দুর্নীতি

ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

খবর, দুর্নীতি

ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবী ব্যবহার

সংগৃহীত

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মেয়ে ২০২২, ০৮:২০ পিএম, অনলাইন সংস্করণ।

বাকেরগঞ্জে, নামের পাশে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবী ও ভিপি নুরু এর লোক দাবী করে প্রতারণা।

বাকেরগঞ্জে, নামের পাশে ভুয়া ইঞ্জিনিয়ার পদবি লাগিয়ে ও ভিপি নুরুর সাথে ছবি তুলে, তার লোক দাবী করে দীর্ঘদিন যাবত মানুষকে ধোকা ও প্রতারণা করে আসছে, কথিত এই ইঞ্জিনিয়ার রাজু।

সাধারণ মানুষ তার পদবী নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়া সাংবাদিক দের কাছে অভিযোগ করে। অভিযোগ এর সত্যতা যাচাই করতে এক অনুসন্ধানে জানা যায়। মোঃ রাজু খান, ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা। মাধ্যমিক এর গন্ডি পেরতে তার কয়েবার একই ক্লাসে পরিক্ষা দিতে হয়,পরিশেষে যুক্ত হয় জাহাজের লেবার হিসাবে।

দীর্ঘ দিন যাবত সেখানে চাকরি করার পর। হঠাৎ করেই নিজেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে দাবি করতে থাকে।ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে তার নাই কোন সনদ। শুরু করে নানান প্রতারণা। ইঞ্জিনিয়ার দাবি করে চাকরির নামে টাকা নিয়ে ধোকা দেয় বেকার ছেলেদের কে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানায় এসএস সি পরীক্ষা দিয়ে কেউ ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে তা জানা ছিলো না।

সম্প্রতি তার ব্যাক্তিগত ফেইসবুক আইডি ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছু ভিপি নুর সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ছবি তুলে কথিত ছাত্র অধিকার পরিষদ নিয়ামতি ইউনিয়ন এর আহ্বায়ক হিসাবে নিজেকে দাবি করে আসছে এবং এই দলে যোগ দেওয়ার জন্য, স্থানীয় কিশোর বয়সের ছেলেদের হয়রানি ও বিভিন্ন মাদকের প্রলোভন দেখাচ্ছে। এবং ভিপি নুরুর সংগঠন এর নামে এজেন্ট বানিয়ে এলাকায় নাশকতার সৃষ্টি করছে।

বিভিন্ন সময় দেখা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি স্ট্যাটাস দিচ্ছে। তার প্রতারণার ফাদে পরছে নাম বলতে রাজি না হওয়া অনেকেই।

সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রী কে নিয়ে কটুক্তি করায়, তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করে শেখ রাছেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখা এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান। যার ফলে রাজনৈতিক ওপেন হুমকি দেওয়া হয় তাকে। বলে জানান মশিউর রহমান।
এ ব্যাপারে রাজু খান এর সাথে একাধিক বার মুঠো ফোনে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি ফোন বন্ধো করে রাখেন।

খবর, দুর্নীতি

বানারীপাড়ায় লক্ষ টাকার ব্রিজ নির্মাণ

প্রকাশিত, বুধবার,২৮ জুলাই ২০২১,১০:০৭ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠিতে আয়রণ ব্রিজের স্থলে সুপারী গাছের সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বরিশাল জেলা পরিষদ পরিষদ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে বানারীপাড়ার উদয়কাঠি ইউনিয়নের পূর্ব উদয়কাঠি মুন্সি বাড়ির সামনে একটি আয়রণ ব্রিজ নির্মাণের জন্য লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় পূর্বের বাঁশ ও সুপারি গাছের সাঁকো সংস্কার করে চারটি লোহার ভিমের ওপর তিনটি সুপারি গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।

সেখানে থাকা নামফলকে উদয়কাঠির মুন্সি বাড়ির সামনে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এক লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আয়রণ ব্রিজ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন ও অর্থায়নে জেলা পরিষদ লেখা রয়েছে।

এ সংক্রান্ত বরাদ্দের নামফলকে টিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা থাকার কথা থাকলেও অর্থায়নে ও বাস্তবায়নে জেলা পরিষদের নাম লেখা রয়েছে।

খবর, দুর্নীতি

বাকেরগঞ্জের কসাই ডাক্তার মনিরুজ্জামানের কেলেঙ্কারি

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১, ১১:২০ এএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম খানকে তুচ্ছ ঘটনায় গ্রেফতার করে সাজানো মামলায় জেল হাজতে প্রেরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্রে মতে, ২৪ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর আনুমানিক ১ঃ৩০ মিনিটের সময় পরিবারের সব সদস্য ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন এমনতবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা কালামের আরাই বছরের মাসুম বাচ্চা তাসকিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান ছাত্রলীগ নেতা খান কালাম।

বাচ্চার মা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় স্যালাইন রত অবস্থায় ছিলো হঠাৎ বাচ্চাটি দুই বার বমি এবং দুইবার পাতলা পায়খানা করে, বিছানায় ঢলে চোখ তারীয়ে পড়ে, বাচ্চার এ অবস্থা দেখে কিংকর্তব্য বিমূর্ত হয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটিকে কাদের উপর নিয়ে দুপুরবেলা প্রচন্ড গরম ও লকডাউন উপেক্ষা করে, গাড়ি না পেয়ে,২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে তাড়াহুড়ো করে জরুরি বিভাগে ঢুকে পরেন বাচ্চা বাবা উপজেলা ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম।

তখন কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে গিয়ে বিনিত অনুরোধ করেন,আমার বাচ্চাটিকে বাঁচান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার বাচ্চাটিকে গুরুত্ব না দিয়ে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার দিকে তাকান আমি মাক্স পড়া আপনার ম্যাস্ক কই, ম্যস্ক পরে আসেন নি কেন? আগে সেটা বলেন তারপর আপনার বাচ্চার ভর্তি নেবো কি নেবো না সেটা পরে দেখা যাবে। বাচ্চাটিকে অন্য এক মহিলার কাছে দিয়ে বাহির থেকে মাস্ক কিনে ব্যাবহার করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন।

তখন ডাঃ মনিরুজ্জামান খান বাচ্চা টিকে ভর্তি নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এক পর্যায় ভর্তি নিতে না পারলে ক্যানোলা পরিয়ে দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ করেন বাচ্চার বাবা আবুল কালাম। কিন্তু তার কথায় কর্নপাত না করে নিজেকে নিয়ে ব্যস্থ হয়ে যান ডাক্তার। এহেন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে পরলে ঘটনার এক পর্যায় ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দিতে চেষ্টা চালালে ঘটনাটি হাতাহাতিতে গড়ায়।

পরবর্তীতে সেখানকার উপস্থিত সবাই ছুটে এলে। পরিস্থিতি, শান্ত হয়। এ সময়ে সেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়িত্বে থাকা বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুসফিকুর রহমান দোলন সহ সেচ্ছাসেবী সংগঠনে সদস্যরা,ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান কে বুঝাতে চেষ্টা করে ।

বাকেগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ আকন একাধিক বার বুঝালেও ডাক্তার শুনতে নারাজ। সুত্রে জানাজায়, ছাত্র লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক খান আবুল কালাম কে আটকের পরে ডাক্তার মনিরুজ্জামান খানের কাছে ছুটে জান আবুল কালামের সন্তান সহ অসুস্থ স্ত্রী, হাজারো বুঝিয়েও পাষণ্ড ডাক্তারের মন গলাতে পারেন-নি। তিনি তার কোন কথা শুনেনি। বাসস্ট্যান্ডে চা দোকানি আঃ ছালাম জানান আবুল কালাম কে বরিশালে নেয়ার পথে অসুস্থ সন্তানদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস এক হয়ে যায়,কেঁদেছে পথচারীরা।

স্থানীয় অনেকের মতে, এমন ঘটনা বাকেরগঞ্জ সর্বস্তরের মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থ হয়ে মানুষ চিকিৎসার জন্য একজন ডাক্তারের কাছে ছুটে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। হয়ত কালাম খান অসুস্থ সন্তানকে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসতে গিয়ে মাস্ক ব্যবহার করতে সে ভুলে গেছেন।

কিন্তু একজন ডাক্তার বিষয়টি নমনীয় ভাবে মেনে না নিলে উল্টো মিথ্যে মামলায় অসুস্থ সন্তানের বাবা কে জেল হাজতে পাঠিয়ে অমানুষিক চিন্তা ভাবনার পরিচয় দিয়েছেন ডাক্তার মনিরুজ্জামান খান। এমন ঘটনায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণ ডক্টর মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহারের দাবি জানায়।