অর্থনীতি, খবর

তালতলীতে রোকনকৃত কৃষি জমিতে ফের চার্জ দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট ২০২২, ০৯: ৫৬ পিএম, অনলাইন সংস্করণ।

মোঃ রনি মল্লিক বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীতে রোপনকৃত কৃষি জমিতে ফের চাষ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নুরু ইসলামের ছেলে মতির বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১৫ শতাংশ জমির বীজ নষ্ট করা হয়। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি জমির বিজ নষ্ঠ করায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, কৃষি জমি টাকার বিনিময়ে চাষাবাদ এর সুযোগ দেন নুরু ছেলে মতি কে। বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় যেটাকে পাট্টা রাখা বলে। দীর্ঘদিন পাট্টা হিসেবে জমি চাষাবাদ করার পরে ওিই জমির অংশীদারদের থেকে জমি ক্রয় করে মতি। জমির অংশীদার জলিল শরীফ ওই জমি নিজ ইচ্ছামত অথবা চৌহদ্দি মতে মেপে দিতে চাইলেও সেভাবে জমি নিতে নারাজ মতি।

এ বিষয়ে জলিল শরীফ বলেন, আজ থেকে বেশ কয়েক বছর পূর্বে আমার ভাই জব্বার শরীফ মতির কাছে জমি বিক্রি করেন। কিন্তু তাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ জমিতে অনেক অংশীদার রয়েছে তাই সে যেভাবে চৌহাদি দিয়ে জমি ক্রয় করেছে সেভাবেই সে দখল করবে কিন্তু তা না করে তিনি মনগড়াভাবে জমিনে দখল করে নিয়েছে। এমন কি আমার চাষাবাদ ও রোপনকৃত জমিতে ফের চাষ দিয়ে জমির বিজ নষ্ঠ করা হয়েছে। তারা আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে চইছে এমনকি তালতলী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম এর সাথে জরিত আছেন বলে জানায়।

এ বিষয়ে মোঃ মতিকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল করে কিংবা বার্তা পাঠাইয়া তার যোগাযোগ মেলেনি।

এ বিষয়ে তালতলী থানার অফিসার ইন চার্জ কাজী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। যারা জমির রোপনকৃত বিজ নষ্ঠ করেছে অবশ্যই খুব অন্যায় করেছে। লেখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নিব।

অর্থনীতি, খবর

রাজপুত্র পালঙ্কে ঘুমায় মা পান সুপারি বিক্রি করে

প্রকাশিত: মঙ্গলবার,১৩ জুলাই ২০২১,০৯:১৫ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

রাজপুত্র তাকবীরকে সড়কের পাশে রাজপলঙ্কে ঘুম পাড়িয়ে মা সুমি আক্তার পান-সিগারেট বিক্রি করছে।

তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা, ১০ জুলাই
ছবি:

১৬ কোটি মানুষের রাজধানী ঢাকা এই শহরে কত মানুষ আছে যারা দিন আনে দিন খায়,কেউ ভাত মাছ মাংস খায় কেউ নুন ভাত আলুভর্তা খায়, তারপর কেটে যায় তাদের দিন কেউ হয়তো কাটে আরাম-আয়েশে কেউ হয়তো কষ্টের ।

যাইহোক যদি এই ভাত মাছ বা নুন ভাত আলুভর্তা খাবার জোগানোর পথ যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কেমন হয় ? এই করোনাকালীন সময় অনেক মানুষ রাস্তার ফকির হয়ে যায়।

কেউ হয়তো মুখ খোলে মানুষের কাছে হাত পেতে চাইতে পারে কেউ হয়তো মুখ খুলে মানুষের কাছে চাইতে পারেনা মনের কষ্ট মনে নিয়ে চলে ,কেউ হয়তোবা লজ্জা-শরম ফেলে রাস্তার কুলে কাজকর্ম নিয়ে বা কিছু নিয়ে বিক্রি করার জন্য বসে ।

তেমনি একজন দেখা গেছে রাজধানীর তেজকুনিপাড়া মা কোলের শিশুকে রাস্তার পাশে ঘুম পাড়িয়ে রেখে পান-সিগারেট এসব বিক্রি করে ।

দৃশ্যটি দেখে অনেকেরই মনে কষ্ট লাগে সুমি আক্তারের এভাবেই দিন কেটে যায় জানিনা এই কষ্টের শেষ কোথায় তাই সবাই দোয়া করবেন আল্লাহ যেন সবাইকে এই করোনার প্রভাব কাটিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করার সুযোগ দেন