খবর, ধর্মীয় খবর

স্বামী স্ত্রীর সহবাসে স্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন আছে কিনা?

অনলাইন সংরক্ষণ

প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১৮ পি এম। অনলাইন সংস্করণ

••• স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামী যখন তাঁর স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে । এমনকি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও ।”

সুনানে তিরমিযি ১১৬০
ছহীহুল জামে ৫৩৪

*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাঁড়া না দেয় এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায়, সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা’নত দিতে থাকে ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩
ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬
সুনানে আবু দাউদ ২১৪১
নাসাঈ

*** মহানবী সা: বলেছেন “ তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না । তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী , যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায় ।”

তাবরানী ১০৮৬
সুনানে তিরমিযি ৩৬০
হাকেম
সিলসিলা ছহীহা ২৮৮

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা ।”

ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫
ছহীহ মুসলিম ২৪১৭
দারেমী ১৭২০
সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫

*** মহানবী সা: বলেছেন “ পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না ।”

নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫
বাযযার ২৩৪৯
তাবরানী
হাকেম ২৭৭১
বাইহাক্বী ১৪৪৯৭
সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯

*** মহানবী সা: বলেছেন “ কোন স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো ।”

ছহীহুল জামে ৫২৫৯
তাবরানী

*** মহানবী সা: বলেছেন “ স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম ।”

মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩
নাসাঈ
হাকিম
বায়হাক্বী

*** মহানবী সা: বলেছেন “ যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, জান্নাতের হুরেরা বলেন “ তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা । তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র । তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে ।”

তিরমিযি ১১৭৪
ইব্নে মাজাহ ২০১৪

*** মা- বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত । পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন ।

সূরা আল বাকারা ২৩৪
ছহীহুল বোখারি ১২৮০
ছহীহ মুসলিম ৩৮০২

আল্লাহ তাআলা সকল মা বোনদের কে ইসলামের সঠিক জ্ঞান দান করুন 🤲

ধর্মীয় খবর

সন্তানের উপর পিতা মাতার অধিকার.মোহাম্মদ আতিকুল্লাহ চৌধুরী

দুনিয়ায় বুকে একমাত্র পিতা মাতা হলো সন্তানের ছায়া। সন্তান ভূমিষ্ঠ থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়ষ্ক পর্যন্ত পিতা -মাতাই সন্তানকে বকে আগলে রেখে লালন পালন করে।তাফসীর বিদ হযরত ওরওয়াকে


এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, প্রবিত্র কোরআনে পিতা মাতার প্রতি বিনতি হওয়ার বিষয়ে যা বলা হয়েছে, তার অর্থ কি? হযরত পরওয়া জবাব দিলেন- তোমার নিকট পছন্দনীয় নয়, এমন কোন কথাও যদি তারা বলেন, তবুও তাদের প্রতি বক্র দৃষ্টিতে তাকিও না। কেননা বিরক্তির আলামত সর্ব প্রথম মানুষের চোখ থেকে ফুটে বের হয়। মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদের রাজি, বলেন আমার বড় ভাই প্রায় রাতভর এবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দিতেন। আমি তখন আমার অসুস্থ বৃদ্ধা মায়ের পা টিপতে থাকতাম।

আমি মনে করি মায়ের পদসেবা করে যে পূন্য অর্জন করেছি তা আমার ভাইয়ের পূন্যের তুলনায় অনেকগুন বেশি। হযরত তালহা রাজি. বলেন, একবার এক যুবক রাসুলুল্লাহ সাঃ এর নিকট যুদ্ধে যাওয়ার জন্য আবেদন পেশ করলো।রাসুলুল্লাহ সাঃ তাকে জিজ্ঞেস করলেন তোমার মা কি জীবিত আছেন? যুবক হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন যাও,মায়ের সেবা করতে থাক। তার পায়ের নিচে তোমার জান্নাত রয়েছে।

হযরত আনাস রাজি.বর্ণানা করেন,রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি আয়ো বৃদ্ধি এবং ধনে জনে সমৃদ্ধি কামনা করে তার জন্য উচিত হলো পিতা- মাতার সাথে সর্বাধিকার সদ্ব্যবহার এবং নিকটাত্মীয় সুসম্পর্ক রাখা। এক ব্যাক্তি তার মাকে কোলে নিয়ে কাবা শরিফ তাওয়াফ করার পর হযরত নবী করিম সাঃ কে জিজ্ঞেস করেছিলেন – আমি কি মায়ের হক আদায় করতে পেরেছি? জবাবে রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছিলেন তার একটা শ্বাসের হকও আদায় হয় নি।


সন্তানের উপর মায়ের অধিকার পিতার তুলনায় তিনগুণ বেশি। কারণ মা সন্তানের জন্য তিন দফা দু:সহ কষ্ট ভোগ করে থাকেন।১. গর্বধারণের কষ্ট ২.সন্তান ধারণের কষ্ট ৩.এবং দুধ পান করানোর কষ্ট
।করোও পক্ষেই পিতা- মাতা কে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়।হযরত আবু বক্কর রাজি. এ মর্মে একখানা হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, সব ধরণের গুনাহ- ই আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিবেন।কিন্তু পিতা মাতার কে কষ্ট দেয়া এমন এক জঘন্য পাপ, যার শাস্তি আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া থেকে দেওয়া শুরু করেন।


বর্তমান জামানায় মাতা – পিতার সাথে বিয়াদবির ফল প্রত্যক্ষ ভাবে দেখা গেছে। যা জন সমাজের কাছে উম্মুক্ত। কিন্তু প্রত্যক্ষ এ শাস্তির করুন দৃশ্য দেখেও আমাদের মনকে পিতা মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া থেকে পিছিয়ে নিচ্ছে।যার প্রধান কারণ নিজের মাত পিতা ব্যতীত সমাজের অসৎ বন্ধু বান্ধব কে প্রধান্য বেশি দেওয়া। অসৎ বন্ধু বান্ধবের সাথে অগাত মেলামেশার দরুন নিজের পরিবার থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বন্ধু বান্ধবদেরকে আপন মনে করতে থাকে। কেউ নিজের স্ত্রী -বান্ধবীকে আপন মনে করে নিজের মাতাকে বিভিন্ন ভাবে কষ্ট দেয়।মাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় দুশমন মনে করে।কেউ ঘরে ছেড়ে অন্য মেয়ে কে নিয়ে সুখের ঠিকানা গড়ার চেষ্টা করে।

কেউ বন্ধুদের সাথে মিশে অল্প সময়ে বন্ধু বান্ধবীর সংশ্রবে থাকার ফলে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়।এভাবে তাদের মূল্যবান জীবনকে ধংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়। যার কারণে একদিকে মাকে কষ্ট দেওয়ার কারণে সে দুনিয়াতে শাস্তি পেতে থাকে,অপর দিকে আখিরাত কে হারিয়ে চিরতরে জাহান্নামে ঠিকানা গড়ে নেয়।কিন্তু ভয়াবহ নির্মম জীবন থেকে পরিত্রাণ একমাত্র ইসলামই দিতে পারে। ইসলামেই একমাত্র সব সমস্যার সমাধান। আদব আখলাখ, শিষ্টাচার যা মানুষ কে সফলতার চুড়ান্ত স্থানে আসীন করে। যার ফলে সন্তান তার পিতা মাতার কে শ্রদ্ধা ঙ্গাপন করে। সম বয়সী ও মুরব্বিদের কে সম্মান করে।

ফলে তার জীবনে ইহকালে শান্তি ও পরকালে চিরস্থায়ী জান্নাতে ঠিকানা করে নেয়। তাই আমাদের সকলের উচিত পিতা মাতার সদ্ব্যবহার করা। পিতা মাতারকে সবসময় হাসি মুখে রাখা।নিজের শত কষ্ট হলেও পিতা মাতার কে খুশী রাখা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকল কে পিতা – মাতার উত্তম সেবা যত্ন করার তৌফিক দান করুন,,,,,, আমীন,,,
লেখক ঃ মুহাম্মদ আতিকুল্লাহ চৌধুরী
কদলপুর রাউজান চট্টগ্রাম

খবর, ধর্মীয় খবর

টাইটেলের কারণে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,নাম

প্রকাশিত: রবিবার,১৩ মার্চ ২০২২, ১০:৫০ এএম । অনলাইন সংস্করণ

শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হোসাইন:

☆ নাম ও বংশ পরিচয়:
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন(মা.জি.আ) ২রা শাওয়াল ১৪০৫ হিজরী, ইংরেজি ১৯৮৮ সনের মে মাসের ১৯ তারিখ শুক্রবার সুবহে সাদিকের সময় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ (মা.জি.আ.), গদ্দীনশীন পীর ছাহেব ছারছীনা দরবার শরীফ। দাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু জা’ফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.)। পরদাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী নেছারুদ্দীন আহমদ ছাহেব (রহ.)। নানা ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল আনসার মোঃ আব্দুল কাহ্হার ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)। তাঁর পিতা হলেন কাইয়ুমুজ্জামান আলহাজ্জ হযরত মাওলানা আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল হাই ছিদ্দিকী আল-কুরাইশী (রহ.)। তার পিতা হলেন মুজাদ্দিদে যামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী রহ.। তার নানাজানের বংশধারা পরম্পরা সূত্রে আমীরুল মু’মিনীন হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বংশধরের সাথে মিলিত হয়েছে।

☆ নেক দোয়া ও ছোহবত লাভ:
তিনি দাদাজান ও নানাজান উভয়কে পেয়েছিলেন। উভয়ে নাতিকে অত্যন্ত আদর, স্নেহ ও ভবিষ্যত কামিয়াবীর জন্য দোয়া করতেন। তাকে ১৯৯৩ সালে মুজাদ্দিদে যামান ফুরফুরা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ আবু বকর ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর মেঝ ছাহেবজাদা পীরে কামেল, মুফতিয়ে আজম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু জা’ফর মোহাম্মদ অজীহ উদ্দিন মুজতবা ছিদ্দিকী আল কুরাইশী (রহ.)-এর সান্নিধ্যে নেওয়া হয়। তিনি তাকে কোলে তুলে নিয়ে তার ভবিষ্যৎ কামিয়াবীর জন্য বিশেষভাবে দোয়া করেন। তিনি আওলাদে রাসূল হযরত সাইয়্যেদ আহমদ মালেকী আল-আলাভী আল মাক্কি ছাহেবের বিশেষ সান্নিধ্য ও দোয়া লাভ করেন।

☆ ইলমে দীন শিক্ষা লাভ:
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ১৯৯৪ সনে ৬ বছর বয়সে ছারছীনা দারুসসুন্নাত আলীয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে থাকেন। পরে নিজের আগ্রহে উদার পিতার মনোবাসনাকে প্রাধান্য দিয়ে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ায় ভর্তি হন। পর্যায়ক্রমে ২০১০ সনে দাওরায়ে হাদিসে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
পরবর্তীতে তিনি সুনামের সাথে ইফতা জামাতে উত্তীর্ণ হন।
শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন ছাত্র জীবনেই স্বীয় পিতা ছারছীনা শরীফের গদ্দিনশীন পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ ছাহেব (মা.জি.আ.)-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করে নিয়মিত অজীফা আদায়ের মাধ্যমে ইলমে তাছাউফ শিক্ষায় নিয়োজিত আছেন।

☆ দীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ:
২০০৭ সনে সর্বপ্রথম তিনি স্বীয় পীরের এজাজতক্রমে মক্কা শরীফে মিনায় বসে উপস্থিত পীর ভাইদেরকে তা’লিম দেন এবং ২০১০ সন হতে প্রায় প্রতি মাহফিলেই জিকিরের তা’লিম দিয়ে থাকেন। ২০১১ সনে তাকে ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার র‌ঈছের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে মজলিসে শুরার বৈঠকে বাংলাদেশ জমিয়তে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর এবং পরে বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ ও যুব হিযবুল্লাহর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ডের বোর্ড সভার সহ-সভাপতি, ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ নেছারিয়া দীনিয়ার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি ও ছারছীনা দারুসসুন্নাত জামেয়া-এ ইসলামিয়ার গভর্নিং বডির অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। সংগঠন ও মাদ্রাসা পরিচালনার পাশাপাশি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকখানা কিতাব ও সংকলন করেছেন।
যেমন-
○ রহমতে দোজাহাঁ হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা ﷺ এর জীবনী,
১. ইসলামের পঞ্চবেনা,
২. দরূদ শরীফের ফাজায়েল ও আহকাম,
৩. যিয়ারতে হারামাইন শরীফাইন,
৪. আছমাউল হুসনা,
৫. আসমাউন্নবী ﷺ,
৬. প্রিয় নবী ﷺ -এর স্মরণে মিলাদ মাহফিল,
৭. কিয়ামতের আলামত,
৮. আদি পিতা হযরত আদম (আ.)।

☆ হজ্জ, যিয়ারত ও বিদেশ সফর:
মক্কা ও মদীনা শরীফে হজ ও যিয়ারতসহ আরো কয়েকটি দেশ সফর করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ইরাক, জর্দান, ওমান, আরব আমিরাত, বাহরাইন, থাইল্যান্ড, কাতার, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ও ইন্ডিয়া। তিনি বহু নবী-রাসূল ও আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার শরীফ যিয়ারত ও দর্শনীয় স্থান সফর করে আল্লাহ প্রদত্ত অনেক প্রজ্ঞা লাভ করেন।

খবর, ধর্মীয় খবর

ইসলামের কিছু শিক্ষনীয় বিষয়

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ ই মার্চ ২০২২,০১:২৫ পি এম। অনলাইন সংস্করণ

সাইফুল্লাহ সাহেবকে তার স্ত্রী ডাকছেন , এই
উঠো ! ফজরের আযান হচ্ছে ।

চোখ কচলাতে কচলাতে সাইফুল্লাহ সাহেব ঘুম
থেকে উঠে বসে প্রথমে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’
বলতেই চোখ চলে যায় ফ্লোরে ।
জায়নামায
বিছানো দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠেন ।
স্ত্রীকে বলেন , তুমি তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে
আর ঘুমাও নি? স্ত্রী বললেন, আলহামদুলিল্লাহ না ।

সাইফুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে খাট থেকে
নামতেই স্ত্রী বলে উঠেন , বাথরুমে তোমার
জন্য গরম পানি রাখা আছে । উযু করে নাও এবং সুন্নাত
বাসায় পড়ে ফরজটা মসজিদে । সাইফুল্লাহ সাহেব
মুচকি হেঁসে জাযাকাল্লাহু খাইরান বলে দ্রুত বাথরুমে
চলে গেলেন । মসজিদ থেকে এসে দেখেন

স্ত্রী কুরান পড়ছে ।

সাইফুল্লাহ সাহেব ১০ টার দিকে অফিসে যাওয়ার জন্য
প্রস্তুত হলেন । স্ত্রী অফিসের ব্যাগটা গুছিয়ে
দিলেন । যথারীতি আজকেও বিদায় নেয়ার সময়
দুজন একসাথে সালাম দিতে গিয়ে মুচকি হেসে
দিলেন ।

অফিস পথে সাইফুল্লাহ সাহেব জ্যামে পড়লেন ।
ভাবছেন , একজন দ্বীনদার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ

থেকে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত । বিয়ে করার পর
থেকে প্রতিদিন স্ত্রী আমাকে তাহাজ্জুদ পড়তে

ডেকে দেয় । বিয়ের পর থেকে স্ত্রীর
জন্য জামায়াতেও নিয়মিত নামায পড়া হয় । এগুলো

ভাবতে ভাবতে হটাত স্ত্রীর কথা খুব বেশি মনে
পড়লে স্ত্রীকে একটা কল দেয় ।

এবারো
যথারীতি দু’জন একসাথে সালাম বিনিময় করে । বেশ
কিছুক্ষণ কথা বলার পর সালাম বিনিময় করে কল
কেটে দেয় ।

কথা বলা শেষে সাইফুল্লাহ সাহেব
আবার ভাবনায় পড়লেন । আলহামদুলিল্লাহ বলে মনে
করলেন নিজের সে দুয়ার কথা যা তিনি নিয়মিত
করতেন ।

দুয়াটি বিড় বিড় করে আবার পড়লেন-
” হে আল্লাহ ! আমাকে উত্তম চরিত্র দান কর ।

আমার তাকওয়া বৃদ্ধি করে দাও । হারাম থেকে বাঁচিয়ে
হালাল রোজগার দিয়ে আমার রিযিক প্রশস্ত করে দাও

। হে আল্লাহ !আমাকে একজন উত্তম স্ত্রী দান
কর । আমার জন্য তুমি যাকে রেখেছো তাকে
তুমি উত্তম চরিত্র দান কর । তাকে বিপদ-দুশ্চিন্তা
থেকে তুমি মুক্তি দাও । তার জীবনকে তুমি সুন্দর
করে দাও । তাকে দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত

রাখো। হে আল্লাহ ! আমাকে হিদায়াহ’র উপর মৃত্যু
দান কর। আমি একমাত্র তোমার উপরেই ভরসা রাখি”

নিজের নিয়মিত করা দুয়া মনে মনে পড়ে সাইফুল্লাহ
সাহেব খুশি মনে আলহামদুলিল্লাহ বলেন উঠলেন

এবং প্রমাণ পেলেন পূর্ণ ভয় করে আল্লাহর উপর
ভরসা রাখলে আল্লাহ বান্দাকে নিরাশ করেন না ।
অফিসের কাজকর্ম সব শেষ । এখন বাসায় ফিরবেন ।

তার আগে প্রতিদিনের মত ফুলের দোকানে
যাবেন স্ত্রীর জন্য ফুল আনতে । যথারীতি ফুল
কিনলেন । আজ কেন জানি সাইফুল্লাহ সাহেব
অনেকগুলো ফুল কিনেলন ।

বাসার সামনে এসে
দরজা নক করলেন । স্ত্রীর দরজা খুলতেই

যথারীতি দুজন আবার একসাথে সালাম বিনিময় করলেন
। সাইফুল্লাহ সাহেব স্ত্রীকে বললেন , তুমি কি
আমাকে কখনো আগে সালাম দিতে দিবে না ?

স্ত্রীও একই প্রশ্ন করলেন । তারপর সাইফুল্লাহ
সাহেব পেছন থেকে অনেকগুলো ফুল
স্ত্রীর হাতে দিয়ে বলেন , আই লাভ ইউ ফর দ্য

সেইক অফ আল্লাহ । স্ত্রীও বললেন , লাভ ইউ টু
ফর দ্য সেইক অফ আল্লাহ ।

এই হচ্ছে প্রেম । হালাল প্রেম এবং কাছে আসার
গল্প । যেখানে নাই কোন নোংরামি, নাই কোন

অশান্তি , নাই কোন আল্লাহর অবাধ্যতা । যেখানে
আছে শুধু , সুখ আর শান্তি যা আল্লাহর পক্ষ থেকে
আগত ।

আলহামদুলিল্লাহ ।

খবর, ধর্মীয় খবর

যুবকরা দেখিয়ে দিয়েছে সমাজ পরিবর্তন কাকে বলে

প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৪০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার অধীনে ১৩ নং পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে সংগঠন টির নাম পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন সংগঠন।

প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গাজী সুফিয়ান ইউসুফ, পিতা বাবুল গাজী , গ্রাম পূর্ব মহেশপুর থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল এবং মোঃ বিল্লাল গাজী, পিতা রহমান গাজী, গ্রাম পূর্ব মহেশপুর থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল।

এই সংগঠনটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মুক্ত এবং একটি ইসলামিক সংগঠন, এই সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামে অনেক গরিব মিসকিন মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং অনেক সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছেন।

এবং রাস্তাঘাটের অনেক কাল সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা করানো হয় এবং সংগঠনের কার্যকলাপ দেখে গ্রামবাসী সবাই তাদের উপরে অনেক খুশি এবং সবাই মুগ্ধ। পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের কর্মীদের দ্বারা গ্রামের অনেক উপকার হয়েছে অনেক পরিবর্তন হয়েছে দেখিয়ে দিয়েছেন সমাজ পরিবর্তন কাকে বলে।

এবং হিংসা-বিদ্বেষ ছাড়া সম্পূর্ণ স্বনির্ভর এবং স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠন এখানে সবাই স্বইচ্ছায় কাজ করে সমাজে অবহেলিত এবং সমাজে অনেক মানুষ থাকেন অনাহারী দুঃখসুখের তাই এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এই যুবক সমাজ সংগঠনটি গড়ে তোলেন।

গ্রামে অনেক মানুষ আছে এখনো যারা সরকারের থেকে কোন অনুদান পায় না সাহায্য চেয়েও দিনের-পর-দিন তাদের পিছু ধরে চলতে হয় কিন্তু তারপরও কোনো উপকারে আসে না মেম্বার চেয়ারম্যান আছে তারা ঠিকমতন দেখেনা এইসব অবহেলার কারণেই আজ যুবসমাজ এই সংগঠনটি গড়ে তোলেন

পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠন এর গ্রুপের লিংক https://www.facebook.com/groups/1497167383966955/?ref=share

পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের পেইজের লিঙ্ক https://www.facebook.com/Emuo2021/

সময় আলোর পেজের মাধ্যমে আমরা সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী, পূর্ব মহেশপুর ঐক্য সংগঠনের জন্য সবাই দোয়া করবেন আমাদেরকে যেন আল্লাহ আরো মানুষের উপকার করার তৌফিক দান করেন আমরা যেন গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে পারি, প্রচারে গাজী সুফিয়ান ইউসুফ প্রধান কর্মকর্তা ও মোঃ বিল্লাল গাজী সহকারি কর্মকর্তা

ধর্মীয় খবর

সমান অধিকারের নামে আপনি কি করছেন ভেবে দেখেছেন?

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার,১৮ নভেম্বর ২০২১, ৮: ৫২ এ এম,অনলাইন সংস্করণ।

আপনি মেয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ আপনার অপরাধ নয়। কিন্তু স্বাধীনতা চর্চার অজুহাতে আপনার প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!


আপনি মেয়ে, ঘরের বাহিরে বের হওয়া আপনার অপরাধ নয়, কিন্তু অধুনিকতার ফাঁদে পরে নিজের প্রিয় বাবা/ স্বামী/ ভাইকে দাইয়ুস বানিয়ে ফেলছেন নাতো!
আপনিকি জানেন?


‘দাইয়ুস’ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
আর দাইয়ুস হলেন তিনি, যিনি পরিবারের লোকদের অশ্লীলতা (পর্দা না করা, অবৈধ সম্পকে জাড়ানো ইত্যাদি) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে উদাসীন।


আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, “যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতা প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” (সূরা নুর, ২৪:১৯)

পুরুষহিসেবেএইগুরুত্বপূর্ণবিষয়টিতেআমরাসম্পুর্ন_উদাসীন।

আরেকটু সময় থাকলে হাদিসগুলো পড়ে নিবেন-

“দাইয়ুস” এমন ব্যক্তি যে তার পরিবারের অশ্লীলতাকে মেনে নেয়। (মুসনাদে আহমাদ, নাসাঈ)

“দাইয়ূস কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (নাসাঈঃ ২৫৬২, আহমাদ, মিশকাতঃ ৩৬৫৫, সহীহুল জামেঃ ৩০৫২)

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির প্রতি মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন দৃষ্টি দিবেন না (রহমতের দৃষ্টিতে দেখবেন না), পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), পুরুষের বেশধারী নারী এবং দায়ূছ (স্ত্রীকে বেপর্দা ও পরপুরুষের সঙ্গে মিশতে দেয়া স্বামী যে স্ত্রী কন্যার পাপাচারে যে ঘৃণাবোধ করেনা।)

আর তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা – পিতা মাতার অবাধ্য (সন্তান), মাদকাসক্ত ব্যক্তি (যে মদ্যপ তাওবা ছাড়া মৃত্যুবরণ করে) এবং দানকৃত বস্তুর খোঁটা দানকারী ব্যক্তি (দান করার পর যে দানের উল্লেখ করে গঞ্জনা দেয়।)” (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ২৫৬২)

ধর্মীয় খবর

আল হাদিস

একদিন নবি করিম সাঃ সাহাবিদের সামনে বললেন, নিঃসঙ্গ একাকী মানুষগুলো এগিয়ে গেলো। সাহাবিগণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ রাসূল সাঃ! একাকী মানুষ কারা? তিনি বলেন, আল্লাহর বেশি বেশি যিকরকারীগণ।
-মুসলিম, আস-সহিহঃ ৪/২০৬২

ধর্মীয় খবর

প্রতি শুক্রবার শরীরে পবিত্র কোরআন বা হাদিসের একেকটা আয়াত ভেসে ওঠে!

প্রকাশিত, বুধবার, ৩০ শে জুন ২০২১, ০১:০৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণে

উত্তর রাশিয়ার দাগিস্তানে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয় শিশু আলিয়া ইয়াকুব। প্রতি শুক্রবার তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ত্বকের নীচে জমাট রক্তের মতো হরফে পবিত্র কোরআন বা

হাদিসের একেকটা বানী লেখা ভেসে ওঠে। এর স্থিরচিত্র বিভিন্ন মানুষ তুলে রাখেন। বাড়িতে একটি অ্যালবামের প্রদর্শনী খোলা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের একটি টেলিভিশন শিশুটির মায়ের সাক্ষাৎকার নেয়।

শিশুটির মা টেলিভিশনটিতে বলেন, ‘যে সময় তার দেহে আয়াত বা হাদিস ভেসে ওঠে এর আগে তার অনেক জ্বর আসে। সে সময় সে প্রচণ্ড কান্না করতে থাকে।

এরপর লেখাগুলো ভেসে উঠলে জ্বর কমে এবং কান্না থেমে যায়। দুধ পান করার সময়ও সে খুব শান্ত থাকে। ভিডিওটিতে শিশুটির নানা অঙ্গে আয়াত ও হাদিসের কিছু চিত্র দেখা যাবে। কিছু স্থিরচিত্র প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘এটি আল্লাহর কুদরত ও মহানবী স-এর মুজিযা। যে কোনও কারণে আল্লাহ তা তার বান্দা অথবা প্রকৃতির মধ্যে প্রকাশ করে থাকেন। যাতে মানুষ শিক্ষা গ্রহণ ও ঈমান মজবুত করতে পারে।’

অনেকে বলছেন, ‘এটি ইমাম মাহাদির আগমনের অন্যতম নমুনা। কিয়ামতের নিদর্শনও হতে পারে এটি। শিশুটির পেটে ‘আল্লাহ’ গলায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে ও কানে আল্লাহর নাম।

পা থেকে উরু হয়ে কোমর পর্যন্ত লম্বা লেখাটি হচ্ছে একটি হাদিসের বানী। যার অর্থ, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে হাসতে কম কাঁদতে বেশি।’ টিভিতে বলা হয়, প্রতিদিন আলিয়া ইয়াকুবদের বাড়িতে গড়ে ২ হাজার লোক বিস্ময়কর এ ঘটনা দেখতে আসেন।

ধর্মীয় খবর

জান্নাতে আল্লাহর সাথে দেখা করার সময়

প্রকাশিত, শনিবার, ১২ জন ২০২১, ০১: ২০ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

জান্নাতীরা জান্নাতে নিজ গৃহে অবস্থান করবেন । এমন সময় দরজায় কেউ কড়া নাড়বে। দরজা খুলে দেখবেন একজন ফেরেস্তা দাঁড়িয়ে । তিঁনি বলবেন ‘চলো আল্লাহ সুবহানাহু ওতায়ালার সাথে দেখা করে আসি।
তিনি তখন খুবই উল্লসিত হয়ে বের হয়ে এসে দেখবেন খুব সুন্দর একটা বাহন তাঁর জন্য প্রস্তুত । বাহন ছুটে চলবে খুব বিস্তৃত নয়নাভিরাম মাঠ দিয়ে যা স্বর্ণ আর মণি মুক্তা খচিত পিলারে সাজানো ।

জান্নাতিরা খুব পরিতৃপ্তি নিয়ে ছুটবে । এমন সময় আলো দেখবে আলোর পর আরো আলো । তারপর আরো আলো ।
জান্নাতীরা তখন উল্লসিত হয়ে ফেরেস্তাদের জিজ্ঞেস করবেন ‘ আমরা কি আল্লাহকে দেখেছি ?’
না, আমরা সে পথেই ছুটছি । ফেরেস্তা বলবেন ।
হঠাৎ জান্নাতীরা শুনবেন গায়েবী আওয়াজ –

  • আস সালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল জান্নাহ *
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা স্বয়ং সালাম দিচ্ছেন জান্নাতীদের ।
    খুবই আবেগময় হবে সে মুহূর্তটা !!!
    আল্লাহু আকবার ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালার সালামের জবাবে তখন জান্নাতীরা বলবেন,
আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম, ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
[হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময় এবং আপনা হতেই শান্তি উৎসারিত হয়।। আপনি বরকতময় হে মহান ও সম্মানের অধিকারী। ]

তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা জিজ্ঞেস করবেন,
তোমরা কি খুশী ? তোমরা কি সন্তুষ্ট ?
ও আল্লাহ, জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে আমাদের আপনি জান্নাত দিয়েছেন ! আমরা অসন্তুষ্ট হই কি করে !
জান্নাতীরা জবাব দিবেন ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন জিজ্ঞেস করবেন,
তোমাদের আর কি চাই ?
তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) বলবেন- আর কিছু চাই না ।
না না । আজ তো দেয়ার দিন । আমি আরও দিব । বলো কি চাই ।

তখন জান্নাতীরা (ইনশাআল্লাহ) সমস্বরে বলে উঠবেন-
ও আল্লাহ, আমরা আপনাকে দেখতে চাই ।
আপনাকে দেখি নি কখনও । আপনাকে আমরা ভালবাসি ।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা তখন পর্দা সরিয়ে দেবেন ।
সৃষ্টি এবং স্রষ্টা মুখোমুখি । চোখ বন্ধ করে একটু চিন্তা করুন । সারাজীবন দুনিয়াতে যাকে ডেকেছেন । যাকে না দেখে চোখ দুটো অঝোরে কেঁদেছেন । কাউকে না বলা আপনার একান্ত কথাগুলো যাকে বলেছেন । খুব বিপদে কেউ নেই পাশে, কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন।
পকেট ফাঁকা, ঘরে খাবার নেই, অনিশ্চিত উৎস থেকে খাবারের ব্যবস্হা যিনি করেছেন । কত চাওয়া, মাকে বলেন নি, বাবাকেও না , রাতের আঁধারে কেঁদে কেঁদে যাকে বলেছিলেন ।

কত অপরাধ করেছি, কেউ দেখে নি । একজন দেখেছেন কিন্তু গোপন রেখেছেন । বারবার ভুল করেছি, যিনি মাফ করে দিয়েছেন, অদৃশ্য ইশারায় সাবধান করেছেন । মমতাময়ী মা, আমার আদরের সন্তান, প্রিয়তমা স্ত্রীর ভালবাসা দিয়ে অদৃশ্য ভালবাসায় আমাকে যিনি ভালবেসেছেন সবচেয়ে বেশী । সবচেয়ে আপন, সুমহান সেই প্রতিপালকের মুখোমুখি …।

সাহাবীদের প্রশ্নের জবাবে নবীজী বলেছেন , পৃথিবীতে আমরা যেমন চাঁদকে স্পষ্ট দেখি , আমরা আল্লাহ সুবহানু তায়ালাকে তেমনি দেখব । ইনশাআল্লাহ ।
এ যে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নেয়া নেয়ামাহ্ !

ইয়া আল্লাহ – স্বল্প সংখ্যক সেই মহা সৌভাগ্যবানদের তালিকায় আমাদের নামটা যোগ করে দিন ।আমিন 🤲

ধর্মীয় খবর

ধার্মিকতার গোপন সূত্র জেনে নিন

প্রকাশিত,বুধবার,০৯ জুন ২০২১,০৩:৫৮ পিএম অনলাইন সংস্করণ

ধর্মীয় খবর

চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল রোজা

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১,০৭:২৮ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ চট্টগ্রামের আকাশে পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী কাল বুধবার ( ১৪ এপ্রিল) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু। আল্লাহ আমাদের এই সিয়াম সাধনা করার তৌফিক দান করুন।

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল বুধবার থেকে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শুরু হচ্ছে।

কিছুক্ষণ আগে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান রমজানের চাঁদ দেখার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে সেহরি খেয়ে আগামীকাল রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। বুধবার হবে প্রথম রোজা।

এদিকে মঙ্গলবার রাতের এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। এ উপলক্ষে মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ আদায়ে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পবিত্র রমজানে তারাবির নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এ তিন অংশে বিভক্ত এ মাস।

এ মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহতায়ালা ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেন। রমজান শেষেই দেখা মিলবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের।

ধর্মীয় খবর

রমজান শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৮ এএম। অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে বুধ নাকি বৃহস্পতিবার, তা জানা যাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনায় মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বাদ মাগরিব সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪২ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অপরদিকে মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না গেলে বুধবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, রমজান মাস গণনা শুরু হবে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)। এক্ষেত্রে বুধবার এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বুধবার থেকে আটদিনের লকডাউন (বিধি-নিষেধ) শুরু হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজ এবং তারাবি নামাজ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি নিয়ে পড়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭ টেলিফোন ও ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এদিকে রোববার সৌদি আরবের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেই হিসেবে দেশটিতে সোমবার (১২ এপ্রিল) শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়। ফলে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে সৌদিতে রোজা শুরু হয়েছে।

খবর, ধর্মীয় খবর

হেফাজতের দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করলেন আল্লামা বাবুনগরী

প্রকাশিত: রবিবার, ১১ই এপ্রি২০২১,০৬:৪৫ পিএম। অনলাইন সংস্করণ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিশেষ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার (১১ এপ্রিল) ১১ টায় হাটহাজারী মাদরাসার মিলনায়তনে হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টা আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সরকারের কাছে একাধিক দাবি তুলে ধরেছেন হেফাজত আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। এছাড়া আগামী ২৯ মে হাটহাজারী মাদরাসায় জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মলন ঘোষণা করেন তিনি।

১.হেফাজতের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ২.অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত সকল নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ৩.করোনার অজুহাতে কওমী মাদরাসা বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার করে কওমী মাদরাসা লকডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে।

৪.পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবী, এতেকাফসহ কোন ধরনের ইবাদতে বাধা প্রধান করা যাবে না। এবং ধর্মীয় উপসনালয় মসজিদকে সম্পুর্ন লক ডাউনের আওতা মুক্ত রাখতে হবে। ৫.প্রশাসন কর্তৃক মাদরাসায় মাদরাসায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহের নামে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

হেফাজতের জরুরি বৈঠক শেষে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, বিগত ২৬ই মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসুচি ছিলো না। কিন্তু ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের উপর পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও সরকার দলীয় হেলমেট বাহিনী কর্তৃক আক্রমনের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষুদ্ধ জনতা মিছিল বের করে। হাটহাজারী ও বি-বাড়ীয়ায় মিছিল বের হলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি করে পাঁচ জনকে শহীদ করে। এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম ২৭ই মার্চ বিক্ষোভ ও ২৮ই মার্চ শান্তিপুর্ণ হরতালের কর্মসুচি ঘোষণা করে।

কিন্তু হেফাজতের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিতে ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী। গত ২৬ মার্চ আমি মাদরাসায় ছিলাম না। অনেক দূরে ছিলাম। কিছু মানুষ মিছিল বের করেছে। তারা বলছে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছি।

কিন্তু পুলিশবাহিনী তাদের উপর গুলি চালিয়ে আহত ও নিহত করে। পুলিশ তাদের বুকে গুলি করেছে। পুলিশের দরকার ছিলো উত্তেচজনা কমাতে হাঁটুর নিচে গুলি করবে। আগুন জ্বলে ওঠলে আগুন নিভাতে হয়। কিন্তু পুলিশ আগুন বাড়িয়ে দিলো। এগুলো কোন আইনে আছে।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তাণ্ডব চালায়নি; বরং ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তাণ্ডব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। সরকারের লোকজন এবং কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এখন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।

হেফাজত আমীর বলেন, আমরা জানতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালীন কারা তাণ্ডব চালিয়েছিল? কারা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে।

ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুন। কিন্তু নিরিহ আলেম, ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানি করবেন না। অবিলম্বে গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা প্রত্যাহার করুন। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্ভে নিঃশর্তে মুক্তি দিন।

তিনি বলেন, করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। করোনা মহমারী থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুরআনের তিলাওয়াত, যিকির, তাসবী পাঠ ও দুআ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

তাফসির, দুআ ইত্যাদী চললে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। মানুষকে রমজানে শান্তিপূর্ণভাবে রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে। মাহে রমজানে কওমী মাদরাসাগুলো খোলা রাখতে হবে। লকডাউন দিয়ে কওমী মাদরাসা বন্ধ করা যাবে না। কওমী মাদরাসা না থাকলে বাংলাদেশ স্পেনের মতো হয়ে যাবে।

সুতরাং মহান আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার লক্ষে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখ সরকারেরই নৈতিক কর্তব্য। এজন্য পবিত্র মাহে রমযানে হিফয খানা, নূরানী, মক্তব চালু রাখতে হবে। মসজিদে সুন্নাহ মুতাবেক নামায তারাবীহ, ইতিকাফ চলবে। লকডাউনের নামে শরীয়ত বিরোধী কোনো বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না। যথা নিয়মে তাফসীর, দাওয়াত ও তালীমের কাজ চালু রাখতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের যে বিষয়টি নিয়ে এখন সর্ব মহলে আলোচিত হচ্ছে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। আর হেফাজত থেকে তার অব্যাহতির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলাম আগামী ২৯ মে হাটহাজারীতে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন করবে। এখানে সারাদেশের পীর মাশায়েখ ও হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে এমন আলেম উলামা উপস্থিত থাকবেন, ইন-শা আল্লাহ।

সভায় দেশের সকল মাদরাসা ও মসজিদে করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও সমকালীন সঙ্কট থেকে উত্তরনের জন্য কুনূতে নাযেলার আমল চালু করার জন্য আহ্বান জানান আল্লামা বাবুনগরী।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের নায়েবে আমীর মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা শোআইব জমীরী, মাওলানা ওমর মেখলী, মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুনির হুসাইন কাসেমী, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা

আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর মুহাম্মদ ইদরীস, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, ড. নূরুল আবসার আজহারী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন. মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মুহাম্মাদ আহসান উল্লাহ প্রমুখ।