বরিশাল বাকেরগঞ্জে স্ত্রীকে দিয়ে সাজানো রেপ। কেঁচো খুঁড়তেই এল সাপ
বরিশাল বাকেরগঞ্জে রাসেল বেপারী স্ত্রীক শারমিন আক্তার (২৮) কে বাদী করে সাজানো এক রেপ কেসের আসামি করেন মোঃ মিরাজ গাজী (৩৩) নামের এক যুবককে।

বাদী মোসাঃ শারমিন আক্তার(২৮) স্বামী রাসেল বেপারী, পিতা মোঃ হাবিব মোল্লা, মাতা মোসাঃ নাসিমা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা, গ্রাম পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।
আসামি মোঃ মিরাজ গাজী(৩৩) পিতা বাবুল গাজী, স্থায়ী ঠিকানা পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।
বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে ঘটনার তারিখ ১০-৬-২০২৩ রোজ শনিবার।
মামলার এজাহারে বাদী শারমিন আক্তার (২৮) বলেন শনিবার রাত আনুমানিক আট ঘটিকার সময় আমার মেজো ছেলে ও ছোট মেয়েকে আমার শোয়ার রুমে ঘুম পাড়ায় প্রচন্ড গরমে আমি সামনের রুমে দরজা খোলা রাখিয়া খাটের উপর শোয়া অবস্থায় থাকাকালীন
আসামী সামনের দরজা খোলা পাইয়া সামনের রুমে প্রবেশ করিয়া হঠাৎ আমাকে খাটে শোয়া অবস্থায় দেখামাত্র আমাকে ঝাপটাইয়া ধরিয়া ঠোঁটে চুম্বন করিতে থাকিয়া আমার পরনে থাকা মেক্সির ভিতর থেকে ডান হাত ঢুকাইয়া দিয়া দুই স্থানে চাপাচাপি করিয়া আসামির বাম হাত দিয়া পেটিকোট উপরে উঠাইয়া
আমার যৌন পথে আসামির বাম হাত দিয়া নাড়াচাড়া করিয়া আসামির লিঙ্গ আমার যৌনপথে প্রবেশ করার চেষ্টা করিলে
আমি আমার ঠোঁট হইতে আসামির মুখ সজরে ধাক্কা দিয়া সরাইয়া দিয়া ডাক চিৎকার দিলে আমার ডাক চিৎকারের শব্দ শুনিয়া পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা আসিয়া পরিলে সাক্ষীদের সামনে দিয়া আসামি দৌড়াইয়া ঘটনাস্থল হইতে পালাইয়া যায়
আমি জোরে ডাক চিৎকার না দিলে এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা না আসিয়া পরিলে আসামী আমাকে ধর্ষণ করিয়া খুন যখম করিয়া ফেলিতো পরবর্তীতে আমার শ্বশুর শাশুড়ি ও দেবর সংবাদ পাইয়া বাড়িতে আসিলে আমি তাদেরকে ঘটনার বিষয় বিস্তারিত খুলিয়া বলি। এই কথাগুলো এজাহারে বলা হয়।
এমন একটি মিথ্যা এজাহার দিয়ে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় পরবর্তীতে ঘটনাটি সময়ের আলোকে জানানো হলে সময়ের আলো ঘটনার সততা যাচাই করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়
এবং সময়ের আলো ঘটনার সততা উদঘাটন করে ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষ কতটা নিকৃষ্ট এবং কতটা লজ্জাহীন হলে এমন এজাহার দেওয়া সম্ভব হয় সময়ের আলোর মন্তব্য
ঘটনা তদন্তে বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। মোঃ হিঙ্গুল মোল্লার ছেলে, মোঃ জয়নাল মোল্লা তার বাবার সম্পত্তি আছে, বাড়ির সংলগ্ন বাংলাবাজার সেই বাজারের ভিতর
জয়নাল মোল্লা তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে কিছু জমি বিক্রি করেন পাশাপাশি বাড়ি মোঃ লেহাজ উদ্দিন গাজী এর ছেলে মোঃ বাবুল গাজী এর কাছে
এবং এই জমি বিক্রির সাক্ষী মোঃ জয়নাল মোল্লার ছোট ছেলে লিটন মোল্লা এবং সাক্ষী আতাহার মৃধা, ছোট ছেলে লিটন মোল্লার শশুর এবং সাক্ষী দেলোয়ার খলিফা বিহারীপুর বাড়ি ছোট ছেলে লিটন মোল্লার ভায়েরা এবং এই জমির দলিল লেখক মোঃ শাজাহান মাস্টার গ্রাম পূর্ব মহেশপুর পোস্ট অফিস বড় পুই য়াউটা থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল
জয়নাল মোল্লার বড় ছেলে হাবিব মোল্লার মেয়ে বাদী শারমিন আক্তার তিনি দাবি করেন দাদার সম্পত্তি পাবেন এই দাবিতে লোকজন নিয়ে বাংলাবাজারে জয়নাল মোল্লার বিক্রি করা জমিনে ক্রেতা মোঃ বাবুল গাজীর দোকান ভাঙচুর করেন
তখন বাজারের সবাই তাকে নিষেধ করেন এবং বলেন এই সম্পত্তি তোমার দাদায় বিক্রি করে দিয়েছে এ সম্পত্তিতে তোমার বাবা এবং চাচার কোন দাবি থাকতে পারে না, বাবার জীবদ্দশায় যে সম্পদ বিক্রি করে সে সম্পত্তির উপরে সন্তানের কোন দাবি থাকে না, বিক্রি করার পর সম্পত্তি যা থাকে তাই নিয়ম অনুসারে সন্তানেরা পায় তাই এই জায়গার তোমাদের কোন দাবি নেই বা তোমরা কোনো দাবি করতে পারো না এ জায়গার প্রকৃত মালিক বাবুল গাজী
এই ব্যাপার নিয়ে সালিশ ডাকা হলে ১৩ নং পাদ্রী শিবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ বাবু হাওলাদার তিনি উভয়কে আপোষ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু বাদীপক্ষ আপস হইতে রাজি নন
পরে তারা এই ঘটনার জের ধরে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মিথ্যা রেপ কেসের মামলা দায়ের করেন ক্রেতা বাবুল গাজীর ছেলে মিরাজ গাজীর নামে এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন, এই মিথ্যা মামলার প্রধান বুদ্ধিদাতা আবুদাবী প্রবাসী মোহাম্মদ আবুল খায়ের নিচে তার ফেসবুক লিংক দেওয়া হল
https://www.facebook.com/abul.khairiab.39?mibextid=ZbWKwL
গ্রাম কাফিলা রাসেল বেপারির ভায়রা, প্রমাণ পাওয়া যায় বাদীর স্বামী মোঃ রাসেল বেপারীর কল রেকর্ড থেকে নিচে দেওয়া হল।
বাদী শারমিন আক্তারের স্বামী রাসেল ব্যাপারীর ফেসবুক লিংক
https://www.facebook.com/profile.php?id=100080562851570&mibextid=ZbWKwL

জমি গৃহিতা মোঃ বাবুল গাজীর দাবি আমি জমি ক্রয় করেছি তার দাদা জয়নাল মোল্লার কাছ থেকে জয়নাল মোল্লা তার ছেলেদেরকে জানাবে না, না জানাবে সেটা তার ব্যাপার আমি কেন তাদের হয়রানির শিকার হব। আমার ছেলে এই ঘটনা ঘটায়নি কেন আমার ছেলের নামে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলো এই বলে সকলের কাছে তিনি সুষ্ঠু সমাধানের দাবি করেন।

পরিবার গঠনে ইসলামের গুরুত্ব

ইসলামী শিক্ষার সঠিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘সত্যবাদী মুমিন’ ‘রক্ষণশীল প্রতিনিধি’ এবং ‘দৃঢ়-বিশ্বাসী’ মানুষ তৈরি করা। আল্লাহর পরিচয় জানা ও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ইহকালীন ও পরকালিন মুক্তি অর্জন করা। এ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অর্জন করা একমাত্র পরিতৃপ্ত ঈমানী শক্তি দ্বারাই সম্ভব। প্রতিনিধিত্বমূলক দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সামনের দিক এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রত্যয়ী হতে হবে। এছাড়াও সঠিক অনুভূতি, বাস্তবধর্মী কর্ম পদ্ধতি, হৃদয়ের সাহস, আমানত ও বিশ্বাসের দৃঢ়টা এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আবশ্যিক উপকরণ। কাজের দক্ষতা এবং সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন ছাড়া এ লক্ষ্যে পৌঁছা কোনো ক্রমেই সম্ভব নয়।
আর সম্ভাবনাময় একজন মানুষ গঠন করতে হলে, এ সকল উন্নত গুণাবলীর বীজ মানব শিশুর মূল উৎস শিশু বয়সেই স্থাপন করতে হবে। এ জন্যই পরিবার এবং পারিবারিক সুসম্পর্কই হচ্ছে শিশুদের ইসলামী শিক্ষা তথা নববী শিক্ষার কারিকুলামের মূল ভিত্তি। কারণ, পরিবারই শিশুর মানসিক ও বৈষয়িক বিকাশের সর্বপ্রথম আশ্রয়স্থল। একটি মানব শিশু তার মানসিক ও বৈষয়িক যে কোনোও ধরনের প্রয়োজন পূরণে অক্ষম অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে। তখন একমাত্র পরিবারই তার সকল প্রকার প্রয়োজন পূরণে সহায়তা ও ব্যবস্থা করে তাকে সুন্দরভাবে লালন-পালনের যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। এজন্যই পরিবার গঠন ও পরিবারের সুসম্পর্কই হচ্ছে মানবিক গঠন ও বিকাশের প্রাণকেন্দ্র। যার ওপর ভিত্তি করে মানবিক ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে। এজন্যই পবিত্র আল-কুরআন ও রাসূলের বাণী এবং মানবতার মুক্তির ধর্ম ইসলাম পরিবার এবং পরিবারের সুসম্পর্ককে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং ব্যক্তি ও সমাজ গঠনে পরিবারকে প্রথম বীজ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। আমাদেরকে তাই পরিবার এবং পারিবারিক সুসম্পর্ক বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে হবে যাতে সঠিকভাবে পরিবার ও পারিবারিক সম্পর্কের মূল্যায়ন করে মুসলিম শিশুদেরকে যথাযথ তা‘লীম-তরবিয়তের ব্যবস্থা করে সঠিকভাবে লালন পালন করা যায়। তাদের থেকে পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিস্থিতির আগ্রাসনের শিকার, অন্ধবিশ্বাস, ভ্রান্ত-অনুকরণ, বিচ্যুতি এবং চিন্তার স্থবিরতা ইত্যাদি অপসারণ করা যায়। বিশেষ করে বর্তমান চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুসলিম জাতিকে যেন হিফাযত করা যায়। এ সম্পর্কে আল্লাহ আল-কুরআনে বলেন,
﴿وَمِنۡ ءَايَٰتِهِۦٓ أَنۡ خَلَقَ لَكُم مِّنۡ أَنفُسِكُمۡ أَزۡوَٰجٗا لِّتَسۡكُنُوٓاْ إِلَيۡهَا وَجَعَلَ بَيۡنَكُم مَّوَدَّةٗ وَرَح÷ۡمَةًۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ ٢١﴾ [الروم:
আর তাঁর নিদর্শনা-বলীর মধ্যে একটি নিদর্শন হচ্ছে যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে”। [সূরা আর-রূম, আয়াত: ২১]
আল্লাহ আরও বলেন,
﴿وَٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ أَزۡوَٰجِنَا وَذُرِّيَّٰتِنَا قُرَّةَ أَعۡيُنٖ وَٱجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِينَ إِمَامًا ٧٤﴾ [الفرقان: ٧٤]
“যারা বলে, হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৭৪]
আল্লাহ আরও বলেন
﴿وَإِذۡ قَالَ لُقۡمَٰنُ لِٱبۡنِهِۦ وَهُوَ يَعِظُهُۥ يَٰبُنَيَّ لَا تُشۡرِكۡ بِٱللَّهِۖ إِنَّ ٱلشِّرۡكَ لَظُلۡمٌ عَظِيمٞ ١٣ وَوَصَّيۡنَا ٱلۡإِنسَٰنَ بِوَٰلِدَيۡهِ حَمَلَتۡهُ أُمُّهُۥ وَهۡنًا عَلَىٰ وَهۡنٖ وَفِصَٰلُهُۥ فِي عَامَيۡنِ أَنِ ٱشۡكُرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيۡكَ إِلَيَّ ٱلۡمَصِيرُ ١٤ وَإِن جَٰهَدَاكَ عَلَىٰٓ أَن تُشۡرِكَ بِي مَا لَيۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٞ فَلَا تُطِعۡهُمَاۖ وَصَاحِبۡهُمَا فِي ٱلدُّنۡيَا مَعۡرُوفٗاۖ وَٱتَّبِعۡ سَبِيلَ مَنۡ أَنَابَ إِلَيَّۚ ثُمَّ إِلَيَّ مَرۡجِعُكُمۡ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ ١٥ يَٰبُنَيَّ إِنَّهَآ إِن تَكُ مِثۡقَالَ حَبَّةٖ مِّنۡ خَرۡدَلٖ فَتَكُن فِي صَخۡرَةٍ أَوۡ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ أَوۡ فِي ٱلۡأَرۡضِ يَأۡتِ بِهَا ٱللَّهُۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَطِيفٌ خَبِيرٞ ١٦ يَٰبُنَيَّ أَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ وَأۡمُرۡ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَٱنۡهَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِ وَٱصۡبِرۡ عَلَىٰ مَآ أَصَابَكَۖ إِنَّ ذَٰلِكَ مِنۡ عَزۡمِ ٱلۡأُمُورِ ١٧ وَلَا تُصَعِّرۡ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمۡشِ فِي ٱلۡأَرۡضِ مَرَحًاۖ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخۡتَالٖ فَخُورٖ ١٨ وَٱقۡصِدۡ فِي مَشۡيِكَ وَٱغۡضُضۡ مِن صَوۡتِكَۚ إِنَّ أَنكَرَ ٱلۡأَصۡوَٰتِ لَصَوۡتُ ٱلۡحَمِيرِ ١٩﴾ [لقمان: ١٣، ١٩]
যখন লোকমান উপদেশ হিসেবে তার পুত্রকে বললেন: হে বৎস, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সাথে শরীক করা মহা অন্যায়। আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছর বয়সে। নির্দেশ দিয়েছি যে আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। পিতা-মাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়ে শরীক স্থির করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মানবে না। দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহাবস্থান করবে। যে আমার অভিমুখী হয়, তার পথ অনুসরণ করো। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমার দিকেই এবং তোমরা যা করতে, আমি সে বিষয়ে অবহিত করবো। হে বৎস, কোনো বস্তু যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয়, অতঃপর তা যদি থাকে প্রস্তর খণ্ডের গর্ভে অথবা আকাশে, অথবা ভূগর্ভে, তবে আল্লাহ তাও উপস্থিত করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ গোপন-ভেদ জানেন, সবকিছু খবর রাখেন। হে বৎস! সালাত কায়েম কর, সৎ কাজের আদেশ দাও, মন্দ কাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবুর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ। অহংকার বশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনোও দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। পাদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং কণ্ঠস্বর নিচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার আওয়াজ সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট আওয়াজ”। [সূরা লোকমান, আয়াত: ১৩-১৯]
আল্লাহ আরও বলেন,
হামলার মুখে ১ লাখ ৪০ হাজার মুসল্লী

ইসরাইলি বাধা উপেক্ষা করে জেরুজালেমে অবস্থিত পবিত্র মসজিদ আল আকসায় এক লাখ ৪০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে তারাবির নামাজ আদায় করেছেন।
জেরুজালেম ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিভাগ এ তথ্য দিয়েছে। খবর ইয়েনি সাফাকের।
উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুজালেমে পবিত্র আল আকসা মসজিদে গত মঙ্গল ও বুধবার টানা দুদিন মুসল্লিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি পুলিশ।
আল আকসায় হামলা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন। একই সঙ্গে মুসল্লিদের নামাজে বাধা দেওয়ার কোনো অধিকার ইসরাইলের নেই বলেও জানিয়েছে দেশটি।
আল আকসা মসজিদে হামলার ঘটনায় ইসরাইলি কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেছেন জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর। একই সঙ্গে ইসরাইলের নিন্দা জানিয়েছে আরব লিগ ও ওআইসিও।
ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ইং,০২:৩০ এ এম। অনলাইন সংস্করণ
আসন্ন রমজান উপলক্ষে “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” পক্ষ থেকে রমজানের শুরুতেই শতাধিক হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করেছেন এই সংগঠন।
ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের ফটোচিত্রে দেখা যায়, তরুণরা রাতের আঁধারে হতদরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েস তাদের ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করছেন। তাদের এই উদ্যোগ দেখে সময়ের আলোর পক্ষ থেকে তাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

বরিশাল জেলার, বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে ২০২১ সালে, মহামারি করোনার আগমনে গড়ে ওঠে এই “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনটি”
২০২১ সালের মহামারি করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেকের, কর্মসংস্থান দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো অনেক অসহায় হয়ে পড়েন। তখন তারা কারো কাছে হাত বাড়াতে পারেনি কারণ সকলের আয়ের পথ গুলো বন্ধ ছিল।
তখনই পূর্ব মহেশপুর গ্রামের এক ঝাঁক তরুণ এসে দাঁড়ান গ্রামের অসহায় হতদরিদ্রদের পাশে । তখন তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলেন এবং সংগঠনের নাম দেওয়া হয় “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন”
“ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মূল পরিচালক মোঃ মাসুম গাজী, হেলাল উদ্দিন, মোঃ রায়হান মোল্লা, মোঃ রবিউল বিশ্বাস, তাদের সাথে আলাপ কালে তারা আমাদের বলেন, করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান ব্যবসা-বাণিজ্য,
দোকানপাট, তাই স্বল্প আয়ের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েন এবং তাদের কষ্ট দেখে আমরা সহ্য করতে না পেরে আমরা গ্রামের যুবকরা এগিয়ে আসি তাদের জন্য কিছু একটা করার লক্ষে। এবং এই সাহায্য সহ-যোগিতার মধ্য দিয়ে আমাদের এ সংগঠনটি গড়ে ওঠে।
যখন আমারা সংগঠনটি গড়ে তুলি, তখন আমাদের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১১ জন, এই ১১জন নিয়ে আমরা সংগঠন পরিচালনা করি এবং ১১ জনের মধ্য থেকে যে যার সাধ্যমত সংগঠনে দান করেন এবং সেই দানের মাধ্যমে আমাদের সংগঠনের আয়ের পথ হয়। সেই আয় দিয়েই হত-দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।
সাথে সাথে আমরা গ্রামের রাস্তাঘাট মেরামত করি এবং যদি কারো চিকিৎসার দরকার হয়, আমরা চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করি, যদি কারো ঔষধের প্রয়োজন হয়, আমরা ঔষধের ব্যবস্থা করি, যদি কারো রক্তের প্রয়োজন হয়, আমরা রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করে সকলের পাশে থাকি।
এবং আমাদের এই কার্যক্রম দেখে গ্রামের লোকজন খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত তারা আমাদের কাজে উৎসাহ দেন এবং আমাদেরকে ও আমাদের সংগঠনকে সাহায্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের সাধ্যমত আমরা গ্রামের সকলকে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামেও যারা হত দরিদ্র আছে তাদেরকেও আমরা সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।
এ বছর আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মাধ্যমে ৫০টি, হত দরিদ্র ফ্যামিলিকে রমজানের ইফতার বিতরণ করব এবং এই প্রস্তুতির উপরে নির্ভর করে আমরা সকলের কাছে দাওয়াত দিতে থাকি সংগঠন থেকে, আমরা ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করব যার যা সাধ্য আছে, সে সাধ্য অনুযায়ী আমাদের সাথে শরিক হতে পারেন।
আলহামদুলিল্লাহ সকলের কাছ থেকে আমরা এত সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি আমরা এক শতাধিকেরও বেশি হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করতে পেরেছিস এটা সকলের ভালোবাসায় সম্ভব হয়েছে।
প্রতিটি প্যাকেজে ছিল, চিড়া, মুড়ি, ছোলা বুট, তেল, চিনি, ট্যাং, খেজুর, আলহামদুলিল্লাহ আমরা সকলের দোয়ায় সুন্দরভাবে পরিবেশন করতে পেরেছি কোন প্রকার ঝামেলা বিহীন
প্রধান পরিচালক গন আর বলেন, আমরা মনে করি আমাদের মত সকলে যদি হতদরিদ্রদের পাশে সাহায্য সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন, তাহলে আমাদের সমাজ হবে একটি সুন্দর সমাজ। তাই সকলের প্রতি আমাদের একটাই আহ্বান থাকবে আমাদের পাশে আসুন আমাদের মাধ্যমে হত দরিদ্রদের সাহায্য সহযোগিতা করুন। অথবা আপনি নিজেও যদি পারেন তাহলেও অসহায়দের পাশে দাঁড়ান ।
ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন, পূর্ব মহেশপুর, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল, বাংলাদেশ।
তুচ্ছ ঘটনায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে যখম

প্রকাশ: শনিবার, ১৭ ই মার্চ ২০২৩ ইং, ০৪:৪০পিএম, অনলাইন সংস্করণ
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধ
পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে মিন্টু মৃধা(৪০) নামক এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করা হয়
বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিহারী পুর গ্রামের আওয়ামী লীগ কর্মী মোঃ মিন্টু মীরদা কে কুপিয়ে জখম করেন দুর্বৃত্তরা
সূত্রে জানা যায় বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিহারীপুর গ্রামে মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে
গতকাল রোজ শুক্রবার ১৭ই মার্চ আনুমানিক দুপুর ২ টার পরে পারিবারিক তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় মোহাম্মদ কেয়ামত আলী মিরদার ছেলে মিন্টু মৃধা ও গ্রামের নামিদামি সুদ ব্যবসায়ী মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধার ছেলে, তোতলা শিপন, তোতলা রাসেল ও শামীম মিরদার সাথে ও হিরু মৃধার সাথে
কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে একে অন্যকে ধাক্কাধাক্কি করে ফলে তোতলা শিপন পড়ে যায় এবং পরে গিয়ে ব্যথা পাওয়ায় তখন ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন মৃধা ও হিরু মৃধা তাদের ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র রামদা ও ছুরি লাঠি নিয়ে শামীম মৃধা. ও রাসেল মৃধা
মিন্টু মৃধার উপর শামীম মৃধার দলবল নিয়ে আক্রমণ করেন তখন মিন্টু মৃধা আত্মরক্ষার জন্য লাঠি হাতে নেন লাঠি হাতে নেওয়া দেখে শিপন মৃধা ও রাসেল মৃধা দেশীয় অস্ত্র রামদা দিয়ে কুপিয়ে যখম করেন মিন্টু মৃধা গুরুতর আহত হন
এবং সাথে সাথে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভর্তি করা হয়
এ ব্যাপারে থানায় কোন ডাইরি বা অভিযোগ হয়নি থানায় অভিযোগ করতে সংকোচ বোধ করেন কারণ শিপন মৃধা শামীম মৃধা হিরু মৃধা রাসেল মৃধা তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাবার আশঙ্কায়
এদিকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি মিনটু মৃধা গুরুতর অসুস্থ এবং মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালা লরসেন ডাক্তার বলেছেন মিন্টুর উন্নত চিকিৎসার দরকার
সূত্রে আরও জানা যায় শিপন মৃধা ও হিরো মৃধা তারা চোরা কারবারী ও গ্রামে তরুণ যুবকদের মাঝে গাঞ্জা ব্যবসা করেন এবং এর সহযোগিতা করেন বড় ভাই শামীম মৃধা ও ছোট ভাই রাসেল মৃধা রাসেল মৃধা এখন পালিয়ে সৌদি যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন গত দু মাস যাবৎ তার ভিসার প্রসেসিং চলিতেছে।
এবং সূত্রে আরও জানায় মোঃ কবির উদ্দিন আক্কাস মৃধা ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একজন রাজাকার ছিলেন পাকিস্তানিদের অনেক সহযোগী হিসেবে সে কাজ করতেন
মিন্টুর পরিবার থেকে আরো জানা যায় মিন্টুর অবস্থা যদি বেশি গুরুতর হয় তাহলে তাকে উন্নত চিকিৎসা দেবেন এবং যদি যদি মিন্টুর কিছু হয়ে যায় তাহলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন
আপনার হাত-পা ঘামায়? এর থেকে বাঁচার উপায় কি?

অনেকেই আছেন যাদের হাতের তালু অতিরিক্ত পরিমাণ ঘামে।পরীক্ষা হলে লিখতে গিয়ে খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায় বা ছিড়ে যায়।কলম পিছলে যাওয়ায় লিখতেও অনেক কষ্ট হয়।বার বার হাত মুছতে হয়।অফিসে ফিংগার প্রিন্ট দিতে গিয়ে বা কারো সাথে করমর্দন করতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে হয়।ল্যাপটপ,ডেস্কটপ ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স এর জিনিসপত্র ব্যবহার করতে গিয়ে ভেজা হাতের জন্য দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। একে Palmer Hyperhidrosis বলা হয়।
আবার অনেকে আছেন,যাদের পায়ের তালু অনেক ঘামে।মোজা পড়লে পা ভিজে অস্বস্তি হয়, না পড়লে পা ঘামার কারণে পছন্দসই জুতা পড়তে পারেন না। ঘামে পা পিচ্ছিল হয়ে,চলাফেরায় সমস্যা হয়।পায়ে দুর্গন্ধ হয়। দীর্ঘসময় ভেজা থাকার কারণে পায়ে ফাংগাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ দেখা দেয়।এই পা ঘামা’কে বলা হয় Planter Hyperhidrosis.
যদি কারো হাত ও পা উভয়ই অতিরিক্ত ঘামে তবে তাকে Palmoplanter Hyperhidrosis বলা হয়।
হাত-পায়ের তালু অতিরিক্ত ঘামার কারণ কিঃ
ঠিক কি কারণে আপনার হাত পা ঘামছে তা অজানা। তবে নিম্নলিখিত সমস্যার কারণে হাত বা পা অতিরিক্ত ঘামতে পারেঃ
১)অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়(চা,কফি) ও অ্যালকোহল পান করলে অ্যাপোক্রাইন গ্রন্থি থেকে মাত্রারিক্ত ঘাম বের হতে পারে।
২)ব্লাড সুগার লো বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলেও এমনটি হতে পারে।
৩)কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে হতে পারে।
৪)মহিলাদের মেনোপজ়ও এর একটা অন্যতম কারণ।
৫)যাদের হাইপারথাইরয়েডইজম আছে।
৬)অতিরিক্ত ঝাঁল বা মশলাযুক্ত খাবার।
৭)হতাশা,দুশ্চিন্তা, পারিবারিক অশান্তি।
৮) উলেন বা পলিস্টারের মোজা,টাইট জুতা অনেক সময় ধরে পরে থাকার কারনেও ঘাম হতে পারে।
প্রতিকারঃ
১) বাজারে অনেক ধরনের অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট কিনতে পাওয়া যায়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাতে ও পায়ের তলায় লাগিয়ে শুতে যান।
২)চা,কফি বা ক্যাফেইনজাতীয় পানীয়র অভ্যেস ত্যাগ করুন।
৩)ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪)প্রচুর পানি পান করুন।
৫)নিয়মিত দু’বেলা গোসল করুন।কিন্তু গরম পনিতে গোসল করার অভ্যেস পরিহার করুন, এতে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হাত-পা’য়ে অনেক ঘাম হতে পারে।
৬) পানিতে বার বার হাত-পা ধুয়ে নিন। পানির কলের নিচে কিছুক্ষণ ধরে হাত-পা ধুলে, সাময়িকভাবে কিছুক্ষণের জন্য ঘামানো বন্ধ করা যাবে।
৭)পা ধোয়ার পর কখনও ভেজা অবস্থায় রেখে দেবেন না। শুকনো কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছুন। না হলে পায়ে জীবাণু জন্ম নিতে পারে, গোড়ালি ফেটে যেতে পারে, ঘাম হতে পারে, পায়ে দুর্গন্ধও হতে পারে।
৮)পা ঘামা কমাতে চেষ্টা করুন অন্তত বাড়়িতে খালি পায়ে থাকতে। মেঝে যদি পরিষ্কার থাকে, সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
৯)ভেজা জুতো পরবেন না।পরার আগে পুরোপুরি শুকিয়ে নিন।
১০)অতিরিক্ত টাইট মোজা পরবেন না।
১১)হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ কমে গেলে হাত ঘামা বন্ধ হতে পারে।
১২) প্রেসক্রিপশন মেডিসিনঃ অতিরিক্ত সমস্যা হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মত ওষুধ সেবন করুন।
১৩)এছাড়াও বর্তমানে আয়োন্টোফোরোরিস,বোটক্স, রেডিয়োফ্রিকুয়েন্সী মাইক্রোনিডলিং, সার্জারি সহ নানাবিধ আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে।
হাত-পায়ের তালু ঘামা কোন গুরুতর রোগ নয়, হতে পারে এটা কোনো রোগের লক্ষণ! তাই এই সমস্যা দেখা দিলে হেলাফেলা না করে অতিসত্বর একজন চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং চিকিৎসা নিন।
@ ডা.মোঃ মুরাদ হোসেন
এমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ডিডি(থাইল্যান্ড)
ডার্মাটোলজিস্ট ও এস্থেটিক সার্জন
কনসাল্টেন্ট
কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, উত্তরা,ঢাকা-১২৩০।
বিদ্যালয় যেন শিক্ষার্থীর টরচারিং সেল

সংগৃহীত
যশোরে মেহেদী হাসান নামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে স্কুলের শিক্ষক ড্রেসের জন্য পিটিয়ে রক্তাক্তকরণ
প্রতিদিনের ন্যায় রীতিমতো ১৪/০৩/২০২৩ ইং তারিখ স্কুলে যান মেহেদী হাসান (১৫)
যশোর শার্শা সরকারী মডেল পাইলট স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান। তার বাবা ইটভাটার সাধারণ শ্রমিক।
বাবা তিনি মেহেদী হাসানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য ছেলেকে ভর্তি করেন যশোর শার্শা সরকারি মডেল পাইলট স্কুলে ।
দিন মজুর বাবার এই সন্তানকে স্কুলের শিক্ষকরা ড্রেস তৈরী করার জন্য সময় দেন সাত দিন।এর মধ্যে অনেক কষ্টে স্কুল ড্রেস হিসেবে ছেলেকে শার্ট বানিয়ে দেন অভাবী বাবা।
উক্ত সাত দিনের দুই দিনের মাথায় সোমবার সকালে স্কুল ড্রেস হিসেবে শুধু শার্ট পরিধান করে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ক্লাস থেকে ডেকে মাহদীকে নিয়ে যান স্কুল ল্যাব রুমে।
অতঃপর ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর উপর চড়াও হন স্কুল শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।
তোরা হওয়ার পর তাকে বেদার ভাবে মারধর করেন মাহদীর ঘটনা আজ আড়ালেই থেকে গেলো
কারণ মিডিয়া বলে কথা কোন মিডিয়া এটি প্রচার করতে আসেনি
তবে মূল বিষয় হলো শিক্ষক ভাগ্যবান তার বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যাবস্হা নেওয়া হয়নি……!! অনতিবিলম্বে এসে তোকে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক এটা মেহেদির ফ্যামিলির এবং অন্যান্য গার্জিয়ান সকলের দাবি
বাকেরগঞ্জে, মুখ খুললে বড় ভাইয়ের স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার হুমকি

বরিশাল বাকেরগঞ্জে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সন্তানকে মারদারের পর হত্যা করার হুমকি দেন শামীম হাওলাদার
বরিশাল বাকেরগঞ্জ বিহারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ওয়াসেদ আলি হাওলাদারের মেজো ছেলে মোঃ শামীম হাওলাদার (৪৮) তার বড় ভাই শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের স্ত্রী সন্তানকে জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে জের দরে মারধর করেন এবং গুরুতর আহত করেন এবং বলেন যদি কারো কাছে মুখ খোল তাহলে তোমাদেরকে হত্যা করা হবে
এক সূত্রে জানা যায় ১২ নং রংঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিহারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত্যু ওয়াসেদ আলীর হাওলাদারের তিন ছেলে প্রথম ছেলে মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার দ্বিতীয় ছেলে মোঃ শামীম হাওলাদার ওরফে কানা শামীম তৃতীয় ছেলে মোহাম্মদ শহীদ হাওলাদার
তিন ভাইয়ের ভিতরে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল দীর্ঘদিন যাবত এই জমি নিয়ে শামীম হাওলাদার এর সাথে এবং বড় ছেলে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার এর সাথে দ্বন্দ্ব চলে
তারই যের ধরে ১২ ই ডিসেম্বর রোজ রবিবার দুপুর ২ ঘটিকার দিকে শামীম হাওলাদার (ওরফে কানা শামীম) তার স্ত্রী ডালিম বেগম এবং বড় ছেলে গাঁজা শাকিল ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ শাহাবুদ্দিনের বসত করে প্রবেশ করুন
প্রবেশ করার সাথে সাথে এলোপাথারে লাথি কেল ঘুসি এবং রামদা দিয়ে আঘাত করেন এক পর্যায়ে শাহাবুদ্দিনকে হত্যা করার হুমকি দেন এবং শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী এবং কন্যাকে ধর্ষণ করার হুমকি দেন
এবং মারধরের পরে ঘরের ভিতরে হাতের কাছে যেসব মাল জিনিস পেয়েছেন সব তারা লুট করে নিয়ে যান
এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে নালীর জানালে কোন বিচার বা আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি
গ্রাম্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে কোন সুবিচার না পেয়ে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন উপজেলা বাকেরগঞ্জ থানায় শামীম হাওলাদার ওরফে কানা শামীম এবং তার স্ত্রী ডালিম বেগম ও তার বড় ছেলে গাঁজা শাকিল এর বিরুদ্ধে, শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন
বাকেরগঞ্জ থানার এসআই নাসির উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সততা যাচাই করে নিশ্চিত হন। ভুক্তভোগী পরিবারটি অভিযুক্তদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আগৈল জারায় চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চুরির অপরাধে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা গ্রামে নির্যাতনের শিকার হয় তারা। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ কিশোরদের উদ্ধার করে।
নির্যাতনের শিকার তিন ছিন্নমূল কিশোর মামুন গাজী (২০), সাগর মিয়া (১৮) ও তুহিন মিয়া (১৭) বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকায় থাকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে মধ্যশিহিপাশা গ্রামের প্রবাসী মোকলেস সরদারের বাড়িতে প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করতে যায় ওই কিশোরেরা। তারা ওই বাড়ির একটি টিউবওয়েল চুরি করে। মোকলেসের স্ত্রী লাকী বেগম পানি আনতে গিয়ে দেখেন টিউবওয়েল নেই। এ সময় ওই কিশোরদের চলে যেতে দেখে চিৎকার করেন।
এতে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে সাবেক ইউপি সদস্য হানিফ সরদারের বাড়ির সামনে একটি গাছে বেঁধে কিশোরদের নির্যাতন চালানো হয়।
ওই কিশোরদের ভাষ্য, তারা অনুনয়-বিনয় করলেও নির্যাতনকারীদের মন গলেনি। বেধড়ক মারধর করা হয় তাদের। এ সময় স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি গৈলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু তালুকদারকে বিষয়টি জানান। তিনি থানায় সংবাদ দিলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান হোসেন সেখান থেকে তিন কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।
গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু তালুকদার বলেন, ওই কিশোররা চুরি করে থাকলে তাদের পুলিশে দেওয়া যেত। এভাবে গাছে বেঁধে নির্যাতন ঠিক হয়নি।
আগৈলঝাড়া থানার এসআই রমজান হোসেন বলেন, এ ঘটনায় প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সৌদিতে থাকা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অনুরোধ

সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গাকে (মিয়ানমারের নাগরিক) পাসপোর্ট প্রদান বা নবায়নের সুযোগ দিতে অনুরোধ জানিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দল। এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এনআইডিসহ যা যা লাগবে সেগুলো দেখিয়ে যারা পাসপোর্ট পাওয়া ও নবায়নের যোগ্য তাদেরকে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
রোববার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সৌদি আরবে রোহিঙ্গা নাগরিকরা তিন প্রজন্ম ধরে অবস্থান করছেন। পাকিস্তান আমল থেকে তারা সেখানে আছেন। বাংলাদেশ থেকে যেসব রোহিঙ্গা নাগরিক নিজেদের ‘ম্যাকানিজমে’ বিশেষ বিবেচনায় গিয়েছিলেন তাদের বিষয়ে কী করা যায় সেটা খতিয়ে দেখা হবে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা নাগরিকদের তাদের দেশে (মিয়ানমার) ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আরও জোরদার করতে সৌদি আরবের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, উভয় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়াতে ‘নিরাপত্তা সহযোগিতা’ বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি হজযাত্রীদের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে বৈঠকে ‘রোড টু মক্কা’ নামে দুটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়াও সাইবার সিকিউরিটি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় যৌথভাবে দুই দেশ কিভাবে কাজ করতে পারে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি প্রতিনিধি দল তাদের দেশে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ওপর জোর দিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দক্ষ করে তুলতে বাংলাদেশ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ব্যবস্থা সহজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২৭ লাখ ৬০ জন বাংলাদেশি নাগরিক চাকরি ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন ও অবস্থান করছেন।
দুমকিতে দেড় হাজার পিস ইয়াবা সহ পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক।

পটুয়াখালীর দুমকিতে দেড় হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. আজিজুর রহমান (৫৯) নামে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শুক্রবার রাতে উপজেলার লেবুখালীর পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আজিজুর রহমান বর্তমানে পটুয়াখালী শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুর এলাকায় বসবাস করেন। তার স্থায়ী ঠিকানা ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায়। আজিজুর অবসর নেওয়া পুলিশ সদস্য।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আজিজুর রহমান ২০১৫ সালে বরিশাল জেলা পুলিশে এএসআই পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান। তখন থেকে পটুয়াখালী শহরে বাড়ি করে বসবাস করে আসছিলেন।
এর আগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের চাকরিরত অবস্থায় ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সেই সিন্ডিকেটের এক সদস্য বর্তমানে ঝালকাঠিতে অবস্থান করছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি একেএম আজমুল হুদা জানান, আজিজুর ঝালকাঠি থেকে ইয়াবার চালান এনে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরবরাহ করে আসছিলেন। তাকে দীর্ঘদিন নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে দুমকি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
সেবার মান নিম্ন থানায় সেবার মান বাড়াতে হবে আইজিপির নির্দেশ

থানায় আগত সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সদাচরণ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আজ বুধবার রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী কোয়ার্টারলি কনফারেন্সের শেষ দিনের সমাপনী বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন আইজিপি।
পুলিশপ্রধান বলেন, ‘পুলিশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যাপক সাফল্য রয়েছে। এখন সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। থানার সেবার মান আরও বাড়াতে হবে।
‘থানায় আগত সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। তাদের প্রত্যাশিত সেবা প্রদানে সদিচ্ছা নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, হাইওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আতিকুল ইসলাম, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) শাহাবুদ্দিন খাঁন, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) ব্যারিস্টার হারুন-অর-রশিদ, ডিআইজি (টেলিকম) এ কে এম শহিদুর রহমান কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
দুই দিনব্যাপী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়ার্টারলি কনফারেন্স গত মঙ্গলবার শুরু হয়। সব অতিরিক্ত আইজিপি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপার কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে চলতি বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সারা দেশের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
বরিশালে এক গাভীর তিন বাচ্চা প্রসব

বরিশাল: বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় একটি গাভী স্বাভাবিকভাবেই তিনটি বাছুর জন্ম দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে উপজেলার মাহিলারা বাজারের মোল্লা মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এ এ ঘটনা ঘটে।
গাভিটির মালিকের নাম আব্দুল মন্নান গোমস্তা (৯০)। তিনি পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী।
আব্দুল মন্নান জানান, গত ৪৫ বছর ধরে তিনি গরু কেনা-বেচা পেশার সঙ্গে জড়িত। তবে নিয়মিত গাভী পালন করেন।
বর্তমানে তার গোয়ালে একটি শংকর জাতের গাভী রয়েছে। ওই গাভী এর আগে তিন বছরে তিনটি বাছুর জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে সেই গাভীটি গোয়াল ঘরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে গাভীটি লালন-পালন করায় তিনি বুঝতে পারেন সেটির বাছুর প্রসবের সময় ঘনিয়েছে। তাই সন্ধ্যার পর থেকে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা গোয়াল ঘরে অবস্থান নেন।
মন্নান গোমস্তা বলেন, রাত ১ টার দিকে প্রথম বাছুর প্রসব করে গাভীটি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী বাছুরটি ভূমিষ্ট হয়নি। দ্বিতীয়টিও একই অবস্থায় ভূমিষ্ট হয়। তখন গাভীর অবস্থা গুরুতর হয়। এ সময় মনে হয়েছে গাভীটিকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু তৃতীয় বাছুর স্বাভাবিকভাবে ভূমিষ্ট হওয়ার পর গাভীটি আস্তে আস্তে সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গাভী ও তার তিনটি বাছুর সুস্থ রয়েছে। বাছুরগুলো ও গাভী স্বাভাবিকভাবে খাবার খাচ্ছে। বাছুর তিনটি ষাঁড়।
মন্নান গোমস্তা বলেন, উপজেলার নলচিড়া এলাকার অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি ষাঁড় দিয়ে গাভীর প্রজনন করানো হয়েছে। বাছুর জন্ম দেওয়া পর্যন্ত কোনো পশু চিকিৎসকের শরনাপন্ন হইনি। স্বাভাবিকভাবে খাবার দেওয়া হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি খবর পেয়েছি। দেখতে যাবো। একসঙ্গে তিনটি বাছুর জন্ম দেওয়ার ঘটনা সব সময় ঘটে না। বছরের দু-একটি ঘটনা ঘটে। তবে এটা অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।
নতুন পুরাতন কোন প্রকার সিম বিক্রি করতে পারবেনা গ্রামীণফোন

দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নতুন সিমের সঙ্গে সঙ্গে আর পুরাতন সিমও বিক্রি করতে পারবে না এই মোবাইল অপারেটরটি। রবিবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি গ্রামীণফোন সিম বিক্রি করতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছিল। তা প্রত্যাখান করেছে বিটিআরসি। এর আগে গুণগত মান নিশ্চিত না করায় গ্রামীণফোনের নতুন সিম বিক্রি বন্ধ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে পুরাতন সিম তখন বিক্রি করতে পারতো প্রতিষ্ঠানটি। এখন থেকে গ্রামীণফোনের সব ধরণের সিম বিক্রি বন্ধ করেছে বিটিআরসি।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমরা চেষ্টা করেও গ্রামীণফোনের সেবার মান ভালো করার কোনো উদ্যোগ নিতে দেখিনি। তারা গ্রাহক বাড়াবে, কিন্তু সেবার মান বাড়াবে না- এটা হতে দেওয়া যাবে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আসে গত ২৯ জুন। গ্রামীণফোনকে দেওয়া বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়েছিল, বিটিআরসির পরীক্ষায় গ্রামীণফোনের সেবার মান সন্তোষজনক মনে হয়নি। তাই প্রতিষ্ঠানটির সিম বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
গাড়ির সাথে হেলান দেওয়া যেন অভিশাপ
প্রকাশিত, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২, ০১:৪৮ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

গাড়িতে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকায় ছয় বছরের এক শিশুকে বুকে লাথি মারেন গাড়ি চালক। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে যায় অবুঝ ছেলেটি। অমানবিক এই দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। অভিযুক্ত গাড়িচালকের যথাযথ শাস্তি দাবি করেছেন অনেকে।
জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কেরালায়। এরই মধ্যে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছোট ছেলে ব্যস্ত রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একটি গাড়িতে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ সময় চালক গাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ড পরেই ওই ব্যক্তি শিশুটির বুকে লাখি মারেন। এরপর তিনি তার গাড়ির ভেতর ফিরে যান।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, শিশুটিকে লাথি মারতে দেখে পাশে আরও কয়েকটি গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজনও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম শিহশাদ। সে থালাসেরির পোন্ন্যমপালাম এলাকার বাসিন্দা। আর শিশুটি রাজস্থানের একটি পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারের সন্তান।
গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) ঘটনার পর স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি পুলিশকে জানান প্রত্যক্ষদর্শী এক তরুণ আইনজীবী। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পোন্ন্যমপালাম থানার পুলিশ। থানায় নিয়ে যাওয়া হয় অভিযুক্ত শিহশাদকে। কিন্তু তাকে কিছুক্ষণ পরেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। কেরালা পুলিশের এই ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে সরব হন তারা। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমগুলোতে সম্প্রচারের পর নড়েচেড়ে বসে পুলিশ। এরপর শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত শিহশাদকে পুলিশ ফের হেফাজতে নিয়েছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের হয়েছে।
বরিশাল গৌরনদী থানায় ইসরাককের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২, ০১:০৮ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনসহ দলের শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৫ নভেম্বর) রাতে গৌরনদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন সন্ধ্যায় মামলাটি করা হয়। তবে মামলার বাদী হয়েছেন রাসেল রাঢ়ী। তিনি গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাহিলারা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি শহীদ সরদার বলেন, শনিবার সকাল ৬টার দিকে আমরা ১০ থেকে ১২ জন মাহিলারা বাজারের সামনে রাস্তায় অবস্থান করছিলাম। এ সময় ৭০ থেকে ৭৫টি গাড়ির বহর এসে বাজারের সামনে মহাসড়কে থামে। তখন গাড়ি থেকে ক্যাডাররা নেমে বাজারে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করে। এ সময় বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা সাতটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করেছে। তারা মাহিলারা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিলাস কবিরাজকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ ঘটনায় মামলাটি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, শনিবার সন্ধ্যায় পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি করা হয়েছে। মামলায় ইশরাক হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির নেতা বদিউজ্জামান মিন্টু, সজল সরকার ও জাফরসহ নামধারী ৭০ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
যশোরে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মদ পান করায় এক কিশোরের মৃত্য
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১লা নভেম্বর ২০২২,০৪:০৭ পি এম। অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মদ পান করায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত কিশোরের নাম ইন্দ্রজিৎ বাইন (১৭)। এ ঘটনায় তার আরেক বন্ধু কৃষ্ণ রায় (১৭) যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গতকাল সোমবার (৩১ অক্টোবর) উপজেলার কালীচরণপুর গ্রামে নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সুফলাকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কালীচরণপুর গ্রামের রণজিত বাইনের ছেলে ইন্দ্রজিতের গত রোববার জন্মদিন ছিল। দুই বন্ধু রোববার সারা রাত নিজ ঘরে বসে অ্যালকোহল পান করে।
এরপর সোমবার সন্ধ্যায়ও তারা ঘুম থেকে না উঠায় বাড়ির লোকজন ঘর থেকে ইন্দ্রজিতের মরদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর অবস্থায় কৃষ্ণকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এছাড়া কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, জন্মদিনের উৎসব পালন করতে গিয়ে ইন্দ্রজিৎ বাইন অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানে করে। এতে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তরুণীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ, পুলিশ কর্মকর্তার জেল।

প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২। ০১:১৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বরিশালে ধর্ষণ মামলায় এস আই আবুল বাশার নামের পুলিশ কর্মকর্তার জেল হয়।
সূত্রে, জানা যায় বরিশাল জেলা, বাকেরগঞ্জ থানাদিন বিহারীপুর গ্রাম, খান বাড়ি মোঃ আবুল বাশার খান, পিতাঃ মোঃ আব্দুল জলিল খান।
এস আই আবুল বাশার খান এর নিজ গ্রাম থেকে অনেক কেলেঙ্কারের তথ্য পাওয়া যায়।
বরিশালে মামলার বিষয়ে আলাপের নামে হোটেলে নিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার স্টীমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবুল বাশারের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আবুল বাশার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিহারীপুর এলাকার বাসিন্দা এবং মামলা দায়েরকারি ও ভুক্তভোগী বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুরের ইছাকাঠি এলাকার বাসিন্দা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আজিমুল করিম বলেন, উপ পরিদর্শক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন এক নারী। এই ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ৫ অক্টোবর উপ পরিদর্শক আবুল বাশারের সঙ্গে একটি অভিযোগের বিষয়ে আলাপকালে পরিচয় হয় বাদীর। তখন মোবাইল নম্বর আদান প্রদান হয় দুজনের মধ্যে। ১৩ অক্টোবর অন্য একটি মামলার বিষয়ে কথা বলতে আবুল বাশারকে ফোন করেন বাদী। তখন বাদীর অবস্থান জানতে চায় আবুল বাশার। বাদী তার অবস্থান জানালে সেখানে উপ পরিদর্শক আবুল বাশার আসে। আবুল বাশার তখন তার অফিসিয়ালি রুমে বসে কথা বলার জন্য বলেন। এরপর ভুক্তভোগী বাদীকে অফিসিয়াল রুমের কথা বলে বিকাল ৪টার দিকে নগরীর প্যারারা রোডের একটি হোটেলে নিয়ে যায়। ওই হোটেলের ২০৪ নম্বর কক্ষে কথা বলার একপর্যায়ে উপ পরিদর্শক আবুল বাশার ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরে বিকাল ৫টার দিকে হোটেল থেকে বের হয়ে যায় ওই নারী ভুক্তভোগী।
এদিকে স্টিমার ঘাট পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় চাঁদাবাজীর অভিযোগ ছিলে এলাকাবাসীর। পাশাপাশি সে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত অবস্থায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্তও হয়েছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বিএনপিতে যোগ দেবেন। রিজভী
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩৭ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা শুনে মনে হচ্ছে কিছুদিনের মধ্যে তিনি বিএনপিতে যোগ দেবেন। তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেটাই বোঝা যাচ্ছে। এছারাও গোটা দেশকে ক্রিমিনাল স্টেটে পরিণত করেছে শেখ হাসিনা। তিনি যে সরকার পরিচালনা করছেন সেটা হচ্ছে অপরাধীদের সরকার। আজ শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিএনপির গণসমাবেশে বাধা দিচ্ছে। তারপরও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে গতকাল থেকেই রংপুর জনসমাবেশে জনতার ঢল নামে। মানুষের যেন স্বতঃস্ফূর্ত উৎসবে পরিণত হয়েছে রংপুর মহানগর। বিভিন্ন জেলা উপজেলা ইউনিয়ন ওয়ার্ড থেকে মানুষ রংপুরে এসে মিলিত হয়েছে। মানুষ শুকনা খাবার রুটি চিড়া নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছে। এ যেন এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।
বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মন্ত্রিসভার কিছু সিনিয়র সদস্য বিএনপির গণসমাবেশে জনতার এ স্রোত দেখে বিচলিত বোধ করছেন। এতে মনে হচ্ছে তারা আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র বিরোধী কথাই বলছে না বিভিন্নভাবে হুমকিও দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা শুনে মনে হচ্ছে কিছুদিনের মধ্যে তিনি বিএনপিতে যোগ দেবেন।
তিনি বলেন, দুদিন আগে নারায়ণগঞ্জে ভাষণ দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। সরকারের গুম-খুনের বিরুদ্ধে আমরা যে বিবৃতি দিই তা শুধু আমাদের নয়, বিরোধী দল ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াও তাদের সমালোচনা করেছে। সেই সমালোচনাগুলোই পক্ষান্তরেই ওবায়দুল কাদের বলেছেন। তাতে আমার মনে হয়েছে কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বিএনপিতে যোগ দেবেন। শতকরা ৯০ ভাগ বলছে আর দশভাগ বিভিন্নভাবে ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলছে; যেভাবে বলুক না কেনো মনে হয়েছে তিনি বিরোধী দলের কথাগুলোই বলছেন।
বিএনপিকে হেফাজতের মত দমন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ শে অক্টোবর ২০২২,০৬:২৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই বিএনপি স্বাধীনভাবে মিছিল, মিটিং করতে পারছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিলে আওয়ামী লীগ বাধা দেবে না। তবে আন্দোলনের নামে সহিংসতা কিংবা হেফাজত ইসলামের মতো তাণ্ডব করলে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতকে যেভাবে দমন করা হয়েছে, বিএনপিকে সেভাবে দমন করা হবে।
শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের রুদ্ধদ্বার সভায় বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা এমন বার্তা দেন। তাকে উদ্ধৃত করে বৈঠকে উপস্থিত থাকা একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আজকে স্বাধীনভাবে মিটিং করতে পারছে, মিছিলও করতে পারছে, সবই করতে পারছে। কিন্তু যে সমস্ত আসামি, যারা অগ্নি সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত। যারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে। রেল, বাস, গাড়ি, সিএনজি, লঞ্চে আগুন দিয়েছিল। কোনো জায়গা বাদ ছিল না। প্রত্যেক জায়গায় আগুন দিয়ে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। যারা এই খুনের সঙ্গে জড়িত, অগ্নি সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। আমি জানি তারা অনেকেই লুকিয়ে ছিল। এখন বিএনপি মাঠে নেমেছে, তারা মাঠে নামবে। কিন্তু এই সমস্ত আসামিদের ধরতে হবে এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।’
উপস্থিত নেতারা বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনা পাস করাবেন এই ধারণা নিয়ে বসে থাকলে হবে না। এবারের নির্বাচনে সবাইকে নিজের যোগ্যতায় জিতে আসতে হবে। দলীয় এমপিদের এলাকায় কার কী অবস্থা, তা জানতে জরিপ চলছে জানিয়ে দলীয় সভাপতি বলেন, এমপিরা কর্মগুণে মনোনয়ন পাবেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে আসা এমপিরা নির্বাচন কী তা বোঝেন না, তাদের বুঝতে হবে।
দেশে আওয়ামী লীগই একমাত্র দল যারা গঠনতন্ত্র মেনে চলে উল্লেখ করে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেকগুলো জেলা হয়ে গেছে। কয়েকটি জেলাতো পূর্ণাঙ্গ কমিটিও দিয়েছে। যেসব জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়ে গেছে, সেখানে আমি জনসভা করব। পাশাপাশি আমি নেতা কর্মীদের সঙ্গেও বৈঠক করব। সেটাও আমি প্ল্যান নিয়েছি। নভেম্বরের মাঝামাঝি বা ডিসেম্বর থেকে তা শুরু করব।’
আগামী ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সম্মেলন সাদামাটাভাবে করা হবে উল্লেখ করে সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটিসহ উপকমিটি করার জন্য নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখি যেহেতু অর্থনৈতিক মন্দা যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। আমাদের দেশেও সেই অবস্থা। এবারের সম্মেলন আমরা শানশওকত করে করব না। খুব সীমিত আকারে অল্প খরচে সাদাসিধেভাবে আমাদের সম্মেলনটা করতে হবে।’ সম্মেলনের খরচ খুব সীমিত হয় এবং মানুষের কষ্ট না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।
ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সাতক্ষীরার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২, ১১:৩৭ পিএম। অনলাইন সংস্কার

ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সাতক্ষীরার উপকূলবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্বল বাঁধ তাদের এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গোপসাগরে বৃহস্পতিবারের মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির বার্তা দিচ্ছে আবহাওয়া অফিস।
এ লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ারও আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে পূর্ববর্তী দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাতক্ষীরার উপকূলবাসী।
ষাটের দশকে নির্মাণ করা এখানকার বেড়িবাঁধগুলো আর পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে এসব বাঁধ এখন আর সামাল দিতে পারছে না ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কা। জিও ব্যাগের বালুর বস্তা আর রিং বাঁধ দিয়ে কোনোরকম টিকিয়ে রাখা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ। এছাড়া বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টারও।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের শেষ জনপদ সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা। সুন্দরবনের কূল ঘেঁষা এই দ্বীপ ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে খোলপেটুয়া নদীর তীরে বেড়িবাঁধে বসবাস করেন নুরজাহান বেগম। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর নদীতে আমাদের ভিটামাটি বিলীন হয়ে যায়। স্থায়ী মেরামত না হওয়ায় এখনো সেখানে জোয়ার ভাটা চলছে। তখন থেকে আমরা বেড়িবাঁধের পাশে একটি ঘর তৈরি করে বসবাস করছি।’
নুরজাহান বেগম আরও বলেন, ‘এখানেও শান্তিতে নেই। গেল কয়েক বছরে ফণী, বুলবুল, আম্পানসহ একের পর এক ঘূর্ণিঝড়ে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশ্রয়স্থলটি। শুনলাম আবার নতুন ঝড় আসবে এতে আবারও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কায় আছি।’
সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আইলা। সে সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর ২০১৩ সালের ১৬ মে মহাসেন, ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই কোমেন, ২০১৬ সালের ২১ মে রোয়ানু, ২০১৭ সালের ৩০ মে মোরা, ২০১৯ সালের ৩ মে ফণী, ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর বুলবুল আঘাত হানে। সর্বশেষ ২০২০ সালের ২০ মে বিকেলে সুন্দরবনের পাশ দিয়ে সাতক্ষীরা উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। এ সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন। যার ক্ষত শুকায়নি এখনো।
সেলিনার মতোই আতঙ্কে দিন পার করছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধের পাশে বসবাসরত হাজারো পরিবার। দুর্যোগ এলেই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন এখানকার মানুষ। নদীতে জোয়ারের পানি বাড়লেই বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় লোকালয়। লবণ পানি ঢুকে বিপর্যস্ত হয় জীবনযাত্রা। নষ্ট হয়ে যায় খাবার পানির উৎস। এছাড়া উপকূলে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টারও।
গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল গাজীর জমি নেই। নদীর পাশে সরকারি খাস জমিতে বসবাস তার। তিনি বলেন, ‘ঝড় এলেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই আমরা। ঘরবাড়ি ফেলে রেখে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে হয়। আমাদের বাড়ি থেকে সাইক্লোন শেল্টারের দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। তারপরও জীবন বাঁচাতে সবকিছু ফেলে রেখে কষ্ট করে আমরা সেখানে যায়।’
একই গ্রামের বাসিন্দা কৌতুরী বেগম বলেন, ‘ঝড় এলেই সবাই সাইক্লোন শেল্টারে যেতে বলে। কিন্তু বাড়িতে হাস, মুরগি, গরু, ছাগল ফেলে রেখে যেতে পারি না। অনেক সময় জীবন বাজি রেখে বাধ্য হয়ে বাড়িতে পড়ে থাকতে হয় ‘
গাবুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মনজুর গাজী বলেন, ‘ষাটের দশকে উপকূলীয় এলাকায় নির্মিত বেড়িবাঁধ ২০০৯ সালে আইলা ও সবশেষ ২০২০ সালে আম্পানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এখনো আমাদের ইউনিয়নে বেড়িবাঁধের ৮টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। জোয়ারের পানি বাড়লেই বাঁধ ভেঙে আবারও প্লাবিত হবে বিস্তীর্ণ এলাকা। এর আগে বারবার বাঁধ ভাঙলেও টিকে থাকার স্বার্থে মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে রিং-বাঁধ দিয়ে পানি বন্ধ করে। তবে এখনো স্থায়ী বাঁধ হয়নি। এখন ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’-এর খবরে নতুন করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এখানকার মানুষ।’
এ বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বলেন, গাবুরা ইউনিয়নে বাসিন্দা প্রায় ৪৫ হাজার অথচ এখানে সাইক্লোন শেল্টার আছে মাত্র ১৫টি। এত মানুষকে এ কয়েকটি সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন পাকা ভবনে অল্প কিছু মানুষকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব। এত মানুষকে এ কয়েকটি সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়।
মাসুদুল আলম আরও বলেন, ঝড়ের চেয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় ভয় বেড়িবাঁধ নিয়ে। আগে থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ কোনো রকমে টিকে আছে। নদীর পানি বাড়লেই বিভিন্ন অংশে ভাঙন তৈরি হতে পারে। সরকার নতুন করে এখানে টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিলেও কাজ শুরু হয়নি।
আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধগুলো সংস্কার করা হয়েছে। বাকি জায়গাগুলো পর্যায়ক্রমে সংস্কার হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুটি বিভাগের আওতায় সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ আছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ৩৫টি পয়েন্ট, যার আয়তন প্রায় ২০০ কিলোমিটার।
সত্য একদিন প্রকাশ হবেই
সংবাদ: নাটোরে কলেজশিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪০) মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার তার স্বামী মামুন হোসাইন (২২) জামিন পেয়েছেন।
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২, ২:১৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

গত ৮ সেপ্টেম্বর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। মামুনের জামিন পাওয়ার তথ্য শনিবার
(১৫ অক্টোবর) জানা গেছে। তবে খায়রুন নাহারের মৃত্যুর রহস্য এখনও জানা যায়নি। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম
সারোয়ার স্বপন সময়ের আলোকে বলেন, গত ১৪ আগস্ট সকালে নাটোর শহরের বলারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক খায়রুন নাহারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর খায়রুনের চাচাতো ভাই সাবের উদ্দীন একটি অপমৃত্যু মামলা করেন। এই মামলায় মামুনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। ১৫ আগস্ট জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর করেন বিচারক।
এরপর ৮ সেপ্টেম্বর জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে অস্থায়ী জামিনের আদেশ দেন সদর আমলি আদালতের বিচারক নাটোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলজার রহমান।
২৩ সেপ্টেম্বর শুনানির দিনে জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মামলা শুনানির জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে। এই আইনজীবী বলেন, ‘মামুন আমাকে জানিয়েছেন, তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ হলে কলেজের সহকর্মী, স্টাফ ও পরিচিত-পরিজনদের কটাক্ষের শিকার হতে থাকেন খায়রুন। এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা পরিষদ তাকে বহিষ্কার করতে পারে—এমন খবর শোনার পর আরও চিন্তিত হয়ে পড়েন। মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেতেন খায়রুন। এছাড়া এক বন্ধুকে ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন তিনি। এসব কারণে মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ওই রাতে (১৩ আগস্ট) বেশি ঘুমের ওষুধ খান। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা মামুনের।’
মামুনকে বিয়ে করায় খায়রুনকে কটাক্ষ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাঈদ। তিনি বলেছেন, ‘ওই সময়ে কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বিয়ের বিষয়টি খায়রুনের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণের আলোচনা বা সিদ্ধান্ত কখনোই হয়নি। এছাড়া বিয়ের বিষয় নিয়ে কলেজের কোনও শিক্ষক বা অন্য কেউ তাকে কটাক্ষ করেছে এমন খবরও আমার জানা নেই।’
মামলার বাদী সাবের উদ্দীন বলেন, ‘খায়রুন তার কোনও বন্ধুকে টাকা দিয়েছিলেন, সেই বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে সোনালী ব্যাংকের গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড় শাখার ম্যানেজার আমাকে বলেছিলেন, মৃত্যুর প্রায় তিন মাস আগে ওই ব্যাংক থেকে ১৮ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন খায়রুন। ওই সময় মামুন তার সঙ্গে ছিলেন। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক থেকে তিন লাখ ছাড়াও একটি এনজিও থেকে তিন লাখ টাকা তুলে মামুনকে দিয়েছিলেন। ওই টাকা দিয়ে তার বাড়িতে টিনশেড দুটি রুম করেন মামুন এবং আসবাবপত্র, ফ্রিজসহ কিছু জিনিসপত্র কেনেন। মৃত্যুর ১৮ দিন আগে তাকে মোটরসাইকেল কিনে দেন খায়রুন। এছাড়া ধান কিনে ব্যবসা করবেন বলে খায়রুনের কাছ থেকে ১১ লাখ টাকা নিয়েছিলেন মামুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর রাতে ছেলে বৃন্তকে খায়রুন বলেছিলেন, তিনি আটটি ঘুমের ওষুধ খেয়েছেন। একটি খেলেই মানুষ বিভোরে ঘুমায়। তাহলে আটটি খাওয়ার পর একজন মানুষ কীভাবে গলায় ফাঁস নিতে পারেন?’ সাবের উদ্দীন বলেন, ‘মামুন ওই রাতে (১৩ আগস্ট) কখন বাইরে গিয়ে কখন ফিরেছেন, তা এখন প্রমাণিত। খায়রুনকে সে-ই হত্যা করেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে তাকে আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’এদিকে জামিন ও ঋণ নেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ‘পরে কথা বলবো’ বলে কল কেটে দেন মামুন। এরপর কয়েকবার কল করা হলেও রিসিভ করেননি। অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানান, লাশের ভিসেরা প্রতিবেদন পাওয়ার পর সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই পর্যন্ত অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। নাটোর সদর হাসপাতালের পরিচালক পরিতোষ কুমার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ওই লাশের বিষয়ে আমাদের যে কাজ ছিল তা আমরা করেছি। ঢাকা থেকে ভিসেরা রিপোর্ট এলে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হবে।’ প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর কলেজছাত্র মামুন ও শিক্ষিকা খায়রুনের বিয়ে হয়। বিয়ের বিষয়টি ৩১ জুলাই জানাজানি হলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর ১৪ দিন পর ১৪ আগস্ট সকালে নাটোর শহরের বলারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে খায়রুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামুনকে আটক করা হয়। পরে খায়রুনের চাচাতো ভাইয়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
শেখ রাসেল; দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২, ১২:৪৯ এএম আপডেট: ১৮.১০.২০২২ ১:০১ এএম | অনলাইন সংস্করণ

দীপ্ত জয়োল্লাস আর অদম্য আত্মবিশ্বাসে গৌরবান্বিত শেখ রাসেল। তোমার ৫৯তম জন্মদিনে এই বাংলাদেশ তোমাকে স্মরণ করছে। মায়াবী দুঃখের মুখ নিয়ে তোমার স্মৃতিঘেরা আঙিনাগুলো জেগে উঠছে। শ্বেত কপোতের ডানা ঝাপটানো তোমার সকাল, পুকুরে রুপালি মাছের সঙ্গে সাঁতরানো দুপুর, বিকালে পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে গণভবনের লেক মাড়ানোর গল্প অথবা সন্ধ্যা-রাতের ৩২ নম্বরের বাড়িটির হইচই আর শাসন-বারণের নানা আদর তোমাকে জড়িয়ে রেখেছে যত্নে। তুমি নেই তাই ৩২ নম্বরের বাড়িটির অবকাঠামো তেমনি থাকলেও পাল্টেছে অনেক কিছুই। বঙ্গমাতা শেখ মুজিবের কোলে শুয়ে তোমার ঘুম, বড় বোন হাসু আপার মমতা-মাখানো চেয়ে থাকা দৃষ্টি, আর ভাবিদের সঙ্গে দুষ্টুমি করে তোমার দিন কখন গড়িয়ে গেল রাসেল। তোমার জন্মের পরও বঙ্গবন্ধুকে জেলে যেতে হয় বারবার। তখন তুমি ছোট ছিলে বলে সবার চোখের মণি হয়ে ওঠো। তুমি একটু ব্যথা পেলে সবার মন কেঁদে উঠত। সুন্দর তুলতুলে একটা শিশু কার না প্রিয় হয়। তুমি ছিলে এ দেশের সবার আপনজন।
২.
ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের যে বাড়িটিতে ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর তোমার জন্ম সেখানে এখন সুনসান নীরবতা। শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘আমাদের পাঁচ ভাইবোনের সবার ছোট রাসেল। অনেক বছর পর একটা ছোট্ট বাচ্চা আমাদের বাসায় ঘর আলো করে এসেছে, আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। আব্বা বার্ট্রান্ড রাসেলের খুব ভক্ত ছিলেন, রাসেলের বই পড়ে মাকে বাংলায় ব্যাখ্যা করে শোনাতেন। মা রাসেলের ফিলোসফি শুনে শুনে এত ভক্ত হয়ে যান যে নিজের ছোট সন্তানের নাম রাসেল রাখেন।’ বাসার সামনের ছোট্ট সবুজ লনে ভাইবোনরা তোমার সঙ্গে খেলায় মেতে উঠত। তোমার হামাগুড়ি দেওয়া, হাঁটার চেষ্টা সবই স্পষ্ট ছবি হয়ে আছে এখনও। শেখ হাসিনাকে ‘হাসুপা’ বলে ডাকতে তুমি। কামাল ও জামালকে ভাই, আর রেহানাকে আপু। কামাল ও জামালের নাম কখনো বলতে না। অনেক চেষ্টা করার পর ডেকেছিলে-‘কামমাল’, ‘জামমাল’। তবে সব সময় ‘ভাই’ বলেই ডাকতে তাদের। শিশুকাল থেকে চলাফেরার তোমার ছিল সাহসী আর সাবধানি আচরণ। তোমার অতিপ্রিয় দুটি সাইকেল এখনও রয়েছে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটিতে। যে সাইকেল নিয়ে নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটত তোমার।
৩.
রাসেল ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা হাসুপার অতি কাছের। অবসর সময় কাটত তাকে নিয়ে। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হলে রাসেলের মুখের হাসি মুছে যায়। সারা বাড়ি ঘুরে ঘুরে রাসেল তার আব্বাকে খুঁজত। আর তখন তার মা বেগম মুজিবও ব্যস্ত স্বামীর মামলা-মোকদ্দমা সামলাতে, পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। ফলে রাসেলের যত্ন না পাওয়ারই কথা। কিন্তু শেখ হাসিনা তার কাছে থেকেছেন। ৩২ নম্বর বাড়ির আঙিনা জুড়ে কবুতর ঘুরে বেড়াত। আর রোজ সকালে রাসেলকে কোলে নিয়ে বেগম মুজিব তাদের খাবার দিতেন। রাসেল বড় হতে থাকলে খেলার সঙ্গী হিসেবে কবুতরের পেছনে ছোটা আর নিজে হাতে করে খাবার দেওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়। কিন্তু ওকে কখনো কবুতরের মাংস খাওয়াতে পারেননি কেউ। যেন পোষা পাখির প্রতি বাল্যকাল থেকে তার অন্তরে মমতা জেগে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু জেলে থাকার সময়গুলো পিতার অভাব ভুলিয়ে রাখার জন্য পরিবারের সবার চেষ্টা থাকত নিরন্তর। বাসায় পিতার জন্য কান্নাকাটি করলে বেগম মুজিব তাকে বোঝাতেন এবং তাকে আব্বা বলে ডাকতে শেখাতেন। শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘মাকেই আব্বা বলে ডাকতে শুরু করে। ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা মামলায় আসামি করে অজ্ঞাত স্থানে আটক রাখা হলে পরিবারে নেমে আসে দুশ্চিন্তার কালো ছায়া। সে সময় রাসেলের শরীর খারাপ হয়ে যায়। যেন শিশুমন টের পায় পিতার সঙ্কট কতটা গভীর। ১৯৬৮-৬৯ সালের দিকে সবাই যখন আন্দোলনে ব্যস্ত তখন সে বাড়ির কাজের লোকদের সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠে। এমনিভাবে সে কাজের লোকদের সঙ্গে ভাত খেতে পছন্দ করতে শিখেছিল। চার বছর বয়সেই সে বাড়ির পোষা কুকুর টমির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে নিয়েছিল। টমিকে সে খুবই ভালোবাসত। হাতে করে খাবার দিত। নিজের পছন্দমতো খাবারগুলো টমিকে ভাগ দেওয়া ছিল একটি কাজ। ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারিতে প্রায় তিন বছর পর বঙ্গবন্ধু মুক্ত হলে রাসেল খেলার ফাঁকে ফাঁকে কিছুক্ষণ পরপরই পিতাকে দেখে আসত। পিতা বাড়ির নিচে অফিস করতেন। সারাদিন নিচে খেলা করত সে আর কিছুক্ষণ পরপর বঙ্গবন্ধুকে দেখতে যেত।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ভয়াল রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হলে পরদিন হামলার মুখে পড়ে মায়ের সঙ্গে রাসেলকেও দেওয়াল টপকে পালাতে হয়। তারপর দীর্ঘ নয় মাস ধানমন্ডির ১৮ নম্বর বাড়িতে বন্দি থাকতে হয়েছে পাকিস্তানি বাহিনীর পাহারায়। তখন রাসেলের দিনগুলো কেটেছে নিরানন্দে। প্রথমদিকে রাসেল বঙ্গবন্ধুর জন্য খুব কান্নাকাটি করত। তার ওপর ভাই কামাল মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ায় তাকে পায়নি, সেটাও তার জন্য কষ্টকর ছিল। মনের কষ্টে চোখের কোণে সব সময় পানি থাকত তার। তবে ছোটবেলা থেকে মনের কষ্ট নিজেই বহন করতে শিখেছিল রাসেল। ১৯৭১ সালে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম হলে বন্দিখানায় তোমার আনন্দ সঙ্গী জুটেছিল। সারাক্ষণ তার পাশেই থাকত সে। একাত্তরে ঢাকায় বিমান হামলার সময় রাসেল তুলা নিয়ে এসে জয়ের কানে গুঁজে দিত। স্নেহ-মমতায় অন্তরপূর্ণ সার্থক মানুষ হয়ে উঠছিল সে।
৪.
শেখ রাসেল, একাত্তরে তুমি ছিলে তোমার প্রিয় সব খাবার থেকে বঞ্চিত, খেলার সঙ্গী ছাড়াই তোমাকে বন্দিশালার জানালা দিয়ে পাকসেনাদের অস্ত্রশস্ত্র পরিষ্কার করা দেখতে দেখতে নয় মাস কাটাতে হয়েছে। যুদ্ধের নিষ্ঠুরতা দেখার সুযোগ না হলেও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ায় তোমার ভেতর মানুষের জন্য ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল গভীর মমত্ববোধ। ১৭ ডিসেম্বর (১৯৭১) তুমি হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পেরেছিলে মুক্তির আনন্দ। যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা করে শত্রু তাড়ানোর সেই উল্লাস পরিবারের সদস্যদের চোখের পানিতে ধুয়ে গেছে। তাদের দুঃখ দেখলে তোমার মন খারাপ হয়ে যেত। অবশ্য যুদ্ধ শেষে কামাল ও জামালকে পুনরায় কাছে পেয়ে পৃথিবী ঝলমল করে উঠলেও তখনও পিতাকে তুমি খুঁজে ফিরছিলে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে এলেন। এয়ারপোর্টে গিয়েছিলে পিতাকে আনতে। সেদিন লাখো মানুষের ঢলে পিতাকে নিয়ে তোমার খুব গর্ব হয়েছিল রাসেল? সবচেয়ে আনন্দের সেই দিনটি কেবল তোমার নয়, সারা বাঙালি জাতির ছিল। এ জন্য তুমি যেমন পিতাকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে চাইতে না, তেমনি আমাদের জনগণও। তুমি যেন হয়ে উঠলে জনগণের প্রতীক। বঙ্গবন্ধুকে এ দেশের মানুষ ভালোবেসেছিল নিঃস্বার্থভাবে; যেমন তুমি পিতাকে। তোমার ভালোবাসার সারণিতে এখনও আমরা দাঁড়িয়ে আছি রাসেল। স্বাধীনতার পর ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে পুনরায় তোমার হাসি মুখে ঘুরে বেড়ানো শুরু হয়। সাইকেলে চড়ে তুমি ব্যস্ত হয়ে ওঠো সারা দিন। তারপর পুরনো গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ছোট ছেলের সার্বক্ষণিক আনাগোনা। বিকালে সাইকেলটাও সঙ্গে থাকত। তোমার খুব শখ ছিল মাছ ধরার। তা ছিল খেলা। কারণ মাছ ধরে আবার ছেড়ে দিতে তুমি। নাটোরের উত্তরা গণভবনেও তোমাকে সে রকমই দেখা গেছে। ঢাকা বিশ্বিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র ছিলে। কিন্তু বাসায় তোমাকে পড়াতে গিয়ে শিক্ষককে তোমার কথাই শুনতে হতো বেশি। তোমার কথায় পড়াতে আসা শিক্ষয়িত্রীকে প্রতিদিন দুটো করে মিষ্টি খেতে হতো। মানুষকে আপ্যায়ন করতে খুবই পছন্দ করতে তুমি। টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামের বাড়িতে গেলে তোমার খেলাধুলার অনেক সঙ্গী জুটে যেত। প্রত্যেকের জন্য খাবার কিনে দিতে। বেগম মুজিব তাদের জন্য জামাকাপড় নিয়ে যেতেন। গ্রামের শিশুদের সঙ্গে তোমার সেই মৈত্রীর বন্ধন অনেকেই এখনও স্মরণ করেন। তুমি হতে চেয়েছিলে আর্মি অফিসার। কামাল-জামালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে তার অনুপ্রেরণা জন্মেছিল।
৫.
পিতার সঙ্গে রাসেলের সম্পর্ক ছিল চিরন্তন পিতৃ হৃদয়ের মমতা মাখানো। পিতাকে মোটেই ছাড়তে চাইত না সে। যেখানে-যেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব প্রধানমন্ত্রী তাকে নিয়ে যেতেন। বেগম মুজিব তার জন্য প্রিন্স স্যুট বানিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ পিতা প্রিন্স স্যুট যেদিন পরতেন রাসেলও পরত। পোশাকের ব্যাপারে ছোটবেলা থেকেই তার নিজের পছন্দ ছিল। ছেলেবেলা থেকেই তার চরিত্রে দৃঢ়তা গড়ে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধুর জাপান সফরের সময় রাসেলও সেখানে যেতে পেরে আনন্দে মেতে উঠেছিল। তবে মাকে ছেড়ে কোথাও তার থাকতে খুব কষ্ট হতো। বাইরে পিতার সান্নিধ্যে থেকেও মায়ের কথা মনে পড়লেই মন খারাপ করত সে। কারণ বঙ্গবন্ধুর অধিকাংশ সময় জেলে কেটেছে। এ জন্য মাকে কেন্দ্র করে তার প্রাত্যহিক জীবন গড়ে উঠেছিল। ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে কামাল ও জামালের বিয়ের অনুষ্ঠানে রাসেল ওর সমবয়সিদের সঙ্গে মিলে রং খেলেছিল। বিয়ের পর সবসময় ভাবিদের পাশে ঘুরঘুর করত সে, কার কী লাগবে খুব খেয়াল রাখত। ১৯৭৫-এর ৩০ জুলাই শেখ হাসিনা জার্মানিতে স্বামীর কর্মস্থলে যাওয়ার পর রাসেলের খুব মন খারাপ হয়ে যায়।
৬.
শেখ হাসিনা জার্মানি যাওয়ার সময় রাসেলকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার হঠাৎ জন্ডিস হওয়ায় শরীর খারাপ হয়ে পড়ে। সে কারণে বেগম মুজিব তাকে আর শেখ হাসিনার সঙ্গে যেতে দেননি। রাসেলকে যদি সেদিন তিনি সঙ্গে নিয়ে যেতে পারতেন তা হলে তাকে আর হারাতে হতো না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে ক্ষতবিক্ষত করা হয় ছোট্ট রাসেলকে। মা, বাবা, দুই ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, চাচার লাশের পাশ দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে সবার শেষে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয় শেখ রাসেলকে। তার আগে সে বারবার বলেছিল, ‘মায়ের কাছে যাব’। তৃষ্ণার্ত হয়ে পানি খেতেও চেয়েছিল। মায়ের কাছে নেওয়ার নাম করেই হত্যা করা হয় শিশু রাসেলকে। মাত্র ১০ বছর ৯ মাস ২৭ দিনের স্বল্পায়ু জীবন ছিল তার। আজ জন্মদিনে তাকে আমরা স্মরণ করছিস- একটি রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুর অন্তরবেদনা, তার মানুষের সঙ্গে সহমর্মিতার সম্পর্ক বোঝার জন্য। প্রাণোচ্ছল শিশু শেখ রাসেল মানুষকে ভালোবাসতে শিখেছিল, বঙ্গবন্ধুর আনন্দের সঙ্গী ছিল আর বাঙালির চিরন্তন পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধনে তার অনাবিল উচ্ছ্বাস ছিল অফুরন্ত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ রাসেল পিতামাতা ও অন্যদের সঙ্গে যে নিষ্ঠুরতার নির্মম শিকার হয়েছিল তা এখনও বিশ^মানবতাকে বিচলিত করে। আমরা সেই পৈশাচিকতা থেকে আলোর পথে বের হয়ে আসতে চাই। তাই স্মরণ করি শেখ রাসেলকে।
অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্বিদ্যালয়
কিয়েভসহ ইউক্রেনের তিন অঞ্চলে হামলা, নিহত ৮
শত শত স্থাপনা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২, ১২:৩৩ এএম | অনলাইন সংস্করণ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির তিনটি অঞ্চলে গতকাল সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কয়েকটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ছাড়া শত শত স্থাপনা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রুশ বাহিনী কিয়েভে ইরানি ‘কামিকাজ’ ড্রোন দিয়ে হামলা চালাচ্ছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। কিয়েভে থাকা মার্কিন দূতাবাস এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে তারা ইউক্রেনের জনগণের পাশে আছে বলে টুইট করেছে। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেবে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো টেলিগ্রামে বলেন, ‘শেভচেনকিভস্কি এলাকায় সোমবার সকালে দফায় দফায় ড্রোন হামলা হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরেকজন ধ্বংসস্তূপের নিচেই আটকে পড়ে আছেন।
তিনজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো এলাকাটি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল। এসব বিস্ফোরণে কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া একটি অনাবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়।’
এদিকে ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শেমহাল জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের তিনটি অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এতে শত শত শহর ও গ্রাম বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রাশিয়া ইরানের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে ইউক্রেন। রাশিয়াকে এসব ড্রোন সরবরাহের কথা অস্বীকার করেছে ইরান। তবে এ ব্যাপারে ক্রেমলিন কোনো মন্তব্য করেনি।
ইউক্রেনের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেবে ইইউ : ইউক্রেনের অন্তত ১৫ হাজার সেনাসদস্যকে প্রশিক্ষণ দিতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আগামী মাস থেকেই এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
লুক্সেমবার্গে স্থানীয় সময় সোমবার ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনকে আরও পাঁচ কোটি ইউরোর সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে এ বৈঠক থেকে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান ইস্যুতে আলোচনা করতে পারেন। সেখানে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। ইরানে চলমান বিক্ষোভে কর্তৃপক্ষের সহিংস পদক্ষের প্রেক্ষাপটে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নতুন করে আলোচনা করা হবে।
উপনির্বাচনের ছয়টি আসনে ইমরান খান পাস

প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ ই অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
পাকিস্তানে উপ নির্বাচনের ভোট এক সাথে ৮ আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় লাভ করেন ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। বিপরীতে দু’টি আসনে জয় লাভ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ খবর হিন্দুস্তান টাইমস।পিটিআই পাকিস্তান এনএ-তে সাতটি এবং পিএ-তে তিনটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
রবিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়। ভোটগ্রহণ সামগ্রিকভাবে মসৃণ হলেও পরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় পিটিআই এবং আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি (এএনপি) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানায় সংবাদ মাধ্যম ডন। পিটিআই’য়ের দাবি করাচিতে দলটির আইনপ্রণেতাকে আক্রমণ করা হয়েছে। এছাড়াও করাচির একজন পোলিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে পিটিআই।
প্রসঙ্গত, এপ্রিলে পাকিস্তানের ইতিহাসে এই প্রথম ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীকে অনাস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে। জাতীয় পরিষদের ৩৪২জন সদস্যের মধ্যে ১৭৪ জন সদস্য তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে ভোট দেন।
বাংলাদেশ মহিলা চ্যাম্পিয়নদের সম্পর্কে। মিজানুর রহমান আজহারী

প্রকাশিত: বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫৫ পি এম। অনলাইন সংস্করণ
মিজানুর রহমান আজহারীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে বলা হয়েছে
সাফ উইমেন চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের অর্জনকে কেন্দ্র করে দেশের আম জনতা যখন বিজয়োল্লাসে ব্যস্ত, ঠিক একই ঘটনাকে পুঁজি করে কিছু ধূর্ত লোক ইসলাম বি°দ্বেষের নগ্ন উন্মাদনায় ব্যস্ত। দেশ ও দশের কাজে যাদের সিকিভাগ অবদান নেই।
আরে ভাই, সেলিব্রেট করার একটা উপলক্ষ এসেছে তো সেলিব্রেট করুন। এ বিজয়কে ইসলামের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন কেন? খেলোয়াড় মেয়েগুলো তো স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ মাঠেই সিজদায় লুটিয়ে পড়তে দেখলাম। তাদেরও তো কোন এ°ন্টি ইসলাম এটিচিউড নেই। কিন্তু কিছু উজ°বুক রীতিমত ব্যাপারটাকে লেজেগোবরে করে ফেলেছে।
একটা পজিটিভ বিষয়কে ভিন্ন আঙ্গিকে ম্যানুপুলেট করে তাদের এই বস্তা পঁচা সস্তা ইসলাম বিদ্বে°ষের কূট°কৌশল ইসলামপন্থীরা বহু আগে থেকেই অবগত। দেশের আম জনতাও অবগত যে— দেশের বিভিন্ন অর্জন ও সংস্কৃতিকে নানান চেতনা ও অপসংস্কৃতির রঙ মাখিয়ে দেশের ইসলামপন্থীদেরকে কীভাবে বারবার কোণঠাসা করে রাখার অপপ্রয়াস চালানো হয়।
ইনশাআল্লাহ, ইসলাম প্রিয় এই মুসলিম দেশে ইসলাম বিদ্বে°ষীদের রঙ তুলির আচড় আর গোবর ভরা মাথার ফাঁকা বুলির ফাঁপর, কোনোটাই জন-মানুষের মনে ইসলাম ও আলেম বিদ্বে°ষের বিষ°বাষ্প ঢোকাতে পারবে না। বরং তাদের কূট°কৌশল বুমেরাং হয়ে তাদের অসল চেহারাটাই প্রকাশ করে দেবে।
নতুন স্বর্ণের খনির সন্ধান

প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২,১০:৫৩ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
তেল ও খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আররে নতুন স্বর্ণের খনির সন্ধান মিলেছে। এই খনিতে স্বর্ণের পাশাপাশি তামাও রয়েছে। দেশটির মদিনা অঞ্চলে এ খনির অবস্থান বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (এসজিএস) নতুন এ খনির সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাত দিয়ে গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মদিনা অঞ্চলে উম্ম আল-বারাক হেজাজের ঢাল আবা আল-রাহার সীমানার মধ্যে সোনার আকরিকের সন্ধান পাওয়া গেছে। ওয়াদি আল-ফারা অঞ্চলের আল-মাদিক এলাকায় চারটি স্থানে তামার আকরিকও আবিষ্কৃত হয়েছে।
নতুন এ খনি ৪০ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি এলাকা জুড়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণে স্বর্ণ, তামা ও দস্তার মজুত রয়েছে। সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খনিজ চ্যালকোসাইট বিশেষ তামা উৎপাদনে সহায়ক। চলতি বছরেই স্বর্ণ ও তামার খনিগুলো উৎপাদনে যেতে সক্ষম।
নতুন এসব খনি আবিষ্কারের ফলে সৌদি আরবে বিনিয়োগের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মদিনা অঞ্চলে অবস্থিত উম্মাল-দামার মাইনিং সাইটের লাইসেন্স পেতে ১৩টি সৌদি এবং বিদেশি কোম্পানি জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
গতমাসে শিল্প ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় জানায়, উম্মাল-দামার খনির লাইসেন্সের জন্য ১৩ জন দরদাতাকে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে সরকার। উম্মাল-দামার সাইটটি ৪০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকাজুড়ে অবস্থিত এবং এতে বিপুল পরিমাণে তামা, দস্তা, সোনা ও রুপার মজুত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

ওমর সানি বললেন পতিতা নাকি মডেলিং

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৪৭ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানি। মৌসুমী, শাবনূরের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি উপহার
দিয়েছেন অনেক সুপারহিট সিনেমা। এখন খুব বেশি অভিনয় না করলেও চলচ্চিত্রের বিভিন্ন
সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রিয় এই অভিনেতা ফেসবুকেও বেশ সরব। ওমর সানি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আক্ষেপ করে লিখেছেন—‘আজব এক দেশ বাংলাদেশ, বেশ্যাকে বলে মডেল, জুয়াকে বলে ক্যাসিনো, ঘুষকে বলে সেলামি, সুদ হলো ইন্টারেস্ট, সন্ত্রাসী হলো বড় ভাই।
ওমর সানি দেখতে দেখতে ক্যারিয়ারের ৩০টি বসন্ত পার করেছেন। ‘লাট সাহেবের মেয়ে’, ‘দোলা’, ‘কে অপরাধী’, ‘গরীবের রানী’, ‘হারানো প্রেম’সহ বেশকিছু দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন এই অভিনেতা।
অভিনয়ে এখন আর আগের মতো নিয়মিত নন ওমর সানি। মাঝেমধ্যে তার দেখা মেলে রুপালি পর্দায়। স্ত্রী প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী ও পুত্র-কন্যা নিয়ে সুখের সংসারেই কেটে যাচ্ছে তার দিন।
যৌনপল্লীতে চলচ্চিত্র নায়িকা নিপুন রায়

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৩৭ এ এম। অনলাইন সংস্করণ
সিনেমায় নিপুণ যৌনকর্মী চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আর শুটিং হয় একটি যৌ.নপ.ল্লিতে। সেখানে থাকাকালীন নিপুণের কস্টিউম আসল যৌ.নক.র্মীদের মতোই ছিল। এ কারণে সেখানকার কাস্টমাররা (খদ্দেররা) নিপুণকে সত্যিকারের যৌ.নক.র্মী ভেবেছিলেন। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে ‘বীরত্ব’ সিনেমার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান চিত্রনায়ক ইমন।
অনুষ্ঠানে চিত্রনায়ক মামনুন ইমন ‘বীরত্ব’ সিনেমার বিষয়ে কথা বলেন। সিনেমায় নিপুণের চরিত্রের বিষয়ে ইমন জানান, একজন সুন্দরী মেয়ে নিপুণ। তাকে সবাই কাছে পেতে চায়। শুটিংয়ের সময় ওই জায়গায় (প.তিতা.লয়) অনেক মেয়ে ছিল। সাথে নিপুণও ছিল; আর তার সাজসজ্জা ছিল তা দেখেই সেখানে কিছু কাস্টমার এসে আলাপ শুরু করে দিয়েছিল।
রিয়ালিস্টিক মনে হয়েছে। আমরা আমাদের সব্বোর্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি। আর এ সিনেমায় আমি একজন চিকিৎসকের চরিত্রে অভিনয় করেছি।
বীরত্ব’ সিনেমায় নিপুণ ও ইমন ছাড়াও অভিনয় করেছেন নবাগতা সালওয়া, ইন্তেখাব দিনার, আহসান হাবিব নাসিম, মনিরা মিঠু, আরমান পারভেজ মুরাদ, শিল্পি সরকার অপু প্রমুখ।
অমিত হাসান হিরো আলম ও মুক্তি একই টেবিলে

প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০৫ এ এম। অনলাইন সংস্করণ
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে অ’ভিনেত্রী আনোয়ারার মে’য়ে মুক্তির আমন্ত্রণে একটি সংলাপে অংশ নিয়েছিলেন আলম।
এখানে আরো অ’তিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন অমিত হাসান। অনুষ্ঠান শেষে নিজেদের মধ্যে আলাপ-এর এক পর্যায়ে অমিত হাসান হিরো আলমের মা’থায় হাত রেখে আশির্বাদ করেন।
মূলত মুক্তি ও রোমান মিলে একটি ট’কশোর আয়োজন পরিচালনা করেন। এই ট’কশোতে হিরো আলম ও অমিত হাসানকে অ’তিথি করা হয়।
এ বিষয়ে হিরো আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাকে মুক্তি আপা একটি সংলাপ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে আমা’র প্রিয় অ’ভিনেতা অমিত হাসান ভাই ছিলেন। তিনি আমাকে আশির্বাদ করেছেন। মুক্তি আপা আমাকে যে সম্মান দেখিয়েছেন- আমি কৃতজ্ঞ।
জানা গেছে, শিগগির অনুষ্ঠানটি মুক্তির ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত হবে।
স্বামী স্ত্রীর সহবাসে স্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন আছে কিনা?

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১৮ পি এম। অনলাইন সংস্করণ
••• স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।”
সুনানে তিরমিযি ১১৬০
ছহীহুল জামে ৫৩৪
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩
ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১
নাসাঈ
*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”
তাবরানী ১০৮৬
সুনানে তিরমিযি ৩৬০
হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”
ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫
ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০
সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫
*** মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”
নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫
বাযযার ২৩৪৯
তাবরানী
হাকেম ২৭৭১
বাইহাক্বী ১৪৪৯৭
সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯
*** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”
ছহীহুল জামে ৫২৫৯
তাবরানী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”
মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩
নাসাঈ
হাকিম
বায়হাক্বী
*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”
তিরমিযি ১১৭৪
ইব্নে মাজাহ ২০১৪
*** মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন ।
সূরা আল বাকারা ২৩৪
ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২
আল্লাহ তাআলা সকল মা বোনদের কে ইসলামের সঠিক জ্ঞান দান করুন 🤲
ভুরুঙ্গামারীতে হিরোইন সহ যুবতী আটক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:১৮ এ এম। অনলাইন সংস্করণ
আরিফুল ইসলাম জয়
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ গ্রাম হেরোইন সহ মাদক ব্যবসায়ীর ডিলার চক্রের একজনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত হলো উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিককাজি গ্রামের মোঃ রিয়াজুল হকের মেয়ে রুমানা আক্তার (২০)।বৃহস্পতিবার (৮সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গোপনসুত্রে খবর পেয়ে ভুরুঙ্গামারী থানার ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিককাজি গ্রামে রিয়াজুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার মেয়ে রুমানা আক্তার কে আটক করে। তার নিকট লুকায়িত অবস্থায় ৬ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে যার বাজার মূল্য প্রায় ৭০হাজার টাকা । পরে তাকে আটক করে ভূরুঙ্গামারী থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় ও প্রশাসন সুত্রে যানা জায় রিয়াজুল হক মাদক কারবারির বড় মাপের ব্যাবসায়ী সে সবসময় পুরো উপজেলায় মাদক সরবরাহ করে।
ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি রিয়াজুল হক স্বপরিবারে মাদক কারবারির সাথে জরিত। এবং সে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার হিরোইনের ডিলার। তার পরিবারের সকল কে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালতলীতে রোকনকৃত কৃষি জমিতে ফের চার্জ দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট ২০২২, ০৯: ৫৬ পিএম, অনলাইন সংস্করণ।
মোঃ রনি মল্লিক বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার তালতলীতে রোপনকৃত কৃষি জমিতে ফের চাষ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নুরু ইসলামের ছেলে মতির বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১৫ শতাংশ জমির বীজ নষ্ট করা হয়। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি জমির বিজ নষ্ঠ করায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, কৃষি জমি টাকার বিনিময়ে চাষাবাদ এর সুযোগ দেন নুরু ছেলে মতি কে। বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় যেটাকে পাট্টা রাখা বলে। দীর্ঘদিন পাট্টা হিসেবে জমি চাষাবাদ করার পরে ওিই জমির অংশীদারদের থেকে জমি ক্রয় করে মতি। জমির অংশীদার জলিল শরীফ ওই জমি নিজ ইচ্ছামত অথবা চৌহদ্দি মতে মেপে দিতে চাইলেও সেভাবে জমি নিতে নারাজ মতি।
এ বিষয়ে জলিল শরীফ বলেন, আজ থেকে বেশ কয়েক বছর পূর্বে আমার ভাই জব্বার শরীফ মতির কাছে জমি বিক্রি করেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ জমিতে অনেক অংশীদার রয়েছে তাই সে যেভাবে চৌহাদি দিয়ে জমি ক্রয় করেছে সেভাবেই সে দখল করবে কিন্তু তা না করে তিনি মনগড়াভাবে জমিনে দখল করে নিয়েছে। এমন কি আমার চাষাবাদ ও রোপনকৃত জমিতে ফের চাষ দিয়ে জমির বিজ নষ্ঠ করা হয়েছে। তারা আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে চইছে এমনকি তালতলী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম এর সাথে জরিত আছেন বলে জানায়।
এ বিষয়ে মোঃ মতিকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল করে কিংবা বার্তা পাঠাইয়া তার যোগাযোগ মেলেনি।
এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইন চার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। যারা জমির রোপনকৃত বিজ নষ্ঠ করেছে অবশ্যই খুব অন্যায় করেছে। লেখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিব।
সন্তানের উপর পিতা মাতার অধিকার.মোহাম্মদ আতিকুল্লাহ চৌধুরী
দুনিয়ায় বুকে একমাত্র পিতা মাতা হলো সন্তানের ছায়া। সন্তান ভূমিষ্ঠ থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়ষ্ক পর্যন্ত পিতা -মাতাই সন্তানকে বকে আগলে রেখে লালন পালন করে।তাফসীর বিদ হযরত ওরওয়াকে
এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, প্রবিত্র কোরআনে পিতা মাতার প্রতি বিনতি হওয়ার বিষয়ে যা বলা হয়েছে, তার অর্থ কি? হযরত পরওয়া জবাব দিলেন- তোমার নিকট পছন্দনীয় নয়, এমন কোন কথাও যদি তারা বলেন, তবুও তাদের প্রতি বক্র দৃষ্টিতে তাকিও না। কেননা বিরক্তির আলামত সর্ব প্রথম মানুষের চোখ থেকে ফুটে বের হয়। মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদের রাজি, বলেন আমার বড় ভাই প্রায় রাতভর এবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দিতেন। আমি তখন আমার অসুস্থ বৃদ্ধা মায়ের পা টিপতে থাকতাম।
আমি মনে করি মায়ের পদসেবা করে যে পূন্য অর্জন করেছি তা আমার ভাইয়ের পূন্যের তুলনায় অনেকগুন বেশি। হযরত তালহা রাজি. বলেন, একবার এক যুবক রাসুলুল্লাহ সাঃ এর নিকট যুদ্ধে যাওয়ার জন্য আবেদন পেশ করলো।রাসুলুল্লাহ সাঃ তাকে জিজ্ঞেস করলেন তোমার মা কি জীবিত আছেন? যুবক হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন যাও,মায়ের সেবা করতে থাক। তার পায়ের নিচে তোমার জান্নাত রয়েছে।
হযরত আনাস রাজি.বর্ণানা করেন,রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি আয়ো বৃদ্ধি এবং ধনে জনে সমৃদ্ধি কামনা করে তার জন্য উচিত হলো পিতা- মাতার সাথে সর্বাধিকার সদ্ব্যবহার এবং নিকটাত্মীয় সুসম্পর্ক রাখা। এক ব্যাক্তি তার মাকে কোলে নিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ করার পর হযরত নবী করিম সাঃ কে জিজ্ঞেস করেছিলেন – আমি কি মায়ের হক আদায় করতে পেরেছি? জবাবে রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছিলেন তার একটা শ্বাসের হকও আদায় হয় নি।
সন্তানের উপর মায়ের অধিকার পিতার তুলনায় তিনগুণ বেশি। কারণ মা সন্তানের জন্য তিন দফা দু:সহ কষ্ট ভোগ করে থাকেন।১. গর্বধারণের কষ্ট ২.সন্তান ধারণের কষ্ট ৩.এবং দুধ পান করানোর কষ্ট
।করোও পক্ষেই পিতা- মাতা কে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়।হযরত আবু বক্কর রাজি. এ মর্মে একখানা হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, সব ধরণের গুনাহ- ই আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিবেন।কিন্তু পিতা মাতার কে কষ্ট দেয়া এমন এক জঘন্য পাপ, যার শাস্তি আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া থেকে দেওয়া শুরু করেন।
বর্তমান জামানায় মাতা – পিতার সাথে বিয়াদবির ফল প্রত্যক্ষ ভাবে দেখা গেছে। যা জন সমাজের কাছে উম্মুক্ত। কিন্তু প্রত্যক্ষ এ শাস্তির করুন দৃশ্য দেখেও আমাদের মনকে পিতা মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া থেকে পিছিয়ে নিচ্ছে।যার প্রধান কারণ নিজের মাত পিতা ব্যতীত সমাজের অসৎ বন্ধু বান্ধব কে প্রধান্য বেশি দেওয়া। অসৎ বন্ধু বান্ধবের সাথে অগাত মেলামেশার দরুন নিজের পরিবার থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বন্ধু বান্ধবদেরকে আপন মনে করতে থাকে। কেউ নিজের স্ত্রী -বান্ধবীকে আপন মনে করে নিজের মাতাকে বিভিন্ন ভাবে কষ্ট দেয়।মাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় দুশমন মনে করে।কেউ ঘরে ছেড়ে অন্য মেয়ে কে নিয়ে সুখের ঠিকানা গড়ার চেষ্টা করে।
কেউ বন্ধুদের সাথে মিশে অল্প সময়ে বন্ধু বান্ধবীর সংশ্রবে থাকার ফলে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়।এভাবে তাদের মূল্যবান জীবনকে ধংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়। যার কারণে একদিকে মাকে কষ্ট দেওয়ার কারণে সে দুনিয়াতে শাস্তি পেতে থাকে,অপর দিকে আখিরাত কে হারিয়ে চিরতরে জাহান্নামে ঠিকানা গড়ে নেয়।কিন্তু ভয়াবহ নির্মম জীবন থেকে পরিত্রাণ একমাত্র ইসলামই দিতে পারে। ইসলামেই একমাত্র সব সমস্যার সমাধান। আদব আখলাখ, শিষ্টাচার যা মানুষ কে সফলতার চুড়ান্ত স্থানে আসীন করে। যার ফলে সন্তান তার পিতা মাতার কে শ্রদ্ধা ঙ্গাপন করে। সম বয়সী ও মুরব্বিদের কে সম্মান করে।
ফলে তার জীবনে ইহকালে শান্তি ও পরকালে চিরস্থায়ী জান্নাতে ঠিকানা করে নেয়। তাই আমাদের সকলের উচিত পিতা মাতার সদ্ব্যবহার করা। পিতা মাতারকে সবসময় হাসি মুখে রাখা।নিজের শত কষ্ট হলেও পিতা মাতার কে খুশী রাখা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কে পিতা – মাতার উত্তম সেবা যত্ন করার তৌফিক দান করুন,,,,,, আমীন,,,
লেখক ঃ মুহাম্মদ আতিকুল্লাহ চৌধুরী
কদলপুর রাউজান চট্টগ্রাম
ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মেয়ে ২০২২, ০৮:২০ পিএম, অনলাইন সংস্করণ।
বাকেরগঞ্জে, নামের পাশে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবী ও ভিপি নুরু এর লোক দাবী করে প্রতারণা।
বাকেরগঞ্জে, নামের পাশে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবি লাগিয়ে ও ভিপি নুরুর সাথে ছবি তুলে, তার লোক দাবী করে দীর্ঘদিন যাবত মানুষকে ধোকা ও প্রতারণা করে আসছে, কথিত এই ইঞ্জিনিয়ার রাজু।
সাধারণ মানুষ তার পদবী নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়া সাংবাদিক দের কাছে অভিযোগ করে। অভিযোগ এর সত্যতা যাচাই করতে এক অনুসন্ধানে জানা যায়। মোঃ রাজু খান, ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা। মাধ্যমিক এর গন্ডি পেরতে তার কয়েবার একই ক্লাসে পরিক্ষা দিতে হয়,পরিশেষে যুক্ত হয় জাহাজের লেবার হিসাবে।
দীর্ঘ দিন যাবত সেখানে চাকরি করার পর। হঠাৎ করেই নিজেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে দাবি করতে থাকে।ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে তার নাই কোন সনদ। শুরু করে নানান প্রতারণা। ইঞ্জিনিয়ার দাবি করে চাকরির নামে টাকা নিয়ে ধোকা দেয় বেকার ছেলেদের কে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানায় এসএস সি পরীক্ষা দিয়ে কেউ ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে তা জানা ছিলো না।
সম্প্রতি তার ব্যাক্তিগত ফেইসবুক আইডি ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছু ভিপি নুর সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ছবি তুলে কথিত ছাত্র অধিকার পরিষদ নিয়ামতি ইউনিয়ন এর আহ্বায়ক হিসাবে নিজেকে দাবি করে আসছে এবং এই দলে যোগ দেওয়ার জন্য, স্থানীয় কিশোর বয়সের ছেলেদের হয়রানি ও বিভিন্ন মাদকের প্রলোভন দেখাচ্ছে। এবং ভিপি নুরুর সংগঠন এর নামে এজেন্ট বানিয়ে এলাকায় নাশকতার সৃষ্টি করছে।
বিভিন্ন সময় দেখা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি স্ট্যাটাস দিচ্ছে। তার প্রতারণার ফাদে পরছে নাম বলতে রাজি না হওয়া অনেকেই।
সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রী কে নিয়ে কটুক্তি করায়, তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করে শেখ রাছেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখা এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান। যার ফলে রাজনৈতিক ওপেন হুমকি দেওয়া হয় তাকে। বলে জানান মশিউর রহমান।
এ ব্যাপারে রাজু খান এর সাথে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি ফোন বন্ধো করে রাখেন।
খেলার মাঠ ঠিকই থাকবে কোন স্থাপনা হবে না
সংবাদকর্মীর কাজই হচ্ছে সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ সংগ্রহ করা। আসিফ

প্রকাশিত: সোমবার,২৫ এপ্রিল ২০২২, ০৫: ২৯ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ তার ভেরিফাইড ফেসবুক থেকে এই উক্তিটি পোস্ট করেন
প্রতিটা সংবাদকর্মীর কাজই হচ্ছে সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ সংগ্রহ করা। আমি শুরু থেকেই সংবাদ মাধ্যম কর্মীদের সাথে চমৎকার সময় কাটিয়ে এসেছি। আপনি যদি মনে করেন কোন সাংবাদ কর্মী আপনার বন্ধু- সেটি আপনার সবচেয়ে বড় ভুল। আমাদের সাউন্ডটেক বস বাবুল ভাই একটা বলতেন- ঘোড়ার সাথে ঘাসের দোস্তি কখনো হয় না, তাহলে ঘোড়া খাবে কি ! কোন বন্ধুত্বের কি সম্পর্ক – সেটা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে আগে বিচার বিশ্লেষণ করে তবেই এগুনো উচিত, যদিও আমি নিজেই এসব ভুল করে এসেছি অতীতে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওয়ান্ডার বয় সহজ সরল মোহাম্মদ আশরাফুল এই ধরনের বন্ধুত্বের বলি হয়েছেন। অ্যাশ একজন সাংবাদিকের কাছে মনের গোপন কষ্ট শেয়ারিংয়ে গিয়ে ক্যারিয়ার বরবাদ করে ফেলেছে। সংবাদ শিকারী সেই কর্মী ঈগলের মত ছোঁ মেরে নিউজটা ছাপিয়ে দিলো দেশের শীর্ষ পত্রিকায়, ফলাফল চোখের সামনে। এটাই স্বাভাবিক- ভুলটা আশরাফুলেরই হয়েছে। সেই সংবাদকর্মী তাঁর বিশ্বাসকে জ্যাকফ্রুট জুস ভেবে শুষে নিয়েছে। আমি অবশ্য এসব রেগুলার কোর্স শেষ করে এসেছি।
আমার বায়োগ্রাফী আকবর ফিফটি নট আউট নিয়ে একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেল খন্ডিত নিউজ ছেপেছে। দয়াপরবশ হয়ে নামটা উল্লেখ করলাম না, এই উদারতা অবশ্য ওদের নেই। নিউজটা আমার প্রিয় শীর্ষ দুজন স্বনামখ্যাত গায়কের ইমেজের বিরুদ্ধে গিয়েছে, উনারা অবশ্য কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখান নি। বইটার বানান প্রুফ এর কাজ চলছে। দূর্ধষ সেই চিকনা সংবাদকর্মী প্রেস থেকে স্রেফ চুরির মাধ্যমে চটকদার হেডলাইন দিয়ে নিউজটা ছেপে একটা বিভ্রান্তি তৈরী করেছে। অথচ বই ছাপার কাজ এখনো শুরুই হয়নি। এ ধরনের পাইরেসী এড়াতে আমরা ইচ্ছা করেই ঈদের পরে বই প্রকাশনা শিফট করেছি। তার বিরুদ্ধে পাইরেসীর মামলা করতে পারি, করবোনা। এই ধরনের নিউজে কোন বীরত্ব নেই, এটা স্রেফ চৌর্যবৃত্তি। কন্টেন্টের লোভে এসব সংবাদকর্মী যে কোন শর্তে সব কাজ করতে পারে, এটাই এদের স্ট্যান্ডার্ড। আকবর ফিফটি নট আউট এ সত্য ঘটনার সাথে সংক্ষুদ্ধ চরিত্রগুলোকে যথাযথ সম্মান প্রদান পূর্বক তুলে ধরা হয়েছে, এখানে কল্পনাপ্রসূত কিছু লেখা হয়নি। শার্লক হোমসের নাতি হওয়ার চেষ্টা না করে আমার কাছে আসুন। আপনাকে পছন্দ হলে পুরো ঘটনা ছাপানোর অনুমতি দিবো। আমার খেলোয়াড়ী অতীত সমৃদ্ধ, যোগ্যতা থাকলে আমার সাথে খেলেও আরাম পাবেন। চুরি বাটপারির মাধ্যমে তৈরী গিমিক সাংবাদিকতায় ঢোকাবেন না, এতে পেশার প্রতি কমিটেড আমার সাংবাদিক বন্ধুরা লজ্জ্বা পায়। ব্যাপারটা ইতিমধ্যে ক্লিয়ার হয়েছেন নিশ্চয়ই ! রুলস মেনে খেলতে আসুন- ওয়েলকাম।
ভালবাসা অবিরাম…
টাইটেলের কারণে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,নাম

প্রকাশিত: রবিবার,১৩ মার্চ ২০২২, ১০:৫০ এএম । অনলাইন সংস্করণ
শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হোসাইন:
☆ নাম ও বংশ পরিচয়:
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন(মা.জি.আ) ২রা শাওয়াল ১৪০৫ হিজরী, ইংরেজি ১৯৮৮ সনের মে মাসের ১৯ তারিখ শুক্রবার সুবহে সাদিকের সময় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ (মা.জি.আ.), গদ্দীনশীন পীর ছাহেব ছারছীনা দরবার শরীফ। দাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু জা’ফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.)। পরদাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ ছাহেব (রহ.)। নানা ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল আনসার মোঃ আব্দুল কাহ্হার ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)। তাঁর পিতা হলেন কাইয়ুমুজ্জামান আলহাজ্জ হযরত মাওলানা আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল হাই ছিদ্দিকী আল-কুরাইশী (রহ.)। তার পিতা হলেন মুজাদ্দিদে যামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী রহ.। তার নানাজানের বংশধারা পরম্পরা সূত্রে আমীরুল মু’মিনীন হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধরের সাথে মিলিত হয়েছে।
☆ নেক দোয়া ও ছোহবত লাভ:
তিনি দাদাজান ও নানাজান উভয়কে পেয়েছিলেন। উভয়ে নাতিকে অত্যন্ত আদর, স্নেহ ও ভবিষ্যত কামিয়াবীর জন্য দোয়া করতেন। তাকে ১৯৯৩ সালে মুজাদ্দিদে যামান ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর মেঝ ছাহেবজাদা পীরে কামেল, মুফতিয়ে আজম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু জা’ফর মোহাম্মদ অজীহ উদ্দিন মুজতবা ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর সান্নিধ্যে নেওয়া হয়। তিনি তাকে কোলে তুলে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ কামিয়াবীর জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেন। তিনি আওলাদে রাসূল হযরত সাইয়্যেদ আহমদ মালেকী আল-আলাভী আল মাক্কি ছাহেবের বিশেষ সান্নিধ্য ও দোয়া লাভ করেন।
☆ ইলমে দীন শিক্ষা লাভ:
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ১৯৯৪ সনে ৬ বছর বয়সে ছারছীনা দারুসসুন্নাত আলীয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে থাকেন। পরে নিজের আগ্রহে উদার পিতার মনোবাসনাকে প্রাধান্য দিয়ে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ায় ভর্তি হন। পর্যায়ক্রমে ২০১০ সনে দাওরায়ে হাদিসে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
পরবর্তীতে তিনি সুনামের সাথে ইফতা জামাতে উত্তীর্ণ হন।
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ছাত্র জীবনেই স্বীয় পিতা ছারছীনা শরীফের গদ্দিনশীন পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ ছাহেব (মা.জি.আ.)-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করে নিয়মিত অজীফা আদায়ের মাধ্যমে ইলমে তাছাউফ শিক্ষায় নিয়োজিত আছেন।
☆ দীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ:
২০০৭ সনে সর্বপ্রথম তিনি স্বীয় পীরের এজাজতক্রমে মক্কা শরীফে মিনায় বসে উপস্থিত পীর ভাইদেরকে তা’লিম দেন এবং ২০১০ সন হতে প্রায় প্রতি মাহফিলেই জিকিরের তা’লিম দিয়ে থাকেন। ২০১১ সনে তাকে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার রঈছের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে মজলিসে শুরার বৈঠকে বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর এবং পরে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ ও যুব হিযবুল্লাহর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ডের বোর্ড সভার সহ-সভাপতি, ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি ও ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ ইসলামিয়ার গভর্নিং বডির অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। সংগঠন ও মাদ্রাসা পরিচালনার পাশাপাশি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকখানা কিতাব ও সংকলন করেছেন।
যেমন-
○ রহমতে দোজাহাঁ হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা ﷺ এর জীবনী,
১. ইসলামের পঞ্চবেনা,
২. দরূদ শরীফের ফাজায়েল ও আহকাম,
৩. যিয়ারতে হারামাইন শরীফাইন,
৪. আছমাউল হুসনা,
৫. আসমাউন্নবী ﷺ,
৬. প্রিয় নবী ﷺ -এর স্মরণে মিলাদ মাহফিল,
৭. কিয়ামতের আলামত,
৮. আদি পিতা হযরত আদম (আ.)।
☆ হজ্জ, যিয়ারত ও বিদেশ সফর:
মক্কা ও মদীনা শরীফে হজ ও যিয়ারতসহ আরো কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ইরাক, জর্দান, ওমান, আরব আমিরাত, বাহরাইন, থাইল্যান্ড, কাতার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ও ইন্ডিয়া। তিনি বহু নবী-রাসূল ও আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার শরীফ যিয়ারত ও দর্শনীয় স্থান সফর করে আল্লাহ প্রদত্ত অনেক প্রজ্ঞা লাভ করেন।
ইসলামের কিছু শিক্ষনীয় বিষয়

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ ই মার্চ ২০২২,০১:২৫ পি এম। অনলাইন সংস্করণ
সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই
উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে ।
চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম
থেকে উঠে বসে প্রথমে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’
বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে ।
জায়নামায
বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন ।
স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে
আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না ।
সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে
নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার
জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত
বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব
মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে
চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন
স্ত্রী কুরান পড়ছে ।
সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য
প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে
দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময়
দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে
দিলেন ।
অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন ।
ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ
থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর
থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে
ডেকে দেয় । বিয়ের পর থেকে স্ত্রীর
জন্য জামায়াতেও নিয়মিত নামায পড়া হয় । এগুলো
ভাবতে ভাবতে হটাত স্ত্রীর কথা খুব বেশি মনে
পড়লে স্ত্রীকে একটা কল দেয় ।
এবারো
যথারীতি দু’জন একসাথে সালাম বিনিময় করে । বেশ
কিছুক্ষণ কথা বলার পর সালাম বিনিময় করে কল
কেটে দেয় ।
কথা বলা শেষে সাইফুল্লাহ সাহেব
আবার ভাবনায় পড়লেন । আলহামদুলিল্লাহ বলে মনে
করলেন নিজের সে দুয়ার কথা যা তিনি নিয়মিত
করতেন ।
দুয়াটি বিড় বিড় করে আবার পড়লেন-
” হে আল্লাহ ! আমাকে উত্তম চরিত্র দান কর ।
আমার তাকওয়া বৃদ্ধি করে দাও । হারাম থেকে বাঁচিয়ে
হালাল রোজগার দিয়ে আমার রিযিক প্রশস্ত করে দাও
। হে আল্লাহ !আমাকে একজন উত্তম স্ত্রী দান
কর । আমার জন্য তুমি যাকে রেখেছো তাকে
তুমি উত্তম চরিত্র দান কর । তাকে বিপদ-দুশ্চিন্তা
থেকে তুমি মুক্তি দাও । তার জীবনকে তুমি সুন্দর
করে দাও । তাকে দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত
রাখো। হে আল্লাহ ! আমাকে হিদায়াহ’র উপর মৃত্যু
দান কর। আমি একমাত্র তোমার উপরেই ভরসা রাখি”
নিজের নিয়মিত করা দুয়া মনে মনে পড়ে সাইফুল্লাহ
সাহেব খুশি মনে আলহামদুলিল্লাহ বলেন উঠলেন
এবং প্রমাণ পেলেন পূর্ণ ভয় করে আল্লাহর উপর
ভরসা রাখলে আল্লাহ বান্দাকে নিরাশ করেন না ।
অফিসের কাজকর্ম সব শেষ । এখন বাসায় ফিরবেন ।
তার আগে প্রতিদিনের মত ফুলের দোকানে
যাবেন স্ত্রীর জন্য ফুল আনতে । যথারীতি ফুল
কিনলেন । আজ কেন জানি সাইফুল্লাহ সাহেব
অনেকগুলো ফুল কিনেলন ।
বাসার সামনে এসে
দরজা নক করলেন । স্ত্রীর দরজা খুলতেই
যথারীতি দুজন আবার একসাথে সালাম বিনিময় করলেন
। সাইফুল্লাহ সাহেব স্ত্রীকে বললেন , তুমি কি
আমাকে কখনো আগে সালাম দিতে দিবে না ?
স্ত্রীও একই প্রশ্ন করলেন । তারপর সাইফুল্লাহ
সাহেব পেছন থেকে অনেকগুলো ফুল
স্ত্রীর হাতে দিয়ে বলেন , আই লাভ ইউ ফর দ্য
সেইক অফ আল্লাহ । স্ত্রীও বললেন , লাভ ইউ টু
ফর দ্য সেইক অফ আল্লাহ ।
এই হচ্ছে প্রেম । হালাল প্রেম এবং কাছে আসার
গল্প । যেখানে নাই কোন নোংরামি, নাই কোন
অশান্তি , নাই কোন আল্লাহর অবাধ্যতা । যেখানে
আছে শুধু , সুখ আর শান্তি যা আল্লাহর পক্ষ থেকে
আগত ।
আলহামদুলিল্লাহ ।
সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু মল্লিক এর মায়ের মৃত্যু

প্রকাশিত: মঙ্গলবার,৮ই মার্চ ২০২২, ১০:৫৫ এএম। অনলাইন সংস্করণ
শোক সংবাদ
পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন এর সাংগঠনিক সম্পাদক, মোহাম্মদ রাজিব হসেন (রাজু মল্লিক) এর মা মোসাম্মৎ খাদিজা বেগম (৫০) আজ মঙ্গলবার ভোর পাঁচটা পনেরো মিনিটের দিকে মৃত্যুবরণ করেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বরিশাল,বাকেরগঞ্জ থানার ১৩ নং পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত ২ নং ওয়ার্ড পূর্ব মহেশপুর গ্রামের নির্বাসী, স্বামী মোঃ শাহাদত মল্লিক এর বাড়িতে তাহার মৃত্যু হয়, মৃত্যুর সময় (খাদিজার) বয়স ছিল প্রায় ( ৫০) বছরের মত।
মৃত্যু ( খাদিজা) এর ছেলে মোহাম্মদ রাজিব হসেন (রাজু মল্লিক) উনি আমাদেরকে জানান গতকাল সোমবার সকাল বেলা উনার মা খাদিজা বলেন বাবা আমার শরীরটা ভাল না, রাজু মল্লিক উনার মায়ের শরীরে হাত দিয়ে দেখেন শরীর টা একটু গরম একটু জ্বর জ্বর ভাব,
ছেলে রাজু বলেন মা আপনার শরীরটা তো গরম জ্বর জ্বর ভাব আপনি একটু রেস্টে থাকেন কোন কাজকর্ম করার দরকার নেই ছোট বোন মরিয়ম ও সব করতে পারবে আপনি রেস্টে থাকেন
এই বলে রাজু আবার কাজ কর্মের দিকে চলে যান এবং যাবার সময় পাশের ঘরে দাদিকে বলে যান দাদি আমার মায়ের শরীরটা ভালোনা শরীরে জ্বর আছে একটু খেয়াল রাখেন
সন্ধ্যাবেলা কাজের শেষে রাজু বাড়িতে এসে দেখেন উনার মায়ের শরীরে জ্বর আরো বেশি পরে উনি দোকানে গিয়ে রাতের বেলা আপেল এবং কমলা এনে অনার আমাকে খাওয়ান
খাওয়ানোর পরে মা খাদিজা বলেন বাবা আমার শরীরটা এখন মোটামুটি ভালই লাগে পরে রাতে ছোট মেয়ে মরিয়ম কে সাথে নিয়ে একই বিছানায় ঘুমানো
প্রত্যেকদিন গভীররাতে তাহাজ্জত পড়তে উঠেন এবং ফজরের নামাজ পড়ে জিকির-আজগার করে তারপরে ঘুমান কিন্তু প্রতিদিনের মতো উনি আজ ওঠেননি উনার বোন সকালবেলা উঠে ভাই রাজু মল্লিক কে ডাক দিয়েছেন
ডেকে বলেন ভাইয়া আম্মু তো ওঠেনা এবং নড়াচড়াও করেনা রাজু মল্লিক তড়িঘড়ি করে এসে দেখেন মায়ের শরীর গরম উনি মামা বলে ডাকেন কোন সাড়া দেয় না তাৎক্ষণিক ডাক্তার নিয়ে আসেন
ডাক্তার এসে দেখে বলেন তোমার মা আর দুনিয়াতে নেই তিনি তোমাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন এই বলে ডাক্তার মাথায় হাত বুলিয়ে সান্তনা দিয়ে ডাক্তার চলে গেলেন
মোঃ রাজিব হোসেন রাজু মল্লিক “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” নামের একটি সংগঠন পরিচালনা করেন এই সংগঠনের মূল কাজ স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
এই সংগঠন পরিচালনা করে গ্রামের সকল স্তরের মানুষের কাছে থেকে অনেক সুনাম অর্জন করেছেন মোঃ রাজিব হোসেন রাজু এবং গত ৫ ই মার্চ রোজ শনিবার, উপজেলা বাকেরগঞ্জে অডিটোরিয়ামে “বেঙ্গল ইউথ ফাউন্ডেশন” নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে
রাজু মল্লিক এর “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” কে আমন্ত্রণ করা হয়, উক্ত অনুষ্ঠানে বাকেরগঞ্জের পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া উপস্থিত ছিলেন, এবং উক্ত অনুষ্ঠানে পূর্ব মহেশপুর ও সংগঠন, মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া ফুলের শুভেচ্ছা জানান
এবং সেখানে “পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন” এর কিছু কার্যকলাপ রিভিউ করা হয় সংগঠনের কর্মকান্ড দেখে বাকেরগঞ্জের মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া খুবই কৃতজ্ঞ হন এবং খুবই আনন্দিত হন
উক্ত অনুষ্ঠানে মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ডাকুয়া বক্তৃতাকালে আশ্বাস দেন ভবিষ্যতে কোনো কর্মকাণ্ডের যদি কোন সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তাহলে সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
সমাজসেবার এসব কাজ নিয়ে সবসময় ব্যস্ত হঠাৎ করে তাহার মায়ের মৃত্যুতে তাহার সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ খুবই মর্মাহত এবং খুবই শোকাহত এবং সংগঠনের সকল স্তরের মানুষের ভিতরে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আমরা মোঃ রাজিব হোসেন রাজু মল্লিক এর মায়ের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাহার সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।
এক নবজাতকের নির্মম পৃথিবীর ঘটনা

প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২,০৫:৪৫ পি এম। অনলাইন সংস্করণ
এই শিশুটিকে জানালা বা বারান্দা এমন কোন জায়গা থেকে রাতের আঁধারে ফেলে দেওয়া হয়।ফেলে দেয়ার আগে এক হাত মুছড়ে ভেঙ্গে দেওয়া হয়!! যায়গাটা ছিল উক্ত বিল্ডিং এর পেছন সাইড।দুই বিল্ডিং এর মাঝের চিপা। উপর থেকে ছুড়ে ফেলায় ফ্রাকচার হয়ে যায়!এক পা ভেঙ্গে যায়!! বগলে ও পায়ের ফাঁকে রক্ত জমাট বাঁধে, তার উপর রাতে বৃষ্টি হওয়ায় সারা রাত ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে, অন্ধকার চিপায় পরে থাকে আর স্বশব্দে কাঁদতে থাকে!
গভীর রাত হওয়ায় অনেকেই নবজাতক বাচ্চার বিরতিহীন কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়।কিন্তুু ঘুর্ণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি এই কান্না, নিচে পড়ে থাকা কোন নিষ্পাপ মানবশিশুর বাঁচার আর্তনাদ!!মানবতার পরাজয়!
ভোরের দিকে যখন অধম মায়ের নির্মমতার শিকার বাচ্চাটির কান্নার শেষ শক্তিটুকুও নিঃশেষ হয়ে যায় তখন কাগজ টোকাতে আসা এক মহিলা চিপায় ঢোকে জিনিস টোকাতে গিয়ে টিপটিপ বৃষ্টির পানিতে ভিজতে থাকা নিথর ছোট্ট দেহটি দেখতে পায়!
দূর থেকে পুতুল ভেবে তুলতে যেতেই, পুতুলটি নড়ে ওঠে!!
গোঙ্গানোর মত মৃদু আওয়াজে মানব পুতুলটি যেনো বুঝিয়ে দেয়—-,, পৃথিবীতে এসে চোখ খুলতেই গর্ভধারিনী মায়ের থেকে এমন নিষ্ঠুরতা, হাত ভেঙ্গে দেওয়া,অত উপড় থেকে ছুড়ে ফেলা, যখম নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা ,ঠাণ্ডা-অন্ধকার মেঝেতে খালি গায়ে, নার না কেটেই সারা রাত সমস্ত শক্তিতে চিৎকার করে কাঁদার পরও,বাকরুদ্ধ হীমশীতল দেহে এখনও প্রাণ আছে!!!!
পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্হায় মেয়ে শিশুটি ভয়ার্ত চোখে চারপাশে তাকাতে থাকে!! হাসপাতালে ১দিনের সংগ্রাম শেষে চরম নিষ্ঠুরতার তিক্ততা নিয়ে,,মৃত্যু যন্ত্রনা ভোগ করা শিশুটি মৃত্যুর কোলেই ঘুমিয়ে পরে!
বলার কোন ভাষা নাই!
(সংগৃহীত)
ভাইরাল ভিডিওর ঘটনা নিয়ে যা বললেন সেই ছাত্রী।

প্রকাশিতঃ বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২,১১:৫২ এ এম। অনলাইন সংস্করণ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
ভারতের কর্ণাটকের একটি কলেজের হিজাব পরহিত ছাত্রী মুসকানকে গেরুয়া ওড়না পরা একদল তরুণেরর বিরুদ্ধে একা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবারের এ ঘটনা প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুসকান বলেন, তিনি ওই তরুণদের সামনে প্রতিবাদ করার সময় উদ্বিগ্ন ছিলেন না এবং তিনি তার হিজাব পরার অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবেন।
মুসকানের ওই মোকাবিলা করার ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মান্ডিয়া কলেজে এক দল গেরুয়া ওড়না পরা তরুণরা স্লোগান ও চিৎকারের মুখে পড়েন মুসকান, কিন্তু তিনি তাদের রুখে দাঁড়ান।
ওই তরুণরা যখন ‘জয় শ্রী রাম’স্লোগান দিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসছিলেন, মুসকানও পাল্টা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে স্লোগান দেন। তারা যখন মুসকানের পিছু পিছু আসছিল তখনও মুসকান ‘আল্লাহু আকবার’… ‘আল্লাহু আকবার’ বলছিলেন। এক পর্যায়ে ওই কলেজের কর্মকর্তারা তাকে তরুণদের কাছ থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
মুসকান এনডিটিভিকে বলেন, আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম না। যখন আমি কলেজে যাই, তারা আমাকে ঢুকতে দিতে চাচ্ছিলেন না শুধু বোরকা পরে থাকার কারণে। তারা জয় শ্রী রাম বলে চিৎকার করছিলেন, তাই আমিও আল্লাহু আকবার বলে চিৎকার করছিলাম। অধ্যক্ষ ও প্রভাষকরা আমাকে সমর্থন করেছিলেন এবং আমাকে রক্ষা করেছিলেন।
তিনি বলেন, ওই দলের মাত্র ১০ শতাংশ ছিল কলেজের ছাত্র এবং বাকিরা ছিল বহিরাগত। আমাদের অগ্রাধিকার আমাদের শিক্ষা। তারা আমাদের শিক্ষা পরিবেশকে নষ্ট করছে।
কর্ণাটকের কলেজগুলোতে হিজাব পরা শিক্ষার্থী ও গেরুয়া ওড়না পরা তরুণদের মধ্যে বিক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।
জানুয়ারির শেষের দিকে উদুপি সরকারি মহিলা কলেজে যখন ছয় ছাত্রীকে হিজাব পরার কারণে ক্লাস করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন, তখন থেকে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত।
মুসকান বলেন, এটি গত সপ্তাহে শুরু হয়। আমরা সব সময় বোরকা ও হিজাব পরতে অভ্যস্ত। আমি ক্লাসে হিজাব পরতাম এবং বোরকা খুলে ফেলতাম। হিজাব আমাদের অংশ। অধ্যক্ষ এ নিয়ে কখনও কিছু বলেননি। বহিরাগতরা এটি শুরু করেছে। অধ্যক্ষ আমাদের বোরকা না পরতে পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা হিজাবের জন্য বিক্ষোভ চালিয়ে যাব। এটি মুসলিম মেয়ে হওয়ার একটা অংশ মাত্র। বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এই ছাত্রী জানান, তার হিন্দু বন্ধুরা তাকে সমর্থন করেছে।
তিনি বলেন, আমি নিরাপদ বোধ করছি। সকাল থেকে সবাই বলছে, আমরা আপনাদের সাথে আছি।
কর্ণাটকে তিন দিনের জন্য সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার
বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে বাসচায় পথচারী নিহত, জনতার সড়ক অবরোধ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি ২০২২, ১০:০২ এ এম অনলাইন সংস্করণ।
বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে বাসের থাক্কায় পথচারী নিহত, বিক্ষুদ্ধ জনতার অগ্নসংযোগ-সড়ক অবরোধ
ডেইলি সময়ের আলো
বরিশালের বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে বাসের ধাক্কায় একজন পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। নিহত মোঃ আসলাম হাওলাদার (৪০) পেশায় একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী।
তিনি উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিরংগল গ্রামের আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের পুত্র। ঘটনা সুত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী মল্লিক পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৪০৩৬)বুধবার বিকেল ৪ টার সময় বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ব্রিজে উঠার আগেই পথচারী আসলামকে ধাক্কা দেয়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
ঘটনা সুত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী মল্লিক পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৪০৩৬) বুধবার বিকেল ৪ টার সময় বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ব্রিজে উঠার আগেই পথচারী আসলামকে ধাক্কা দিয়ে ড্রাইভার বাস থেকে লাফ দিয়ে পালায়।
এতে বাস গাড়িটি ব্রেক ফেল করে পুনরায় পিছনের দিকে এসে বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের সরকারি কলেজের সম্মুখে হাওলাদার ফিলিং স্টেশনে রাখা ৬ টি সিএনজিকে ধাক্কা দিয়ে দুমরে মুছরে দেয়। ঘটনার পরপর বিক্ষুদ্ধ জনতা টায়াল জ্বালিয়ে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ প্রদশণ করে।
এসময় বাসস্ট্যান্ডে ব্রিজের দুই পাশে শতাধিক গাড়ি আটকা পরে। উপজেলা নিবাহী কমকতা মাধবী রায় ও ওসি তদন্ত সত্যরঞ্জন খাসকেল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে বিক্ষুদ্ধ জনতাকে শান্ত করে পুনরায় বাস চলাচল শুরু করেন।
দূর্গাপাশা ইউনিয়নে নির্বাচনে ঘটতে পারে খুনোখুনি

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ ই ডিসেম্বর ২০২১,০৯:৪৫ এএম। অনলাইন সংস্করণ।
দূর্গাপাশা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনি মাঠে নীল নকশা!
ঘটতে পারে খুনাখুনির মতো ঘটনা!
জিয়াউল হক //
চলমান স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানার ৫ নং দূর্গাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকার চরম বিপর্যয় ঘটার পথে। বলা যায় বিদ্রোহীদের জনপ্রিয়তায় নৌকা বিতাড়িত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। দূর্গাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার প্রতিদন্ধিতায় রয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান এস.এম.সিরাজুল ইসলাম (বাশার) ও সাবেক চেয়ারম্যান সালাম খান।
আগত নির্বাচনে দূর্গাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার ভরাডুবি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যানের সাথে ভোট যুদ্ধের লড়াইয়ে। সবচেয়ে বড় বিস্ময়, যারা বিদ্রোহী হয়ে মাঠে রয়েছেন তারা কেউ বিএনপি জামাতের নন, এরা আওয়ামী লীগেরই বিদ্রোহী প্রার্থী!!
বিদ্রোহী দমনে আওয়ামী লীগের কোন কৌশলই কাজে আসছে না। দলীয় সাধারণ সম্পাদক বার বার বলছেন, এবারের বিদ্রোহীরা চিরদিনের জন্য বহিষ্কৃত হবেন। যদিও দলের নেতা কর্মীরা এটিকে কৌশলের ঘোষণা বলেই বিশ্বাস করেন। সময়ে বহিষ্কার,অসময়ে প্রত্যাহার এসব দেখে বহিষ্কারের ঘোষণা এখন যেন আর কাউকেই বিচলিত করে না। বিদ্রোহীদের বিজয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দলীয় ঘোষণা কে বাস্তবায়ন করতে হলে, লোম পরিষ্কার করতে গিয়ে কম্বলই না আবার খালি হয়ে যাওয়ার মত।
সারাদেশে সবাই যখন আওয়ামী লীগ, এমন পরিস্থিতিতে নৌকা প্রার্থীদের করুণ চিত্র কিসের ইংগিত বহন করে? ঐতিহ্যগত ভাবে একসময় আওয়ামী রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের প্রাধান্য ছিল না। বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতো ক্ষমতা কে ব্যবহার করে সেনা ছাউনিতে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়নি। তাই দলটিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা কর্মীর প্রাধান্য ছিল। কালের নিষ্ঠুর নিয়তিতে দলটি যেন ক্রমেই তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। দীর্ঘ দেড় যুগ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও দলটির নিবেদিতপ্রাণ নেতা কর্মীরা যেন নিজ গৃহেই নির্বাসনে।
ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মী হয়েও অনেক স্থানেই ত্যাগীরা যেনো পরগাছা! স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের প্রচলন দীর্ঘদিনের ত্যাগীদের মনে আশার সঞ্চার করলেও, এটিই এখন তাদের গলার ফাঁস। এখন দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের কাছে বিকল্প কোন পথ না থাকায়, এককালের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা আজ স্বেচ্ছায় দল ঘোষিত ফাঁসির মঞ্চে যেতেও সংশয় করছে না। এটি কিসের লক্ষণ?এর অন্তর্নিহিত কারণটা ই বা কি? তাহলে বিদ্রোহীরা কি আওয়ামী লীগের কেউ না, অস্বীকার করার নয় দলের চরম দুর্দিনে এই বিদ্রোহীরাই রাজপথ কাঁপিয়ে রেখেছেন আজকের তাদের কন্ঠ যেন চেপে ধরে বন্ধ করার কৌশল মাত্র।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সকল কর্মকাণ্ডে সিরাজুল ইসলাম বাশার এর উপস্থিতি কোনোভাবেই অস্বীকার করার নয়। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে পৌরনির্বাচন ইউপি নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ভালবেসে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন বর্তমান এই চেয়ারম্যান। সাংগঠনিক কর্মদক্ষতায় মন জয় করেছেন উপজেলার শীর্ষ নেতাদের। অজানা কারণে নৌকার নমিনেশন থেকে ছিটকে পড়লেও সাধারণ ভোটারদের অন্তরে যায়গা করে নিয়েছেন এই ত্যাগী নেতা। ৫ নং দূর্গাপাশা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের মনোনীত হয় আনারস মার্কা নিয়ে ভোটযুদ্ধে সকলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
তার বিজয় সুনিশ্চিত ভেবেই একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্রের নীলনকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে।
দূর্গাপাশা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়ে হানিফ তালুকদার তার কর্মীদেরকে বেপরোয়া করে প্রতিপক্ষ আনারস প্রার্থীর সমর্থকদের প্রচারণা করতে বিগ্ন সৃষ্টি করে। বর্তমানে এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
আরো জানা যায় পার্শ্ববর্তী বাউফল উপজেলা দিয়ে ভারাটিয়া মাস্তান এনে মাঠে রাখছেন। ইতিমধ্যে আনারসের প্রার্থী এস.এম. সিরাজুল ইসলাম বাসার তার সমর্থকদের নিয়ে মাঠে রয়েছে। তিনি ০৯ টি ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশ উঠান বৈঠক নির্বচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন।
এস.এম. সিরাজুল ইসলামের সমর্থক মোঃ শাহিন খান জানায় আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যপক সমর্থক দেখে নৌকার প্রার্থী হানিফ তালুকদার হতাশা হয়ে পরছে। লক্ষ্মীবর্ধন ০৯ নং ওয়ার্ডের আনারসের সমর্থকরা প্রচারণা করতে গেলে তাদেরকে বাধাগ্রস্ত করে প্রতিহত করে। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী এস.এম. সিরাজুল ইসলাম বাসার তার সমর্থকদেরকে নির্বাচনী প্রচারণা না করে এবং কোন ঝামেলা না করে এলাকার শ্রান্তির জন্য তার সকল কর্মীদেরকে তার বাড়িতে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসেন।
নীলনকশার অংশ হিসেবে আজ ১৫ ডিসেম্বর সেনের হাট বাজারে দুপুর একটায় বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাশার বাজারে উপস্থিত হলে ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী সঞ্জয় দাস চেয়ারম্যান কে প্রশ্ন করেন তিনি এই বাজারের কেন আসছেন বাকবিতন্ডায় জড়ায় ও তার উপরে হামলার পরিকল্পনা করলেও বাজারে সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে সঞ্জয় দাস গা-ঢাকা দেয়। যাহার ভিডিও চিত্র সাংবাদিকদের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।
ঘটনাস্থলে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাশার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন বিভিন্ন হাট-বাজারে তার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে ও তার সমর্থকদের প্রচার প্রচারণায় বাধা গ্রস্থ করা সহ মারধর করা হচ্ছে। তিনি এসময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনার পাশাপাশি অবাধ ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানান।
দূর্গাপাশা ইউনিয়ন এর সর্বস্তরের জনসাধারণের একটাই দাবি আগত ইউপি নির্বাচনে এসএম সিরাজুল ইসলাম বাসার শিকদারকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন তারা।
যুবকরা দেখিয়ে দিয়েছে সমাজ পরিবর্তন কাকে বলে

প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৪০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার অধীনে ১৩ নং পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে সংগঠন টির নাম পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন সংগঠন।
প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গাজী সুফিয়ান ইউসুফ, পিতা বাবুল গাজী , গ্রাম পূর্ব মহেশপুর থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল এবং মোঃ বিল্লাল গাজী, পিতা রহমান গাজী, গ্রাম পূর্ব মহেশপুর থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল।
এই সংগঠনটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মুক্ত এবং একটি ইসলামিক সংগঠন, এই সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামে অনেক গরিব মিসকিন মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং অনেক সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছেন।
এবং রাস্তাঘাটের অনেক কাল সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা করানো হয় এবং সংগঠনের কার্যকলাপ দেখে গ্রামবাসী সবাই তাদের উপরে অনেক খুশি এবং সবাই মুগ্ধ। পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা গ্রামের অনেক উপকার হয়েছে অনেক পরিবর্তন হয়েছে দেখিয়ে দিয়েছেন সমাজ পরিবর্তন কাকে বলে।
এবং হিংসা-বিদ্বেষ ছাড়া সম্পূর্ণ স্বনির্ভর এবং স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠন এখানে সবাই স্বইচ্ছায় কাজ করে সমাজে অবহেলিত এবং সমাজে অনেক মানুষ থাকেন অনাহারী দুঃখসুখের তাই এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এই যুবক সমাজ সংগঠনটি গড়ে তোলেন।
গ্রামে অনেক মানুষ আছে এখনো যারা সরকারের থেকে কোন অনুদান পায় না সাহায্য চেয়েও দিনের-পর-দিন তাদের পিছু ধরে চলতে হয় কিন্তু তারপরও কোনো উপকারে আসে না মেম্বার চেয়ারম্যান আছে তারা ঠিকমতন দেখেনা এইসব অবহেলার কারণেই আজ যুবসমাজ এই সংগঠনটি গড়ে তোলেন
পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন এর গ্রুপের লিংক https://www.facebook.com/groups/1497167383966955/?ref=share
পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের পেইজের লিঙ্ক https://www.facebook.com/Emuo2021/


সময় আলোর পেজের মাধ্যমে আমরা সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী, পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের জন্য সবাই দোয়া করবেন আমাদেরকে যেন আল্লাহ আরো মানুষের উপকার করার তৌফিক দান করেন আমরা যেন গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে পারি, প্রচারে গাজী সুফিয়ান ইউসুফ প্রধান কর্মকর্তা ও মোঃ বিল্লাল গাজী সহকারি কর্মকর্তা
সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের আর্তনাদ
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার,২ডিসেম্বর২০২১,৪:৪৮ এএম। অনলাইন সংস্করণ
শিশুটির চিকিৎসার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রয়োজন ।
দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না, সাহায্য করতে না পারলেও দয়া করে পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে কোনো দানশীল ব্যক্তির নজরে আসে।
টাকার অভাবে অটো চালক বাবা মায়ের সন্তানের চিকিৎসা করতে পারছে না ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থানার আবায়পুর ইউনিয়নের জহরুল ইসলামের ছেলে মো সবুজ
শিশুটির বয়স মাত্র তিন বছর ।।
গত প্রায় চার মাস থেকে শিশুটির ক্যান্সার ধরা পরে।। এতদিন স্থানিয়ভাবে চিকিৎসা নিলেও ক্যান্সার ধরা পরায় এখন শিশুটির উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
তবে ডাক্তার বলেছেন শিশুটির উন্নত চিকিৎসা করানো হলে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব।
শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ২ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা, দরিদ্র বাব সামান্য অটো চালক এত টাকা কোথায় পাবে ?
স্থানীয়ভাবে এলাকাবাসী ও আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ টাকা ব্যবস্থা হয়েছে।
আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে আমাদের যার যা সামর্থ আছে তাই দিয়ে শিশুটিকে সাহায্য করি
আমরা প্রবাসে ও দেশে অবস্থানরত ধনীদের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম,
বিকাশ পার্সোনাল – 01854328218(বাবা জহরুল ইসলাম)
লাশবাহী গাড়ি সঙ্গে সংঘর্ষে লাশ হলেন যুবক
প্রকাশিত: সোমবার,২২ নভেম্বর ২০২১, ২: ৫৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
নাটোরের সিংড়ায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে রনি আহমেদ (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।
সোমবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৭টায় নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের শেরকোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রনি সিংড়া পৌর শহরের নিংগইন এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে ও শেরকোল এস আর ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল ৭টার দিকে বগুড়া মেডিকেল থেকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় যাচ্ছিল একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। ফিলিং স্টেশন থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রনি আহমেদ। শেরকোল আইসিটি পার্ক এলাকায় এসে অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রনি।
মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ইটবাহী ট্রাকের সঙ্গেও ধাক্কা লাগে অ্যাম্বুলেন্সের। এতে সর্বমোট ৫ জন আহত হন। পরে থানা ও হাইওয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় এবং আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সিংড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়েছে। তার লাশ মর্গে রয়েছে। আহতদের নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সমান অধিকারের নামে আপনি কি করছেন ভেবে দেখেছেন?
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার,১৮ নভেম্বর ২০২১, ৮: ৫২ এ এম,অনলাইন সংস্করণ।
আপনি মেয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ আপনার অপরাধ নয়। কিন্তু স্বাধীনতা চর্চার অজুহাতে আপনার প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!
আপনি মেয়ে, ঘরের বাহিরে বের হওয়া আপনার অপরাধ নয়, কিন্তু অধুনিকতার ফাঁদে পরে নিজের প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!
আপনিকি জানেন?
‘দাইয়ুস’ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
আর দাইয়ুস হলেন তিনি, যিনি পরিবারের লোকদের অশ্লীলতা (পর্দা না করা, অবৈধ সম্পকে জাড়ানো ইত্যাদি) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে উদাসীন।
আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, “যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” (সূরা নুর, ২৪:১৯)
পুরুষহিসেবেএইগুরুত্বপূর্ণবিষয়টিতেআমরাসম্পুর্ন_উদাসীন।
আরেকটু সময় থাকলে হাদিসগুলো পড়ে নিবেন-
“দাইয়ুস” এমন ব্যক্তি যে তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়। (মুসনাদে আহমাদ, নাসাঈ)
“দাইয়ূস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫, সহীহুল জামেঃ ৩০৫২)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির প্রতি মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন দৃষ্টি দিবেন না (রহমতের দৃষ্টিতে দেখবেন না), পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), পুরুষের বেশধারী নারী এবং দায়ূছ (স্ত্রীকে বেপর্দা ও পরপুরুষের সঙ্গে মিশতে দেয়া স্বামী যে স্ত্রী কন্যার পাপাচারে যে ঘৃণাবোধ করেনা।)
আর তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা – পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), মাদকাসক্ত ব্যক্তি (যে মদ্যপ তাওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করে) এবং দানকৃত বস্তুর খোঁটা দানকারী ব্যক্তি (দান করার পর যে দানের উল্লেখ করে গঞ্জনা দেয়।)” (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ২৫৬২)
এক দেশের গালি হয়ে যদি অন্য দেশের বুলি

আল হাদিস
একদিন নবি করিম সাঃ সাহাবিদের সামনে বললেন, নিঃসঙ্গ একাকী মানুষগুলো এগিয়ে গেলো। সাহাবিগণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ রাসূল সাঃ! একাকী মানুষ কারা? তিনি বলেন, আল্লাহর বেশি বেশি যিকরকারীগণ।
-মুসলিম, আস-সহিহঃ ৪/২০৬২
পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব।
প্রকাশিত,শুক্রবার,০৬ আগষ্ট ২০২১,০৯:২৫ পিএম,অনলাইন সংস্করন

সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ নিয়ে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। বাসা থেকে পরীমনিকে বিদেশি মদ ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটকের পর র্যাবের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
চিত্রনায়িকা পরীমনির গ্রেফতার হওয়ার পর বিষয়ে একে একে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য বের হয়ে আসছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে। সিনেমায় অভিনয়ের আড়ালে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হওয়া, মাদক গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
এসব তথ্যের মধ্যে পরীমনির ব্যবহৃত ফিয়াট অটোমোবাইলসের ‘মাসেরাতি’ ব্র্যান্ডের গাড়িটি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়িটি পরীমনিকে কে উপহার দিয়েছেন, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। যদিও পরীমনির ওই গাড়ি কেনার বিষয়ে বরাবর আত্মপক্ষ সমর্থন করেছেন। বলেছেন, তিনি গাড়িটি ব্যাংক লোন নিয়ে কিনেছেন।
গত ৪ আগস্ট নিজ বাসা থেকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয় পরীমনিকে। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা যায়, পরীমণি গাড়িটি ব্যাংক লোন অথবা ক্যাশ টাকা দিয়ে কেনননি।
দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ওই সম্পর্কের ভিত্তিতে পরীমনি তার কাছ থেকে গাড়িটি উপহার হিসেবে পেয়েছেন। সূত্র আরও জানায়, পরীমনির সঙ্গে সম্পর্ক থাকা ওই ব্যাংক চেয়ারম্যানের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তিনিও নজরদারিতে রয়েছেন। এছাড়া ওই ব্যাংকে পরীমনির বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেগুলো ইতোমধ্যে ফ্রিজ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৪ শে জুন তার সাদা রঙের হ্যারিয়ার গাড়িটি দুর্ঘটনায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। এর ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই তিনি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার রয়েল ব্লু-রঙের মাসেরাতি গাড়ি কেনেন। ইতালিয়ান অভিজাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিয়াট অটোমোবাইলসের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘মাসেরাতি’।
বানারীপাড়ায় লক্ষ টাকার ব্রিজ নির্মাণ
প্রকাশিত, বুধবার,২৮ জুলাই ২০২১,১০:০৭ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠিতে আয়রণ ব্রিজের স্থলে সুপারী গাছের সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বরিশাল জেলা পরিষদ পরিষদ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বানারীপাড়ার উদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব উদয়কাঠি মুন্সি বাড়ির সামনে একটি আয়রণ ব্রিজ নির্মাণের জন্য লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় পূর্বের বাঁশ ও সুপারি গাছের সাঁকো সংস্কার করে চারটি লোহার ভিমের ওপর তিনটি সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।
সেখানে থাকা নামফলকে উদয়কাঠির মুন্সি বাড়ির সামনে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এক লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আয়রণ ব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন ও অর্থায়নে জেলা পরিষদ লেখা রয়েছে।
এ সংক্রান্ত বরাদ্দের নামফলকে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা থাকার কথা থাকলেও অর্থায়নে ও বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের নাম লেখা রয়েছে।
একদিন চলে যেতে হবে
বিহারীপুরে রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগ জনসাধারণের
প্রকাশিত,রবিবার,২৫ জুলাই ২০২১,১২:১৫ পিএম।অনলাইন সংস্ককরন।
১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে পাকা রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে মাদ্রাসা ,স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের।
পাকা রাস্তা না থাকায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ডের, এবিএম আনছার উদ্দিন মাওলানা প্রতিষ্ঠাতা, বিহারীপুর হোসেনিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা হইতে ,
এবং দক্ষিণ বিহারিপুর বড় খান বাড়ির সামনে থেকে মোঃখালেক হাং এর বাড়ীর পাশ থেকে আনন্দবাজার হইয়া লোচনাবাদ আবুল কালাম এর বাড়ী পর্যন্ত, পাকা রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সহ এলাকার জনসাধারণের।
বর্ষার সময় কাচা রাস্তার উপর হাটু সমান কাদা হয় , ভোগান্তিতে পড়েছেন মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও।
রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ২নং বিহারীপুরে এই রাস্তাটা দীর্ঘ দিন ধরে বোতরা টু কালীগন্জ বাজার মেইন রোড হিসাবে ব্যবহার হয় এই রাস্তা দিয়া প্রতিদিন শত শত লোক চলাচল করে এই রাস্তার কোন খোজ খবর নেয় না এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যান। তাই সাধারণ মানুষের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
বিহারীপুরের এই মাটির রাস্তাটি অতি প্রয়োজন মনে করছেন ওই এলাকার স্থানীয় লোকজন।
বর্তমানে এই রাস্তা দিয়া চলাচল করা যে কতটা কষ্ট কর তা শুধু এই এলাকার মানুষই জানে।
এলাকাবাসী বলেন, গর্ভবতী মহিলাদের হাসপাতালে নিতে অনেক কষ্ট হয় একজন ব্যক্তি যদি অসুস্থ হয় তাকে হাসপাতালে নেওয়া কষ্ট কর, রাস্তায় থাকে হাটু সমান কাদা ও বন্যার সময় রাস্তায় উপর থাকে হাটু সমান পানি। বাচ্চাদের স্কুলে যেতে পারেনা সময়মত, কাদার জন্য হাটতে পারে না ।
এবং রাস্তায় চারপাশে রয়েছে ৩ টা প্রাইমারী স্কুল ৩ টা মাদ্রাসা ১ টা হাইস্কুল রয়েছে ছোট ছোট শিশুদের স্কুল মাদরাসায় যেতে ভোগান্তির শেষ নাই,
এই রাস্তাটা অতি প্রয়োজন এতে আমরা অনেক উপকৃত হই। তাই রাস্তা নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উদ্ধতন কতৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সুদৃষ্টি রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী’রা।
রাস্তাটি নির্মাণ হলে স্কুল মাদ্রাসার লেখাপড়ার মান আরো বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও যাতায়াত সহ জীবন মান উন্নয়ন পরিবর্তন হবে এই এলাকার জনসাধারণের|
শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে কঠোর লকডাউন চলবে।
- প্রকাশিক,বৃহঃপতিবার,২২ জুলাই ২০২১,০৭:৫৫পিএম,অনলাইনসংস্করন।

আগামী ২৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউন চলবে। এ সময় গার্মেন্টসহ সব ধরনের শিল্পকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন বিশেষ করে বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। রাজধানী ঢাকা থাকবে বিচ্ছিন্ন।
এতে বলা হয়, কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণাসহ বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করা করেছে। চিঠিতে বিধি-নিষেধ আরোপকালীন সচিবদের অধীনস্থ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দপ্তরের সরকারি কর্মচারীকে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন শুরু হবে। কয়েক দিন আগে লকডাউনসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কোরবানি ঘিরে আমাদের বিশাল অর্থনীতি রয়েছে। সব কিছু বিবেচনা করে চলাফেরার ওপর বিধি-নিষেধ শিথিল করতে হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যত দিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় তত দিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৩. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। ১৭. খাবারের দোকান, হোটেল- রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে। ১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে। ২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। ২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয়সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। লকডাউনে খোলা থাকবে ৩ খাত : ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে শুধু তিনটি খাত।
খাতগুলো হলো- খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ মিলকারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প। প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে বর্তমানে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর লকডাউন দিয়েছে সরকার।
রাজপুত্র পালঙ্কে ঘুমায় মা পান সুপারি বিক্রি করে
প্রকাশিত: মঙ্গলবার,১৩ জুলাই ২০২১,০৯:১৫ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

রাজপুত্র তাকবীরকে সড়কের পাশে রাজপলঙ্কে ঘুম পাড়িয়ে মা সুমি আক্তার পান-সিগারেট বিক্রি করছে।
তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা, ১০ জুলাই
ছবি:
১৬ কোটি মানুষের রাজধানী ঢাকা এই শহরে কত মানুষ আছে যারা দিন আনে দিন খায়,কেউ ভাত মাছ মাংস খায় কেউ নুন ভাত আলুভর্তা খায়, তারপর কেটে যায় তাদের দিন কেউ হয়তো কাটে আরাম-আয়েশে কেউ হয়তো কষ্টের ।
যাইহোক যদি এই ভাত মাছ বা নুন ভাত আলুভর্তা খাবার জোগানোর পথ যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কেমন হয় ? এই করোনাকালীন সময় অনেক মানুষ রাস্তার ফকির হয়ে যায়।
কেউ হয়তো মুখ খোলে মানুষের কাছে হাত পেতে চাইতে পারে কেউ হয়তো মুখ খুলে মানুষের কাছে চাইতে পারেনা মনের কষ্ট মনে নিয়ে চলে ,কেউ হয়তোবা লজ্জা-শরম ফেলে রাস্তার কুলে কাজকর্ম নিয়ে বা কিছু নিয়ে বিক্রি করার জন্য বসে ।
তেমনি একজন দেখা গেছে রাজধানীর তেজকুনিপাড়া মা কোলের শিশুকে রাস্তার পাশে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পান-সিগারেট এসব বিক্রি করে ।
দৃশ্যটি দেখে অনেকেরই মনে কষ্ট লাগে সুমি আক্তারের এভাবেই দিন কেটে যায় জানিনা এই কষ্টের শেষ কোথায় তাই সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন সবাইকে এই করোনার প্রভাব কাটিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ দেন
বাকেরগঞ্জ থানার সামনে ঝুলন্ত যুবকের লাশ
প্রকাশিত: সোমবার,১২ জুলাই ২০২১,০৩:২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বাকেরগঞ্জ থানার সামনে মিনিস্টার হিস্ট্রি সপে যুবকের ঝুলন্ত লাশ,
বাকেরগঞ্জ থানার সামনে মিনিস্টার হিস্ট্রি সপে রাকিবুল ইসলাম (২৫) পিতা জানে আলম নামে বরিশাল ভাটিখানা নিবাসী এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে।
নিহত যুবক একই দোকানের ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুর আগে দোকান মালিক সাজ্জাদ হোসেনকে ভাই সম্মোধন করে একটা চিরকুট লিখে রেখে যান।
সেখানে পরিবারিক অসন্তোষের বিষয় টি উল্লেখ করে সবার নিকট ক্ষমা চেয়েছেন। নিহতের লাশটি দুপুর ১২ টার দিকে থানা পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মেডিকেল প্রেরণ করেন।
এ বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি আলাউদ্দিন মিলন জানান বিষয় টি কি ঘটছে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে নিহতের শরীরে অন্য কোনো আহতদের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে মিনিস্টার শোরুমের ম্যানেজার সাজ্জাদ জানান, কয়েক মাস আগে আকাশ তাদের এখানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ শুরু করে। সোমবার সকালে তিনি দোকানে এসে দেখেন, ভেতর থেকে সাটার বন্ধ। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আলাউদ্দিন মিলন বলেন, আকাশ শোরুমের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। দোকানের ভেতরে তার লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।
ধারণা করা হচ্ছে পরিবারিক কোলহের জেরে এমন ঘটনার সূত্র, তারপর ও বিষয় টি গুরুত্বর বিবেচনা করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সরকার প্রথমবারের মতো ওয়েটব্ল চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়েছে।
প্রকাশিত:রবিবার,১১ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৫ পিএম। অনলাইন সংস্করন
সরকার প্রথমবারের মতো পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ বর্গফুট করে মোট ১ কোটি বর্গফুট ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়েছে। গতকাল শনিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের (রফতানি-১ অধিশাখা) আমদানি ও রফতানি নিয়ন্ত্রক দফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রককে দেওয়া চিঠিতে এসব প্রতিষ্ঠানকে ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়।
চামড়া রফতানির অনুমতি পাওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- এএসকে ইনভেস্টমেন্ট, মেসার্স কাদের লেদার কমপ্লেক্স, আমিন ট্যানারি লিমিটেড, লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউনিট-২) এবং কালাম ব্রাদার্স। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০ লাখ বর্গফুট করে মোট ১ কোটি বর্গফুট ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতিপত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এগুলো হলো- রফতানি নীতি ২০১৮-২১ অনুসরণ করতে হবে।
শুধু রফতানির অনুমতিপ্রাপ্ত ওয়েট-ব্লু চামড়ার নির্ধারিত পরিমাণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী রফতানির জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে। মানসম্মত ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানি করতে হবে। অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে রফতানি করতে হবে। জাহাজীকরণ শেষে রফতানি সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র এ শাখায় দাখিল করতে হবে।
যে দেশে রফতানির জন্য অনুমতি রয়েছে, ওইসব দেশেই রফতানি করতে হবে। সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানি নিষিদ্ধ করতে পারবে।
প্রতি শুক্রবার শরীরে পবিত্র কোরআন বা হাদিসের একেকটা আয়াত ভেসে ওঠে!
প্রকাশিত, বুধবার, ৩০ শে জুন ২০২১, ০১:০৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণে

উত্তর রাশিয়ার দাগিস্তানে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয় শিশু আলিয়া ইয়াকুব। প্রতি শুক্রবার তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ত্বকের নীচে জমাট রক্তের মতো হরফে পবিত্র কোরআন বা
হাদিসের একেকটা বানী লেখা ভেসে ওঠে। এর স্থিরচিত্র বিভিন্ন মানুষ তুলে রাখেন। বাড়িতে একটি অ্যালবামের প্রদর্শনী খোলা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের একটি টেলিভিশন শিশুটির মায়ের সাক্ষাৎকার নেয়।
শিশুটির মা টেলিভিশনটিতে বলেন, ‘যে সময় তার দেহে আয়াত বা হাদিস ভেসে ওঠে এর আগে তার অনেক জ্বর আসে। সে সময় সে প্রচণ্ড কান্না করতে থাকে।
এরপর লেখাগুলো ভেসে উঠলে জ্বর কমে এবং কান্না থেমে যায়। দুধ পান করার সময়ও সে খুব শান্ত থাকে। ভিডিওটিতে শিশুটির নানা অঙ্গে আয়াত ও হাদিসের কিছু চিত্র দেখা যাবে। কিছু স্থিরচিত্র প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘এটি আল্লাহর কুদরত ও মহানবী স-এর মুজিযা। যে কোনও কারণে আল্লাহ তা তার বান্দা অথবা প্রকৃতির মধ্যে প্রকাশ করে থাকেন। যাতে মানুষ শিক্ষা গ্রহণ ও ঈমান মজবুত করতে পারে।’
অনেকে বলছেন, ‘এটি ইমাম মাহাদির আগমনের অন্যতম নমুনা। কিয়ামতের নিদর্শনও হতে পারে এটি। শিশুটির পেটে ‘আল্লাহ’ গলায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে ও কানে আল্লাহর নাম।
পা থেকে উরু হয়ে কোমর পর্যন্ত লম্বা লেখাটি হচ্ছে একটি হাদিসের বানী। যার অর্থ, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে হাসতে কম কাঁদতে বেশি।’ টিভিতে বলা হয়, প্রতিদিন আলিয়া ইয়াকুবদের বাড়িতে গড়ে ২ হাজার লোক বিস্ময়কর এ ঘটনা দেখতে আসেন।
আগামীকাল থেকে শুরু কঠোর লকডাউন
প্রকাশিত, বুধবার, ৩০ শে জুন ২০২১, ১২:২৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণে

আগামীকাল বৃহ্স্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন। এই সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস বন্ধ থাকবে। মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনী।
আগামী ১ জুলাই থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে ‘কঠোর লকডাউন’। সপ্তাহব্যাপী এই ‘কঠোর লকডাউনে’ সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ঘরের বাইরে আসা যাবে না, থাকবে না মুভমেন্ট পাসও। সোমবার (২৮ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এই সময়ে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ১-৭ জুলাই পর্যন্ত খুবই ‘স্ট্রিক্ট ভিউতে’ যাচ্ছে।
জানা গেছে, কঠোর লকডাউনে দোকানপাট, শপিংমল সব বন্ধ থাকবে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকতে পারে। জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে।
জান্নাতে আল্লাহর সাথে দেখা করার সময়
প্রকাশিত, শনিবার, ১২ জন ২০২১, ০১: ২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
জান্নাতীরা জান্নাতে নিজ গৃহে অবস্থান করবেন । এমন সময় দরজায় কেউ কড়া নাড়বে। দরজা খুলে দেখবেন একজন ফেরেস্তা দাঁড়িয়ে । তিঁনি বলবেন ‘চলো আল্লাহ সুবহানাহু ওতায়ালার সাথে দেখা করে আসি।
তিনি তখন খুবই উল্লসিত হয়ে বের হয়ে এসে দেখবেন খুব সুন্দর একটা বাহন তাঁর জন্য প্রস্তুত । বাহন ছুটে চলবে খুব বিস্তৃত নয়নাভিরাম মাঠ দিয়ে যা স্বর্ণ আর মণি মুক্তা খচিত পিলারে সাজানো ।
জান্নাতিরা খুব পরিতৃপ্তি নিয়ে ছুটবে । এমন সময় আলো দেখবে আলোর পর আরো আলো । তারপর আরো আলো ।
জান্নাতীরা তখন উল্লসিত হয়ে ফেরেস্তাদের জিজ্ঞেস করবেন ‘ আমরা কি আল্লাহকে দেখেছি ?’
না, আমরা সে পথেই ছুটছি । ফেরেস্তা বলবেন ।
হঠাৎ জান্নাতীরা শুনবেন গায়েবী আওয়াজ –
- আস সালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল জান্নাহ *
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা স্বয়ং সালাম দিচ্ছেন জান্নাতীদের ।
খুবই আবেগময় হবে সে মুহূর্তটা !!!
আল্লাহু আকবার ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালার সালামের জবাবে তখন জান্নাতীরা বলবেন,
আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম, ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
[হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময় এবং আপনা হতেই শান্তি উৎসারিত হয়।। আপনি বরকতময় হে মহান ও সম্মানের অধিকারী। ]
তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা জিজ্ঞেস করবেন,
তোমরা কি খুশী ? তোমরা কি সন্তুষ্ট ?
ও আল্লাহ, জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে আমাদের আপনি জান্নাত দিয়েছেন ! আমরা অসন্তুষ্ট হই কি করে !
জান্নাতীরা জবাব দিবেন ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন জিজ্ঞেস করবেন,
তোমাদের আর কি চাই ?
তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) বলবেন- আর কিছু চাই না ।
না না । আজ তো দেয়ার দিন । আমি আরও দিব । বলো কি চাই ।
তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) সমস্বরে বলে উঠবেন-
ও আল্লাহ, আমরা আপনাকে দেখতে চাই ।
আপনাকে দেখি নি কখনও । আপনাকে আমরা ভালবাসি ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন পর্দা সরিয়ে দেবেন ।
সৃষ্টি এবং স্রষ্টা মুখোমুখি । চোখ বন্ধ করে একটু চিন্তা করুন । সারাজীবন দুনিয়াতে যাকে ডেকেছেন । যাকে না দেখে চোখ দুটো অঝোরে কেঁদেছেন । কাউকে না বলা আপনার একান্ত কথাগুলো যাকে বলেছেন । খুব বিপদে কেউ নেই পাশে, কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন।
পকেট ফাঁকা, ঘরে খাবার নেই, অনিশ্চিত উৎস থেকে খাবারের ব্যবস্হা যিনি করেছেন । কত চাওয়া, মাকে বলেন নি, বাবাকেও না , রাতের আঁধারে কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন ।
কত অপরাধ করেছি, কেউ দেখে নি । একজন দেখেছেন কিন্তু গোপন রেখেছেন । বারবার ভুল করেছি, যিনি মাফ করে দিয়েছেন, অদৃশ্য ইশারায় সাবধান করেছেন । মমতাময়ী মা, আমার আদরের সন্তান, প্রিয়তমা স্ত্রীর ভালবাসা দিয়ে অদৃশ্য ভালবাসায় আমাকে যিনি ভালবেসেছেন সবচেয়ে বেশী । সবচেয়ে আপন, সুমহান সেই প্রতিপালকের মুখোমুখি …।
সাহাবীদের প্রশ্নের জবাবে নবীজী বলেছেন , পৃথিবীতে আমরা যেমন চাঁদকে স্পষ্ট দেখি , আমরা আল্লাহ সুবহানু তায়ালাকে তেমনি দেখব । ইনশাআল্লাহ ।
এ যে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নেয়া নেয়ামাহ্ !
ইয়া আল্লাহ – স্বল্প সংখ্যক সেই মহা সৌভাগ্যবানদের তালিকায় আমাদের নামটা যোগ করে দিন ।আমিন 🤲
ধার্মিকতার গোপন সূত্র জেনে নিন
প্রকাশিত,বুধবার,০৯ জুন ২০২১,০৩:৫৮ পিএম অনলাইন সংস্করণ
পা পিছলে নদীতে পড়ে পুলিশের (এসআই) কর্মকর্তার মৃত্যু।
প্রকাশিত: রবিবার,৬ জুন ২০২১,০৬:২০ পিএম, অনলাইন সংস্করণ

রাজধানী ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পন্টুন থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মর্যাদার এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (০৬ জুন) সকালে সদরঘাট টার্মিনালের ৮ নম্বর পন্টুনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ কর্মকর্তা নাম শাওলিন আকিব (২৮)। তিনি যাত্রাবাড়ির কাজীরগাও এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক :: রাজধানী ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পন্টুন থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মর্যাদার এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (০৬ জুন) সকালে সদরঘাট টার্মিনালের ৮ নম্বর পন্টুনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ কর্মকর্তা নাম শাওলিন আকিব (২৮)। তিনি যাত্রাবাড়ির কাজীরগাও এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
সদরঘাট নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদ সাংবাদিকদের জানান, নিহত শাওলিন আকিব ঢাকা জেলা এসবিতে কর্মরত ছিলেন। বরিশাল থেকে লঞ্চে করে আসা তার আত্মীয়কে রিসিভ করতে আজ সকালে তিনি সদরঘাটে যান। কিন্তু বৃষ্টি হওয়ার কারণে পন্টুন পিচ্ছিল ছিল। পন্টুনে গেলে অসতর্কতাবশত পা পিছলে নদীতে পড়ে যান আকিব।
নদীতে পড়ে গেলে আকিবের মাথার পেছনে আঘাত পেয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরে তার লাশ উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
একই রশিতে প্রেমিক প্রেমিকার লাশ
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুন ২০২১, ০৯:৪৫ পিএম, অনলাইন সংস্করন

পটুয়াখালীতে একই রশিতে গলায় ফাঁস দিয়ে সোহেল (১৯) এবং নাসরিন আক্তার (১৩) নামের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। আজ শনিবার (৫ জুন) সকালে সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বিরাজলা গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ির গাছ থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃত প্রেমিক সোহেল বিরজলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। মৃত নাসরিন একই গ্রামের হাবিব মিয়ার মেয়ে। সে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরে দুই কিশোর-কিশোরীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। তারা দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই বোন। পুলিশ ধারণা করছে, ভোর রাতে তারা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার মোর্শেদ বরিশালটাইমসকে জানান, পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরবর্তীতে তা ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
তবে কী কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক নিশ্চিত কিছু বলতে না পারলেও স্থানীয়রা বলছে, সম্ভবত তাদের সম্পর্কের বিষয়টি উভয় পরিবার জেনেছে, কিন্তু মেনে নেয়নি। এই কারণে তারা আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে।’
বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি হলে তাও ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।।
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুন ২০২১,০৯:১০ পিএম,অনলাইন সংস্করন

কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীর বেতন ১৫ হাজার টাকার বেশি হলে তাও ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাসিক বাসা ভাড়া প্রদান বাধ্যতামূলক করছে সরকার। আগামী অর্থবছর থেকে এ নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে।





অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে আজকের ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করতে পারেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে।





বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতনধারী কর্মীদের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বরের (টিআইএন) জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এ ছাড়া তাদের আয়কর দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অপরদিকে বর্তমানে ২৫ হাজার টাকা বাসা ভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদানের নির্দেশনা রয়েছে।





এনবিআরের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে কাজ করছে সরকার। নতুন এই প্রস্তাব পাস হলে অন্য কোনো উপায়ে অর্থ লেনদেনের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। এটি অমান্য করলে জরিমানাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এনবিআর।





জরিমানার পরিমাণ পরিশোধযোগ্য ট্যাক্সের ৫০ শতাংশ বা কমপক্ষে পাঁচ হাজার টাকা হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ অর্থনীতির জন্য ভালো ফল বয়ে নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।





এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘অনেক বাড়ির মালিক ঠিকভাবে ট্যাক্স পরিশোধ করে না। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বেতনের সঠিক তথ্য প্রকাশ করে না। এই উদ্যোগ সুশাসন নিশ্চিতে সহায়তা করবে।’ যদিও এর বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।





তিনি বলেন, ‘এনবিআর এর আগেও এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। জরিপও করা হয়েছে। কিন্তু ফলাফল কার্যত শূন্য। এই উদ্যোগ অনুমোদন পেলে এটি বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে হবে এনবিআরকে।’
প্রতিবন্ধী স্কুল গুলো এমপিওভুক্ত করার লক্ষে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অবস্থান জাতীয় প্রেসক্লাব
প্রকাশিত: বৃহষ্পতিবার, ৩ জন ২০২১,১১:১০পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু আছে। এই শিশুদের জন্য সরকার স্কুলও করেছে। এর বাইরেও অনেক স্কুল আছে যারা মাসিক বেতনের আওতাভুক্ত নয়।
তাদের বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গত দু’দিন মানববন্ধন করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। তাদের দাবি সরকার যেন তাদের বিদ্যালয়গুলো মাসিক বেতনের আওতাভুক্ত করে এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেয়।
যখন আমরা প্রতিনিয়ত বাংলা ভাষা বিকৃত করে চলেছি, তখন ওরা স্বপ্ন দেখে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলার। তাদের আজকের এই আকুতিই ছিল সেদিনের ভাষা শহীদদের প্রেরণা।
চলো প্রানের ভাষা বাংলাকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ করে যাই প্রতিদিন।যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে তারা স্বপ্ন দেখে বাংলা বলার!”
সেই সকল ভাষা শহীদদের এবং বাংলা ভাষার প্রতি দারাজ বাংলাদেশ জানায় বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া চাকরি নিয়েছেন।
প্রকাশিত: বৃহ:পতিবার, ৩ জুন ২০২১,১০:৫ পিএম। অনলাইন সংস্করন

অনলাইন ডেস্ক দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। মডেল হিসেবে যাত্রা করে শোবিজে নিজেকে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন অভিনেত্রী হিসেবে। নিয়মিতই কাজ করেন নাটক-টেলিছবিতে। দেখা মিলেছে তার সিনেমাতেও। ‘দেবী’ সিনেমায় নীলু চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন ছুঁয়েছেন তিনি।
এই তারকা এবার চাকরি নিয়েছেন। নিজেই ফেসবুকে তথ্যটি ভাগাভাগি করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে।
ই-কমার্স প্লাটফর্ম ইভ্যালির প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শবনম ফারিয়া। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া এবং কমিউনিকেশন প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন এই অভিনেত্রী।
গণমাধ্যমে শবনম ফারিয়া জানান, গেল ১ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। তার মন্তব্য, ‘চাকরি এবং অভিনয় দুটোই চলবে। নতুন চাকরিতে হোম অফিস ৩ দিন করে। অফিসে যেতে হবে ৩ দিন। আশা করছি নতুন এই দায়িত্ব উপভোগ্য হবে।’
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই মডেলিং ক্যারিয়ারে আলো ছড়ানো শবনম ফারিয়ার নাটকে অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালে আলদান আল রাজীবের ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটক দিয়ে।
২০১৮ সালে জয়া আহসান প্রযোজিত ‘দেবী’ চলচিত্রে অভিনয় করে বড় পর্দায় অভিষিক্ত হন।
করোনায় মৃত পুলিশের পরিবার পেল সরকারি ঘর
প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪২ এ এম। অনলাইন সংস্করন

বেতাগীতে করোনায় মৃত এএসআই খালেকের পরিবার পেল ঘর
এএসআই খালেকে ১৬ বছর চাকরি পুলিশে। এরপরও দালান বা পাকা বাড়ি দূরের কথা, পুরোনো বাড়িঘর মজবুত করে মেরামতই করতে পারেননি পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল খালেক (৩৬)। ঢাকার মিরপুর পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মরত এই পুলিশ কর্মকর্তা ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল রাজধানীর একটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জেলা পুলিশের সদস্যরা বরগুনার বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামে তাঁর গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন করতে গিয়ে দেখেন, এই এএসআইয়ের পরিবারের করুণ অবস্থা। ১৬ বছর পুলিশের চাকরিজীবনে বসবাসযোগ্য একটি ঘরও নির্মাণ করতে পারেননি আব্দুল খালেক। এমতবস্থায় তার হঠাৎ মৃত্যুতে তিন সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী ফাতিমা বেগম।
এ মানবেতর পরিস্থিতি জানার পর বরগুনার তৎকালীন পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন নিহত এএসআই খালেকের পরিবারের জন্য একটা ছোট বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার কথা দেন। সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হয়েছে খালেকের পরিবারের। বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী গ্রামে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে খালেকের পরিবারকে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু খালেকের পরিবারের হাতে নবনির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর করেন।
জানা যায়, আব্দুল খালেক ২০০৪ সালে কনস্টেবল পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে পদোন্নতি পান। চাকরি পাওয়ার আগে নিজ এলাকার একটি মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। চাকরি জীবনেও বিভিন্ন স্থানে কর্মরত অবস্থায় তিনি ইমামের দায়িত্ব পালন করেছেন। দরিদ্র পরিবারের সন্তান আব্দুল খালেক চাকরিও করতেন স্বল্প বেতনে। তাই স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মাথা গোঁজার জন্য একটি ঘরও বানিয়ে যেতে পারেননি তিনি।
নিহত এএসআই আব্দুল খালেকের স্ত্রী ফাতিমা বেগম বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে সন্তানদের নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ি। এই দুরবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে বাংলাদেশ পুলিশ উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ঢাকার মিরপুর পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কর্মরত অবস্থায় আব্দুল খালেক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তাঁর পরিবার। তাঁদের বাসযোগ্য ভালো বাড়িও ছিল না। তাঁদের এই দুরবস্থা দেখে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।
বাকেরগঞ্জের কসাই ডাক্তার মনিরুজ্জামানের কেলেঙ্কারি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১, ১১:২০ এএম। অনলাইন সংস্করণ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম খানকে তুচ্ছ ঘটনায় গ্রেফতার করে সাজানো মামলায় জেল হাজতে প্রেরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সূত্রে মতে, ২৪ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর আনুমানিক ১ঃ৩০ মিনিটের সময় পরিবারের সব সদস্য ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন এমনতবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা কালামের আরাই বছরের মাসুম বাচ্চা তাসকিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান ছাত্রলীগ নেতা খান কালাম।
বাচ্চার মা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় স্যালাইন রত অবস্থায় ছিলো হঠাৎ বাচ্চাটি দুই বার বমি এবং দুইবার পাতলা পায়খানা করে, বিছানায় ঢলে চোখ তারীয়ে পড়ে, বাচ্চার এ অবস্থা দেখে কিংকর্তব্য বিমূর্ত হয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটিকে কাদের উপর নিয়ে দুপুরবেলা প্রচন্ড গরম ও লকডাউন উপেক্ষা করে, গাড়ি না পেয়ে,২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে তাড়াহুড়ো করে জরুরি বিভাগে ঢুকে পরেন বাচ্চা বাবা উপজেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম।
তখন কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে গিয়ে বিনিত অনুরোধ করেন,আমার বাচ্চাটিকে বাঁচান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার বাচ্চাটিকে গুরুত্ব না দিয়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার দিকে তাকান আমি মাক্স পড়া আপনার ম্যাস্ক কই, ম্যস্ক পরে আসেন নি কেন? আগে সেটা বলেন তারপর আপনার বাচ্চার ভর্তি নেবো কি নেবো না সেটা পরে দেখা যাবে। বাচ্চাটিকে অন্য এক মহিলার কাছে দিয়ে বাহির থেকে মাস্ক কিনে ব্যাবহার করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন।
তখন ডাঃ মনিরুজ্জামান খান বাচ্চা টিকে ভর্তি নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এক পর্যায় ভর্তি নিতে না পারলে ক্যানোলা পরিয়ে দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন বাচ্চার বাবা আবুল কালাম। কিন্তু তার কথায় কর্নপাত না করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্থ হয়ে যান ডাক্তার। এহেন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পরলে ঘটনার এক পর্যায় ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দিতে চেষ্টা চালালে ঘটনাটি হাতাহাতিতে গড়ায়।
পরবর্তীতে সেখানকার উপস্থিত সবাই ছুটে এলে। পরিস্থিতি, শান্ত হয়। এ সময়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে থাকা বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুসফিকুর রহমান দোলন সহ সেচ্ছাসেবী সংগঠনে সদস্যরা,ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান কে বুঝাতে চেষ্টা করে ।
বাকেগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ আকন একাধিক বার বুঝালেও ডাক্তার শুনতে নারাজ। সুত্রে জানাজায়, ছাত্র লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম কে আটকের পরে ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে ছুটে জান আবুল কালামের সন্তান সহ অসুস্থ স্ত্রী, হাজারো বুঝিয়েও পাষণ্ড ডাক্তারের মন গলাতে পারেন-নি। তিনি তার কোন কথা শুনেনি। বাসস্ট্যান্ডে চা দোকানি আঃ ছালাম জানান আবুল কালাম কে বরিশালে নেয়ার পথে অসুস্থ সন্তানদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস এক হয়ে যায়,কেঁদেছে পথচারীরা।
স্থানীয় অনেকের মতে, এমন ঘটনা বাকেরগঞ্জ সর্বস্তরের মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থ হয়ে মানুষ চিকিৎসার জন্য একজন ডাক্তারের কাছে ছুটে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। হয়ত কালাম খান অসুস্থ সন্তানকে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসতে গিয়ে মাস্ক ব্যবহার করতে সে ভুলে গেছেন।
কিন্তু একজন ডাক্তার বিষয়টি নমনীয় ভাবে মেনে না নিলে উল্টো মিথ্যে মামলায় অসুস্থ সন্তানের বাবা কে জেল হাজতে পাঠিয়ে অমানুষিক চিন্তা ভাবনার পরিচয় দিয়েছেন ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান। এমন ঘটনায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণ ডক্টর মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহারের দাবি জানায়।
ছাত্রলীগ নেতা কালাম গ্রেফতার, প্রশাসনের নাটকীয় চমক
প্রকাশিত:সোমবার,২৭ এপ্রিল ২০২১,০১:১৫ এএম।অনলাইন সংস্করন

বাকেরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা কালাম খানকে গ্রেফতার করে প্রশাসনের নাটকীয় চমক।
বাকেরগঞ্জ ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম খানকে তুচ্ছ ঘটনায় গ্রেফতার করে মিথ্যা অভিযোগে কোর্ট হাজতে প্রেরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায় গতকাল ২৪ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর আনুমানিক একটার দিকে পরিবারের সব সদস্য ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন এমনতবস্থায় ওর মাসুম বাচ্চাটাও হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। বাচ্চার মা ডায়রিয়ায় বাসায় স্যালাইন রত অবস্থায় হঠাৎ বাচ্চাটির দুই বার বমি এবং দুইবার পাতলা পায়খানা হলে বাচ্চাটি বাসায় বিছানায় ঢলে পড়ে,
বাচ্চার এ অবস্থায় কিংকর্তব্য বিমূর্ত হয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটিকে কাদের উপর নিয়ে দুপুরবেলা প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে, অন্যদিকে লকডাউন থাকার কারণে কোন গাড়ি না পেয়ে, পায়ে হেঁটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে তাড়াহুড়ো করে জরুরি বিভাগে ঢুকে পরেন।
তখন কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুজ্জামানের কাছে গিয়ে বিনিত অনুরোধ করেন, বাচ্চাটিকে বাঁচান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার বাচ্চাটিকে গুরুত্ব না দিয়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার দিকে তাকান আমি মাক্স পড়া আপনার ম্যাস্ক কই, ম্যস্ক পরে আসেন নি কেন? আগে সেটা বলেন তারপর আপনার বাচ্চার ভর্তি নেবো কি নেবো না সেটা পরে দেখা যাবে।
তখন বাচ্চাটিকে অন্য এক মহিলার কাছে দিয়ে পকেটে থাকা ম্যস্কটি পরে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন। তখন সে ভর্তি নিতে অপরাগতা শিকার করেন। এক পর্যায় ভর্তি নিতে না পারলে ও ক্যানোলা পরিয়ে দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন। কিন্তু তার কোনো কথায় কর্নপাত না করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্থ হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পরলে ঘটনার এক পর্যায় ডাঃ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দিতে চেষ্টা চালালে ঘটনাটি হাতাহাতিতে গড়ায়।
পরবর্তীতে সেখানকার উপস্থিত সবাই ছুটে এলে। পরিস্থিতি, শান্ত হয়। এ সময়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে থাকা লোকজন বিস্তারিত শুনে ডাঃ কে শান্ত করে বুঝিয়ে চিকিৎসা সেবা দেবার অনুরোধ করেন তাতেও কাজ হয়নি। এমন কি ঘটনা স্থলে উপস্থিত পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আকন বিনীত অনুরোধ করছেন তাতেও মন গলেনি।
অবশেষে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় ক্লিনিকে এনে মুমূর্ষু বাচ্চা টিকে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা দেন। বিষয় টি নিয়ে গতকাল অনেক তোলপাড় সৃষ্টি হলে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা সহ একধিক পত্রিকায় প্রশাসনের বরাত দিয়ে লেখালেখি হয়। সেখানে ও ডঃ মনিরুজ্জামানের বিষয় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে।
তা সত্বেও স্থানীয় প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপে চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুর ভাবে অদ্য দুপুরে ক্লিনিকে যাওয়ার সময় ৪/৫ জন এস আই সহ পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্যরা মিলে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওকে গ্রেফতার করে তড়িঘড়ি থানায় এনে কোনো নিয়ম নীতির তোয়াজ না করেই মহিলা ডাঃ এর সাথে গ্যানজামের এক কাল্পনিক গল্প সাজিয়ে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় হতবাক স্থানীয় ছাত্রলীগ সহ সচেতন মহল তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে। অনতিবিলম্বে ঘটনার মানবিক দিক বিবেচনা করে। দ্রুত নিঃশ্বর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই মেডিকেলে দায়িত্ব রত ডাঃদের দ্বারা প্রতিনিয়ত এমন অমানুষিক নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অনিয়ম দুনীতিতে ভরপুর বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নিয়ে ইতিপূর্বে বহুবার লেখা লেখি হলেও ব্যবস্থা নেবার নজির সৃষ্টি করতে পারেনি কতৃপক্ষ অথচ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এমন নজিরবিহীন তৎপরতায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
বরিশালে বাকেরগঞ্জে মসজিদের সভাপতিকে লাঞ্ছিত
প্রকাশিত: রবিবার,২৫ এপ্রিল ২০২১,০৬:০০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুরের স্থানীয় এক মসজিদ কমিটির সভাপতিতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে সুদ ব্যবসায়ীরা।
বিসমিল্লাহ বাজার জামে মসজিদের সভাপতি মো. শাহ আলম বেপারী (৭০) সুদের কুফল তুলে ধরে মন্তব্য করায় তাকে ব্যবসায়ী হারুন ও রফিক সিকদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে মারধর করে।
গতকাল শনিবার বিকেলের এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও জড়িত কাউকে আটক করেনি। এদিকে বাবাকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরেক দফা সুদ ব্যবসায়ীদের হামলার শিকার হন সভাপতির ছেলে সাব্বির বেপারী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কয়েকটি পরিবার সুদ ব্যবসার সাথে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ে। শনিবার বাদ আসর মসজিদ কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী সুদের কুফল মুসুল্লিদের উদ্দেশে তুলে ধরে নানান মন্তব্য করেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা চা দোকানি হারুন সিকদার, রফিক সিকদার তাকে উদ্দেশ করে গালাগালি শুরু করে। সভাপতিসহ উপস্থিত মুসুল্লিরা বিষয়টির প্রতিবাদ করলে রফিক সিকদার ছুটে এসে বৃদ্ধ মো. সাহ আলম বেপারীকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।
একপর্যায়ে সভপতি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ এবং মুসুল্লিরা বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বাসায় পৌছে দেন।
খবর পেয়ে বিকেলে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করেনি।
অপর একটি সূত্র জানায়, পরবর্তীতে এশার নামাজ শেষে সভাপতির ছেলে সাব্বির বাবার ওপর হামলার ঘটনায় মুসুল্লিদের কাছে বিচার চাইলে তাকেও মারধর করে হারুন ও রফিকেরা। এমনকি তাকে মসজিদ থেকে টেনে হিচড়ে বের করে দেয়। এবং বিষয়টি নিয়ে আগামীতে বেশি বাড়াবাড়ি করলে নিজেদের দোকানে অগ্নিসংযোগ করে তাকেসহ স্বজনদের ফাঁসানোর হুমকিও দেয়।
এলাকায় সুদের ব্যবসা বন্ধসহ বাবার ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেছেন সাব্বির বেপারী। এবং এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন মিলন বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতি শান্ত আছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
মরিয়ম ফুল গাছ
মিসরে ট্রেন লাইচ্যুত হয়ে নিহত ১১ জন।
প্রকাশিত: সোমবার,১৯ এপ্রিল ২০২১, ১১:৩০ এএম। অনলাইন সংস্করণ
মিসরে ট্রেন লাইচ্যুত হয়ে নিহত কমপক্ষে ১১; আহত ৯৮
এপ্রিল ১৯: গতকাল (রোববার) সন্ধ্যায় মিসরের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হলে কমপক্ষে ১১ জন নিহত ও ৯৮ জন আহত হয়। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, যাত্রীবাহী ট্রেনটি রাজধানী কায়রো থেকে উত্তরাঞ্চলীয় শহর মানজুরা যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রেনটির ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়।
উদ্ধারকাজে অংশ নিতে ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিসরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু (এম পি) আর নেই
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১,০৮:২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
সাবেক আইনমন্ত্রী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি,
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু (এম পি) ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যা মামলার সাবেক ডেপুটি এটর্নি, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ,
বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন খসরু অদ্য বিকাল ৪.৫০ মিনিটে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করিয়াছেন।
উনি ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করে পাচঁবার ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালের, জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
স্বশরীরে ঘুরে বেড়াচ্ছে মৃত মানুষ!
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০১:৫৪ পিএম। অনলাইণ সংস্করণ

মিজানুর রহমান মিজান, চিরিরবন্দর, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ, নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন একজন মৃত মানুষ। একজন সুস্থ সবল মানুষ যা যা করেন সবই করছেন তিনি। মৃত থেকে নিজেকে জীবিত প্রমাণ করার প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। স্বামীর অবসরভাতা বেশ কয়েকবছর যাবত তুলতে পারলেও হঠাৎ করে ভোটার তালিকায় মৃত হওয়ায় ব্যাংক কতৃপক্ষ ভাতা প্রদান বন্ধ রাখে। বর্তমানে নিদারুন দারিদ্রতা নিয়ে জীবন ধারণ করছেনতিনি। উপজেলার ভূমি অফিসের ৪র্থ শ্রেণির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফজির উদ্দিনের স্ত্রী সহিদা বেগম। বাস্তবে জীবিত থাকলেও ভোটার তালিকায় তিনি মৃত। ভোটার তালিকায় মৃত হওয়ায় স্বামীর অবসরভাতা উত্তোলনসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, এমনকি ভোট দিতেও পারছেন না তিনি।
কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবিত ও মৃত’ ছোটগল্পের বিখ্যাত উক্তি এটি। সৌভাগ্যবশত প্রত্যেকে কাদম্বিনীর মতো অভাগী নন, কাজেই জীবিতাবস্থার প্রমাণ দেওয়ার জন্য জীবন ত্যাগের চুড়ান্ত পদক্ষেপ না করলেও চলে যায় নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে এখন ঘুরছেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে। জানা গেছে, উপজেলা নির্বাচন অফিসে ছয়মাস ধরে ধর্ণা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি সহিদা বেগমের। তিনি বলেন,আমি জানতাম না ভোটার তালিকা থেকে আমার নাম কর্তন করা হয়েছে। স্বামীর অবসরভাতা তুলতে ব্যাংকে গিয়ে শুনি যে, আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেয়া হয়েছে। আমি নাকি মৃত। আমি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছি। আমাকে কেন মৃত হিসেবে ভোটার তালিকা থেকে নাম কর্তন করা হলো তার বিচার চাই। কে আমাকে মেরে ফেলেছে, এ বিষয়ে তদন্ত করা হোক। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আমাকে ছয়মাস ধরে হয়রানি করেছে।
ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছি। এখনও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বারবার যোগাযোগ করে এখন পর্যন্ত কাজ না হওয়ায় আমি হতাশ হয়ে পড়েছি। নির্বাচন অফিস থেকে ভাতার বই নিয়ে ঢাকায় গিয়ে তদবির করতে বলেছে। প্রচন্ড আর্থিক কষ্ট ও করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকায় গিয়ে তদবির করা অসম্ভব। এদিকে অর্থাভাবে অনাহারে বিনা চিকিৎসায় নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছি। এ বিষয়ে স্থানীয় আব্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ ময়েন উদ্দিন শাহ বলেন, ওই মহিলার নাম ভোটার তালিকায় ভূলবশত কর্তন করা হয়েছে।
<p class="has-drop-cap" value="<amp-fit-text layout="fixed-height" min-font-size="6" max-font-size="72" height="80">তিনি বর্তমানে জীবিত ও সুস্থ্য আছেন। তিনি ওই মহিলাকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মালেক এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গত ২০ জানুয়ারী/২১ ভোটার তালিকায় ওই মহিলার নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বরাবরে পত্র দেয়া হয়েছে। এখনও কোন রিপ্লাই আসেনি। অপরদিকে সহিদা বেগম ভোটার তালিকায় নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।তিনি বর্তমানে জীবিত ও সুস্থ্য আছেন। তিনি ওই মহিলাকে জীবিত থাকার একটি প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবদুল মালেক এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গত ২০ জানুয়ারী/২১ ভোটার তালিকায় ওই মহিলার নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বরাবরে পত্র দেয়া হয়েছে। এখনও কোন রিপ্লাই আসেনি। অপরদিকে সহিদা বেগম ভোটার তালিকায় নাম পুনরায় অন্তভূক্ত করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল রোজা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১,০৭:২৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশ চট্টগ্রামের আকাশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী কাল বুধবার ( ১৪ এপ্রিল) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু। আল্লাহ আমাদের এই সিয়াম সাধনা করার তৌফিক দান করুন।
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শুরু হচ্ছে।
কিছুক্ষণ আগে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে সেহরি খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। বুধবার হবে প্রথম রোজা।
এদিকে মঙ্গলবার রাতের এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। এ উপলক্ষে মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায়ে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পবিত্র রমজানে তারাবির নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এ তিন অংশে বিভক্ত এ মাস।
এ মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহতায়ালা ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেন। রমজান শেষেই দেখা মিলবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের।
রমজান শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৮ এএম। অনলাইন সংস্করণ
পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে বুধ নাকি বৃহস্পতিবার, তা জানা যাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনায় মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বাদ মাগরিব সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪২ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
অপরদিকে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না গেলে বুধবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, রমজান মাস গণনা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)। এক্ষেত্রে বুধবার এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বুধবার থেকে আটদিনের লকডাউন (বিধি-নিষেধ) শুরু হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজ এবং তারাবি নামাজ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি নিয়ে পড়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ টেলিফোন ও ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
এদিকে রোববার সৌদি আরবের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেই হিসেবে দেশটিতে সোমবার (১২ এপ্রিল) শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়। ফলে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে সৌদিতে রোজা শুরু হয়েছে।
রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দুইজন দগ্ধ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১০:১২ এএম। অনলাইন সংস্করণ
নারায়ণগঞ্জে একটি আবাসিক ভবনের আট তলায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণে দুইজন দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
রোববার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় শহরের চাষাঢ়ায় প্রেসিডেন্ট রোডে জি এম গার্ডেন নামের একটি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
দগ্ধরা হলেন, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী উজ্জ্বল ও মানিক। তাদেরকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নেয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, জি এম গার্ডেনের আটতলায় কমিউনিটি সেন্টারের আদলে কয়েকটি কক্ষ রয়েছে। ভবনের কোনো অনুষ্ঠান হলে সেখানে আয়োজন করা হতো।
বিজ্ঞাপন
ভবনের নিরাপত্তারক্ষী মোহাম্মদ আলী জানান, আটতলার গ্যাসের লাইনে সমস্যা ছিল। এজন্য মিস্ত্রি এসে সেটা মেরামত করে। একপর্যায়ে দুই নিরাপত্তারক্ষী নিচে নেমে যান। তখন রান্নাঘরের দরজা-জানালা বন্ধ ছিল।
পরে আবার দুইজন সিগারেট হাতে উপরে উঠে রুমে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিজ্ঞাপন
জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসাদুজ্জামান জানান, আহত দুজনকেই ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, ভবনের ছাদের একটি কক্ষে গ্যাসের সংযোগ ছিল। কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সেখানে রান্না করা হতো। কোনো কারণে গ্যাসের লাইনটি চালু থাকায় গ্যাস বের হয়ে কক্ষে জমে যায়।
তিনি আরও বলেন, কক্ষে সিগারেটের অংশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দাহ্য কিছু জ্বালানোর কারণেই এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে দুজন দগ্ধ হয়েছেন।
প্রথম বলেই সাকিব আউট
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ০৯:৪৫এএম , অনলাইন সংস্করণ
আইপিএলের এই আসরে প্রথম বলেই উইকেট পেলেন সাকিব আল হাসান। তৃতীয় ওভরে বল হাতে নিয়েই ঋদ্ধিমান সাহাকে বোল্ড করেন তিনি। ১০ রানে নেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২ উইকেট। চেন্নাইয়ের চেপুকে এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে।
এর আগে ব্যাট হাতে সাত নম্বরে নামেন সাকিব। শেষ দিকে নেমে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাননি। ৫ বল খেলে করেন ৩ রান। শেষ বলে ভুবনেশ্বর কুমারের শিকার হন আব্দুল সামাদের ক্যাচ হয়ে। তবে বল হাতে জ্বলে উঠলেন শুরুতেই। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে ঋদ্ধিামানকে ৭ রানে মাঠ ছাড়া করেন বাঁহাতি স্পিনার। তার বল হায়দরাবাদ ওপেনারের ব্যাটে লেগে নিচু হয়ে স্টাম্পে আঘাত করে।
তার আগের ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা হায়দরাবাদ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে ৩ রানে আউট করেন। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে নেমেছে হায়দরাবাদ।
অবশ্য এই স্পেলে পরের দুই ওভারে সাকিব সুবিধা করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে ১২ রান দেন তিনি, জনি বেয়ারস্টো একটি ছয় ও মানীষ পান্ডে একটি চার মারেন। পরের ওভারে বাঁহাতি স্পিনারের বলে ১০ রান তোলে এই জুটি, যার মধ্যে একটি ছয় আসে মানীষের ব্যাটে। প্যাট কামিন্সের বলে ৯২ রানের এই শক্ত জুটি ভাঙার পর নিজের শেষ ওভার করতে নামেন সাকিব। দলের ১৪তম ওভারে একটি ছয়সহ ১১ রান দেন তিনি। ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছেন সাকিব।
রোববারের (১১ এপ্রিল) আগে আইপিএলে সাকিব খেলেছেন মোট ৬৩ ম্যাচ। ব্যাট হাতে ৪৬ ইনিংসে তিনি করেছেন ৭৪৬ রান। চার ৭০টি ও ২০টি ছয় তার ঝুলিতে। সর্বোচ্চ ইনিংস ৬৬ রানের। তার ব্যাটিং গড় ২১.৩১ ও স্ট্রাইক রেট ১২৬.৬৬।
বল হাতেও বেশ সাফল্য রয়েছে সাকিবের, নিয়েছেন ৫৯টি উইকেট। তার সেরা বোলিং ফিগার ১৭ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার। তার বোলিং ইকোনমি ৭.৪৬। এই মৌসুমেও কলকাতার বড় ভরসার জায়গা হতে চলেছেন তিনি।
সাত মৌসুম ধরে এই ক্লাবে খেলেছেন সাকিব। দুই মৌসুম আগে তাকে কলকাতা ছেড়ে দিলে ২০১৯ সালে হায়দরাবাদে খেলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মৌসুমে খেলা হয়নি বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটারের।
আত্মসমর্পণ করতে বললেন বাবা-মা।
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২২এএম। অনলাইন সংস্করণ
আত্মসমর্পণ করতে বললেন বাবা-মা। কিন্তু সেই সুযোগ পেল না বছর চোদ্দোর ফয়সল গুলজ়ার গনাই। শেষ পর্যন্ত বাহিনীর গুলিতেই মৃত্যু হল তার। বাহিনীর দাবি, ফয়সলের সঙ্গীই তাকে আত্মসমর্পণ করতে দেয়নি। দক্ষিণ কাশ্মীরে গত কাল থেকে দু’টি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত জঙ্গির সংখ্যা পাঁচ।
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, গত ৭২ ঘণ্টায় কাশ্মীরে ১২ জন জঙ্গি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। যা বড় সাফল্য বলেই দাবি তাদের।
সম্প্রতি কাশ্মীরে ব্যবসায়ী, বিজেপি নেতা, টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান-সহ বেশ কয়েক জন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন জঙ্গি হানায়। বিক্ষিপ্ত ভাবে হলেও জঙ্গিরা ফের সক্রিয় হচ্ছে বলে জানতে পেরেছিলেন গোয়েন্দারা। ফলে গোপন তথ্য সংগ্রহের নেটওয়ার্ককে আরও সক্রিয় করা হয়।
গত কাল শোপিয়ানের রেবান, বান্ডপাওয়া ও চিত্রগাম গ্রামের মধ্যে বাগিচায় জঙ্গি গতিবিধির খবর পেয়ে অভিযানে নামে বাহিনী। জওয়ানদের দেখে জঙ্গিরা গুলি চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয় বাহিনী। কিন্তু জঙ্গিরা গুলি চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়।
গত কাল সন্ধ্যায় এক জঙ্গি নিহত হয়। ইতিমধ্যে বাহিনী জানতে পারে, ওই দলে রয়েছে বছর চোদ্দোর ফয়সল গুলজ়ার গনাই। সম্প্রতি চিত্রগামের বাসিন্দা ফয়সলের পরিবার জানায়, সে নিখোঁজ হয়েছে। তাকে ফিরে পেতে সকলের সাহায্য চেয়েছিলেন পরিবারের সদস্যেরা।
ওই কিশোর চিত্রগামের বাগিচায় রয়েছে বুঝে তার বাবা-মাকে ঘটনাস্থলে আনে বাহিনী। তাঁরা ফয়সলকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। বাহিনীও তার নিরাপত্তার আশ্বাস দেয়। বাহিনীর দাবি, ওই কিশোরের সঙ্গীই তাকে আত্মসমর্পণ করতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত আজ ভোরে বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় ফয়সল ও তার সঙ্গী আসিফ আহমেদ গনাই। সে-ও চিত্রগামের বাসিন্দা।
তৃতীয় জঙ্গিকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। নিহতদের কাছ থেকে একটি একে-৫৬ রাইফেল, ২টি পিস্তল ও অন্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমারের মতে, ‘‘আমাদের ধারণা, ফয়সলের কাছে অস্ত্র ছিল না। সশস্ত্র দুই সঙ্গী বাধা দেওয়ায় সে আত্মসমর্পণ করতে পারেনি।’’ নিহত তিন জনের বিরুদ্ধেই নানা জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
অন্য দিকে অনন্তনাগের বিজবেহারার সেমথানে একটি বাড়িতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে গত কাল অভিযানে নামে বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, জঙ্গিরা গুলি ছুড়লে সংঘর্ষ শুরু হয়। গুলির লড়াইয়ের মধ্যেই আটকে পড়া বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরায় বাহিনী। আজ সকালে ফের অভিযান শুরু হয়। তাতে তৌসিফ আহমেদ বাট ও আমির হুসেন গনাই নামে দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। তারা বিজবেহারারই বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তারা গত বছরে এক সিআরপি জওয়ান ও শুক্রবার টেরিটোরিয়াল আর্মির জওয়ান মহম্মদ সালিম আখুনের হত্যায় জড়িত ছিল।
ময়না তদন্তের পরে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের নয়া নীতি অনুযায়ী জঙ্গিদের দেহ নির্দিষ্ট সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হবে। অন্ত্যেষ্টির সময়ে পরিবারের সদস্যেরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। কিন্তু তাঁদের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে না।
চিরিরবন্দরে লকডাউনে বিপাকে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ
দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ মো. মিজানুর রহমান মিজান,

চিরিরবন্দরে লকডাউনে বিপাকে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ , সরকারি নির্দেশনায় দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু এসব দোকানও সন্ধ্যার পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জনশুন্য হয়ে পড়েছে রাস্তা-ঘাট। লকডাউনে চরম বিপদে পড়েছেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষজন। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিকশা, অটোরিকশা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা। ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিভিন্নভাবে ঋণ করে দোকানপাট ও সংসার চালাতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
এছাড়াও তাগিদ রয়েছে সাপ্তাহিক কিস্তি প্রদানের। সে কারণে এসব ব্যবসায়ীদের এখন মহাবিপদ। এসব পরিবারের কাছে লকডাউন এখন অনেক কষ্টের কারণ। যেন গোদের উপর বিষফোঁড়া। ঝুঁকি নিয়ে অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও ক্রেতার অভাবে ব্যবসায় কোনো বিক্রি নেই। এরপরও প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয়েও অনেকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। এদিকে, হোটেল শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষজনও পড়েছে চরম বিপাকে।
কাজ নেই, নেই কোনো সহায়তা। রাণীরবন্দরের রিকশাচালক আব্দুল হালিম, আব্দুল মান্নান এবং নান্দেড়াই গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, একদিন রিকশা না চালালে খাবার জোটে না। তাই রিকশা নিয়ে সকাল থেকে ঘুরছি। রাস্তায় তেমন লোকজন নেই, তাই যাত্রী মিলছে না। প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রোজগার করি। বর্তমানে এমন অবস্থা রোজগার তেমন একটা নেই। আয় রোজগার করতে না পারলে কিস্তির টাকা দেব কি করে, পরিবারের মুখেও খাবার জুটবে না।
আরেক রিকশাচালক আবু তাহের জানান, আমরা গরিব মানুষ প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে চাল-ডাল কিনে খাই। বিধি নিষেধ থাকলেও উপায় নেই আমাদের। তাই সব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই রিকশা নিয়ে ঘুরছি। এ অবস্থা চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারেই থাকতে হবে। এসময় যদি কেউ সাহায্য করতো অনেক উপকার হতো। সকলের কল্যাণের জন্যই সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু আশেপাশে এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা দিনের রোজগার দিয়ে সেদিনের আহারের ব্যবস্থা করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ফেরিওয়ালা জানান, লকডাউনের কারণে আমরা গ্রামে ফেরি করতে যেতে পারছি না। লোকজন আমাদেরকে অন্যান্য এলাকায় যেতে দিচ্ছে না। আমরা দিনে এনে দিনে খাই। গ্রামে যেতে না পেরে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম কষ্টে আছি। এদিকে, উপজেলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট, যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ।
সময়ের আলো সত্য প্রকাশে আপোসহীন
হেফাজতের দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করলেন আল্লামা বাবুনগরী
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ই এপ্রি২০২১,০৬:৪৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিশেষ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার (১১ এপ্রিল) ১১ টায় হাটহাজারী মাদরাসার মিলনায়তনে হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সরকারের কাছে একাধিক দাবি তুলে ধরেছেন হেফাজত আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। এছাড়া আগামী ২৯ মে হাটহাজারী মাদরাসায় জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মলন ঘোষণা করেন তিনি।
১.হেফাজতের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ২.অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ৩.করোনার অজুহাতে কওমী মাদরাসা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার করে কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে।
৪.পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবী, এতেকাফসহ কোন ধরনের ইবাদতে বাধা প্রধান করা যাবে না। এবং ধর্মীয় উপসনালয় মসজিদকে সম্পুর্ন লক ডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে। ৫.প্রশাসন কর্তৃক মাদরাসায় মাদরাসায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
হেফাজতের জরুরি বৈঠক শেষে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, বিগত ২৬ই মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসুচি ছিলো না। কিন্তু ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের উপর পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও সরকার দলীয় হেলমেট বাহিনী কর্তৃক আক্রমনের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষুদ্ধ জনতা মিছিল বের করে। হাটহাজারী ও বি-বাড়ীয়ায় মিছিল বের হলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি করে পাঁচ জনকে শহীদ করে। এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম ২৭ই মার্চ বিক্ষোভ ও ২৮ই মার্চ শান্তিপুর্ণ হরতালের কর্মসুচি ঘোষণা করে।
কিন্তু হেফাজতের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিতে ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী। গত ২৬ মার্চ আমি মাদরাসায় ছিলাম না। অনেক দূরে ছিলাম। কিছু মানুষ মিছিল বের করেছে। তারা বলছে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছি।
কিন্তু পুলিশবাহিনী তাদের উপর গুলি চালিয়ে আহত ও নিহত করে। পুলিশ তাদের বুকে গুলি করেছে। পুলিশের দরকার ছিলো উত্তেচজনা কমাতে হাঁটুর নিচে গুলি করবে। আগুন জ্বলে ওঠলে আগুন নিভাতে হয়। কিন্তু পুলিশ আগুন বাড়িয়ে দিলো। এগুলো কোন আইনে আছে।
আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তাণ্ডব চালায়নি; বরং ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তাণ্ডব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। সরকারের লোকজন এবং কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এখন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।
হেফাজত আমীর বলেন, আমরা জানতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালীন কারা তাণ্ডব চালিয়েছিল? কারা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।
ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুন। কিন্তু নিরিহ আলেম, ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানি করবেন না। অবিলম্বে গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা প্রত্যাহার করুন। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্ভে নিঃশর্তে মুক্তি দিন।
তিনি বলেন, করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। করোনা মহমারী থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুরআনের তিলাওয়াত, যিকির, তাসবী পাঠ ও দুআ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
তাফসির, দুআ ইত্যাদী চললে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমী মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমী মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমী মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেনের মতো হয়ে যাবে।
সুতরাং মহান আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার লক্ষে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখ সরকারেরই নৈতিক কর্তব্য। এজন্য পবিত্র মাহে রমযানে হিফয খানা, নূরানী, মক্তব চালু রাখতে হবে। মসজিদে সুন্নাহ মুতাবেক নামায তারাবীহ, ইতিকাফ চলবে। লকডাউনের নামে শরীয়ত বিরোধী কোনো বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না। যথা নিয়মে তাফসীর, দাওয়াত ও তালীমের কাজ চালু রাখতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের যে বিষয়টি নিয়ে এখন সর্ব মহলে আলোচিত হচ্ছে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আর হেফাজত থেকে তার অব্যাহতির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলাম আগামী ২৯ মে হাটহাজারীতে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন করবে। এখানে সারাদেশের পীর মাশায়েখ ও হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে এমন আলেম উলামা উপস্থিত থাকবেন, ইন-শা আল্লাহ।
সভায় দেশের সকল মাদরাসা ও মসজিদে করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও সমকালীন সঙ্কট থেকে উত্তরনের জন্য কুনূতে নাযেলার আমল চালু করার জন্য আহ্বান জানান আল্লামা বাবুনগরী।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের নায়েবে আমীর মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা শোআইব জমীরী, মাওলানা ওমর মেখলী, মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুনির হুসাইন কাসেমী, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা
আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর মুহাম্মদ ইদরীস, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, ড. নূরুল আবসার আজহারী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন. মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মুহাম্মাদ আহসান উল্লাহ প্রমুখ।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত।
প্রকাশিত:রবিবার,১১ই এপ্রিল ২০২১,০৩:৪৮ পিএম,অনলাইন সংস্করন
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন গতকাল শনিবার নমুনা দেন। গতকাল শনিবার রাতেই নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে খালেদা জিয়া করোনা পজিটিভ বলে উল্লেখ করা হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা, মাইদুল ইসলাম প্রধান নিশ্চিত করেন, খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট দেখেছেন। উনি ব্যক্তিগতভাবে গুলশান কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।
এখন পর্যন্ত তিনি নিশ্চিত নন। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্টের একটি কপি ভাইরাল হয়েছে। সেটি কিউআর কোড স্ক্যান করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যে ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফল জানা যায় সেখানে চলে যায়।
সেখানে এই কপিটি দেখা যায়। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিক বলেছেন, তাঁর হাসপাতালে একজন রোগীর করোনার চিকিৎসার জন্য, করোনা ইউনিটে একটি কেবিন রাখতে বলা হয়েছে। রিপোর্টে যে ফোন নম্বরটা দেওয়া হয়েছে, সেটি বিএনপির চেয়ারপারসনের মেডিকেল টিমের টেকনোলজিস্ট মো. সবুজের। তবে তিনি খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হওয়া বা না হওয়া বিষয়ে কিছু জানেন না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত সচিব
প্রকাশিত, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১,১০:৪০ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্তি সচিব দীপক চক্রবর্তী।
শনিবার (১০ মার্চ) দুপুরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, পৌর ভূমি অফিস, সুর সম্ম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলি সরেজমিন পরিদর্শন করতে মানণীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি এবং এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন মন্ত্রীর কাছে পেশ করব। দ্রুতই ধ্বংস হয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম সিদ্দিকী, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মেয়র নায়ার কবির, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংকজ বড়ুয়া, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সনি আক্তার সুচি প্রমুখ।
স্বামী পছন্দ না হওয়ায় নববধূর আত্মহত্যা
রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরে স্বামী পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় নববধূ আত্মাহত্যা করেছেন।
শনিবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলার কাশিমপুর হালদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
মৃত নববধূ তপতি রাণী (১৮) গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত কাশিমপুর হালদারপাড়া গ্রামের দেবনাথ হালদারের মেয়ে।
নিহত তপতির মা তুলশি রাণী বলেন, গত মার্চ মাসের ২০ তারিখে আনুষ্ঠানিক ভাবে নাটোর লালপুর উপজেলার তারাপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের যুগল চন্দ্রের ছেলে মিঠন চন্দ্র (২৩) এর সাথে বিয়ে হয় তার মেয়ে তপতির। বিয়ের মাত্র কয়েক দিন পর থেকে স্বামী পছন্দ না হওয়ায় সংসার করবে না বলে জানায়। তারপরও তপতি বাবার বাড়িতে থাকা অবস্থায় বাড়ির সবাই তাকে এই সংসার করতে অনুরোধ জানায়।
শনিবার খুব সকালে মা তুলশি রাণী ঘুম থেকে ওঠে টয়লেট সারার জন্য চলে যায়। ফিরে এসে দেখতে পান মেয়ে তপতি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের তীরের সাথে ফাঁস দিয়ে আহত্মহত্যার চেষ্টা করছে। মা তুলশির চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তপতিকে উদ্ধার করে রাণীনগর হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
দেশের স্বাস্থ্যসেবা সমন্বয়ের দায়িত্বে ৬৪ সচিব
সময়ের আলো অনলাইনপ্রকাশ: শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১,১০ :২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ
করোনায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম সুসমন্বয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৬৪ সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা দেশের ৬৪ জেলায় দায়িত্ব পালন করবেন। গত ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।
আদেশে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কর্মপরিধি সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রথমত দায়িত্ব পাওয়া সচিবরা জেলার এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ ও সমন্বয় করে করোনাসংক্রান্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা তত্ত্বাবধান করবেন।
দ্বিতীয়ত জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবেন।
তৃতীয়ত, সমন্বয়ের মাধ্যমে পাওয়া সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ অথবা অন্যান্য বিষয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে লিখিতভাবে জানাবেন। এ ছাড়া এসব বিষয় মন্ত্রিপরিষদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে নিয়মিত জানাবেন।
বন্ধ থাকবে যাত্রীবাহী ট্রেন । রেলমন্ত্রী

শনিবার (০৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে সরকার লকডাউন ঘোষণা করছে।



























