
সংগৃহীত
যশোরে মেহেদী হাসান নামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে স্কুলের শিক্ষক ড্রেসের জন্য পিটিয়ে রক্তাক্তকরণ
প্রতিদিনের ন্যায় রীতিমতো ১৪/০৩/২০২৩ ইং তারিখ স্কুলে যান মেহেদী হাসান (১৫)
যশোর শার্শা সরকারী মডেল পাইলট স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান। তার বাবা ইটভাটার সাধারণ শ্রমিক।
বাবা তিনি মেহেদী হাসানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য ছেলেকে ভর্তি করেন যশোর শার্শা সরকারি মডেল পাইলট স্কুলে ।
দিন মজুর বাবার এই সন্তানকে স্কুলের শিক্ষকরা ড্রেস তৈরী করার জন্য সময় দেন সাত দিন।এর মধ্যে অনেক কষ্টে স্কুল ড্রেস হিসেবে ছেলেকে শার্ট বানিয়ে দেন অভাবী বাবা।
উক্ত সাত দিনের দুই দিনের মাথায় সোমবার সকালে স্কুল ড্রেস হিসেবে শুধু শার্ট পরিধান করে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ক্লাস থেকে ডেকে মাহদীকে নিয়ে যান স্কুল ল্যাব রুমে।
অতঃপর ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর উপর চড়াও হন স্কুল শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।
তোরা হওয়ার পর তাকে বেদার ভাবে মারধর করেন মাহদীর ঘটনা আজ আড়ালেই থেকে গেলো
কারণ মিডিয়া বলে কথা কোন মিডিয়া এটি প্রচার করতে আসেনি
তবে মূল বিষয় হলো শিক্ষক ভাগ্যবান তার বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যাবস্হা নেওয়া হয়নি……!! অনতিবিলম্বে এসে তোকে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক এটা মেহেদির ফ্যামিলির এবং অন্যান্য গার্জিয়ান সকলের দাবি

