খবর, সময়ের আলো

বরিশাল বাকেরগঞ্জে স্ত্রীকে দিয়ে সাজানো রেপ। কেঁচো খুঁড়তেই এল সাপ

বরিশাল বাকেরগঞ্জে রাসেল বেপারী স্ত্রীক শারমিন আক্তার (২৮) কে বাদী করে সাজানো এক রেপ কেসের আসামি করেন মোঃ মিরাজ গাজী (৩৩) নামের এক যুবককে।

মিথ্যা মামলার বর্ণনা

বাদী মোসাঃ শারমিন আক্তার(২৮) স্বামী রাসেল বেপারী, পিতা মোঃ হাবিব মোল্লা, মাতা মোসাঃ নাসিমা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা, গ্রাম পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।

আসামি মোঃ মিরাজ গাজী(৩৩) পিতা বাবুল গাজী, স্থায়ী ঠিকানা পূর্ব মহেশপুর বাংলাবাজার সংলগ্ন, ডাকঘর বড় পুই য়াউটা, থানা বাকেরগঞ্জ, জেলা বরিশাল।

বরিশাল জেলা বাকেরগঞ্জ থানা পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে ঘটনার তারিখ ১০-৬-২০২৩ রোজ শনিবার।

মামলার এজাহারে বাদী শারমিন আক্তার (২৮) বলেন শনিবার রাত আনুমানিক আট ঘটিকার সময় আমার মেজো ছেলে ও ছোট মেয়েকে আমার শোয়ার রুমে ঘুম পাড়ায় প্রচন্ড গরমে আমি সামনের রুমে দরজা খোলা রাখিয়া খাটের উপর শোয়া অবস্থায় থাকাকালীন

আসামী সামনের দরজা খোলা পাইয়া সামনের রুমে প্রবেশ করিয়া হঠাৎ আমাকে খাটে শোয়া অবস্থায় দেখামাত্র আমাকে ঝাপটাইয়া ধরিয়া ঠোঁটে চুম্বন করিতে থাকিয়া আমার পরনে থাকা মেক্সির ভিতর থেকে ডান হাত ঢুকাইয়া দিয়া দুই স্থানে চাপাচাপি করিয়া আসামির বাম হাত দিয়া পেটিকোট উপরে উঠাইয়া

আমার যৌন পথে আসামির বাম হাত দিয়া নাড়াচাড়া করিয়া আসামির লিঙ্গ আমার যৌনপথে প্রবেশ করার চেষ্টা করিলে

আমি আমার ঠোঁট হইতে আসামির মুখ সজরে ধাক্কা দিয়া সরাইয়া দিয়া ডাক চিৎকার দিলে আমার ডাক চিৎকারের শব্দ শুনিয়া পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা আসিয়া পরিলে সাক্ষীদের সামনে দিয়া আসামি দৌড়াইয়া ঘটনাস্থল হইতে পালাইয়া যায়

আমি জোরে ডাক চিৎকার না দিলে এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনসহ সাক্ষীরা না আসিয়া পরিলে আসামী আমাকে ধর্ষণ করিয়া খুন যখম করিয়া ফেলিতো পরবর্তীতে আমার শ্বশুর শাশুড়ি ও দেবর সংবাদ পাইয়া বাড়িতে আসিলে আমি তাদেরকে ঘটনার বিষয় বিস্তারিত খুলিয়া বলি। এই কথাগুলো এজাহারে বলা হয়।

এমন একটি মিথ্যা এজাহার দিয়ে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় পরবর্তীতে ঘটনাটি সময়ের আলোকে জানানো হলে সময়ের আলো ঘটনার সততা যাচাই করার জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায়

এবং সময়ের আলো ঘটনার সততা উদঘাটন করে ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মানুষ কতটা নিকৃষ্ট এবং কতটা লজ্জাহীন হলে এমন এজাহার দেওয়া সম্ভব হয় সময়ের আলোর মন্তব্য

ঘটনা তদন্তে বেরিয়ে আসে মূল রহস্য। মোঃ হিঙ্গুল মোল্লার ছেলে, মোঃ জয়নাল মোল্লা তার বাবার সম্পত্তি আছে, বাড়ির সংলগ্ন বাংলাবাজার সেই বাজারের ভিতর

জয়নাল মোল্লা তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে কিছু জমি বিক্রি করেন পাশাপাশি বাড়ি মোঃ লেহাজ উদ্দিন গাজী এর ছেলে মোঃ বাবুল গাজী এর কাছে

এবং এই জমি বিক্রির সাক্ষী মোঃ জয়নাল মোল্লার ছোট ছেলে লিটন মোল্লা এবং সাক্ষী আতাহার মৃধা, ছোট ছেলে লিটন মোল্লার শশুর এবং সাক্ষী দেলোয়ার খলিফা বিহারীপুর বাড়ি ছোট ছেলে লিটন মোল্লার ভায়েরা এবং এই জমির দলিল লেখক মোঃ শাজাহান মাস্টার গ্রাম পূর্ব মহেশপুর পোস্ট অফিস বড় পুই য়াউটা থানা বাকেরগঞ্জ জেলা বরিশাল

জয়নাল মোল্লার বড় ছেলে হাবিব মোল্লার মেয়ে বাদী শারমিন আক্তার তিনি দাবি করেন দাদার সম্পত্তি পাবেন এই দাবিতে লোকজন নিয়ে বাংলাবাজারে জয়নাল মোল্লার বিক্রি করা জমিনে ক্রেতা মোঃ বাবুল গাজীর দোকান ভাঙচুর করেন

তখন বাজারের সবাই তাকে নিষেধ করেন এবং বলেন এই সম্পত্তি তোমার দাদায় বিক্রি করে দিয়েছে এ সম্পত্তিতে তোমার বাবা এবং চাচার কোন দাবি থাকতে পারে না, বাবার জীবদ্দশায় যে সম্পদ বিক্রি করে সে সম্পত্তির উপরে সন্তানের কোন দাবি থাকে না, বিক্রি করার পর সম্পত্তি যা থাকে তাই নিয়ম অনুসারে সন্তানেরা পায় তাই এই জায়গার তোমাদের কোন দাবি নেই বা তোমরা কোনো দাবি করতে পারো না এ জায়গার প্রকৃত মালিক বাবুল গাজী

এই ব্যাপার নিয়ে সালিশ ডাকা হলে ১৩ নং পাদ্রী শিবপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ বাবু হাওলাদার তিনি উভয়কে আপোষ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু বাদীপক্ষ আপস হইতে রাজি নন

পরে তারা এই ঘটনার জের ধরে বরিশাল দায়রা জর্জ আদালতে একটি মিথ্যা রেপ কেসের মামলা দায়ের করেন ক্রেতা বাবুল গাজীর ছেলে মিরাজ গাজীর নামে এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন, এই মিথ্যা মামলার প্রধান বুদ্ধিদাতা আবুদাবী প্রবাসী মোহাম্মদ আবুল খায়ের নিচে তার ফেসবুক লিংক দেওয়া হল

https://www.facebook.com/abul.khairiab.39?mibextid=ZbWKwL

গ্রাম কাফিলা রাসেল বেপারির ভায়রা, প্রমাণ পাওয়া যায় বাদীর স্বামী মোঃ রাসেল বেপারীর কল রেকর্ড থেকে নিচে দেওয়া হল।

বাদী শারমিন আক্তারের স্বামী রাসেল ব্যাপারীর ফেসবুক লিংক

https://www.facebook.com/profile.php?id=100080562851570&mibextid=ZbWKwL

বাদী শারমিন আক্তারের স্বামী রাসেল বেপারীর মিথ্যা মামলার স্বীকারোক্তি
সাজানো নাটকের স্বীকারোক্তি
জমি বিক্রির দলিল

জমি গৃহিতা মোঃ বাবুল গাজীর দাবি আমি জমি ক্রয় করেছি তার দাদা জয়নাল মোল্লার কাছ থেকে জয়নাল মোল্লা তার ছেলেদেরকে জানাবে না, না জানাবে সেটা তার ব্যাপার আমি কেন তাদের হয়রানির শিকার হব। আমার ছেলে এই ঘটনা ঘটায়নি কেন আমার ছেলের নামে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হলো এই বলে সকলের কাছে তিনি সুষ্ঠু সমাধানের দাবি করেন।

সময়ের আলো

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ

সংগৃহীত

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ইং,০২:৩০ এ এম। অনলাইন সংস্করণ

আসন্ন রমজান উপলক্ষে “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” পক্ষ থেকে রমজানের শুরুতেই শতাধিক হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করেছেন এই সংগঠন।

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের ফটোচিত্রে দেখা যায়, তরুণরা রাতের আঁধারে হতদরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েস তাদের ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করছেন। তাদের এই উদ্যোগ দেখে সময়ের আলোর পক্ষ থেকে তাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

সংগৃহীত

বরিশাল জেলার, বাকেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত পূর্ব মহেশপুর নামক গ্রামে ২০২১ সালে, মহামারি করোনার আগমনে গড়ে ওঠে এই “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনটি”

২০২১ সালের মহামারি করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেকের, কর্মসংস্থান দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো অনেক অসহায় হয়ে পড়েন। তখন তারা কারো কাছে হাত বাড়াতে পারেনি কারণ সকলের আয়ের পথ গুলো বন্ধ ছিল।

তখনই পূর্ব মহেশপুর গ্রামের এক ঝাঁক তরুণ এসে দাঁড়ান গ্রামের অসহায় হতদরিদ্রদের পাশে । তখন তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলেন এবং সংগঠনের নাম দেওয়া হয় “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন”

“ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মূল পরিচালক মোঃ মাসুম গাজী, হেলাল উদ্দিন, মোঃ রায়হান মোল্লা, মোঃ রবিউল বিশ্বাস, তাদের সাথে আলাপ কালে তারা আমাদের বলেন, করোনার আগমনে বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের কর্মসংস্থান ব্যবসা-বাণিজ্য,

দোকানপাট, তাই স্বল্প আয়ের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েন এবং তাদের কষ্ট দেখে আমরা সহ্য করতে না পেরে আমরা গ্রামের যুবকরা এগিয়ে আসি তাদের জন্য কিছু একটা করার লক্ষে। এবং এই সাহায্য সহ-যোগিতার মধ্য দিয়ে আমাদের এ সংগঠনটি গড়ে ওঠে।

যখন আমারা সংগঠনটি গড়ে তুলি, তখন আমাদের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১১ জন, এই ১১জন নিয়ে আমরা সংগঠন পরিচালনা করি এবং ১১ জনের মধ্য থেকে যে যার সাধ্যমত সংগঠনে দান করেন এবং সেই দানের মাধ্যমে আমাদের সংগঠনের আয়ের পথ হয়। সেই আয় দিয়েই হত-দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

সাথে সাথে আমরা গ্রামের রাস্তাঘাট মেরামত করি এবং যদি কারো চিকিৎসার দরকার হয়, আমরা চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করি, যদি কারো ঔষধের প্রয়োজন হয়, আমরা ঔষধের ব্যবস্থা করি, যদি কারো রক্তের প্রয়োজন হয়, আমরা রক্ত দেওয়ার ব্যবস্থা করে সকলের পাশে থাকি।

এবং আমাদের এই কার্যক্রম দেখে গ্রামের লোকজন খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত তারা আমাদের কাজে উৎসাহ দেন এবং আমাদেরকে ও আমাদের সংগঠনকে সাহায্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের সাধ্যমত আমরা গ্রামের সকলকে এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামেও যারা হত দরিদ্র আছে তাদেরকেও আমরা সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।

এ বছর আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম “ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠনের” মাধ্যমে ৫০টি, হত দরিদ্র ফ্যামিলিকে রমজানের ইফতার বিতরণ করব এবং এই প্রস্তুতির উপরে নির্ভর করে আমরা সকলের কাছে দাওয়াত দিতে থাকি সংগঠন থেকে, আমরা ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করব যার যা সাধ্য আছে, সে সাধ্য অনুযায়ী আমাদের সাথে শরিক হতে পারেন।

সংগৃহীত

আলহামদুলিল্লাহ সকলের কাছ থেকে আমরা এত সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি আমরা এক শতাধিকেরও বেশি হত দরিদ্রদের মাঝে ইফতার প্যাকেজ বিতরণ করতে পেরেছিস এটা সকলের ভালোবাসায় সম্ভব হয়েছে।

প্রতিটি প্যাকেজে ছিল, চিড়া, মুড়ি, ছোলা বুট, তেল, চিনি, ট্যাং, খেজুর, আলহামদুলিল্লাহ আমরা সকলের দোয়ায় সুন্দরভাবে পরিবেশন করতে পেরেছি কোন প্রকার ঝামেলা বিহীন

প্রধান পরিচালক গন আর বলেন, আমরা মনে করি আমাদের মত সকলে যদি হতদরিদ্রদের পাশে সাহায্য সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন, তাহলে আমাদের সমাজ হবে একটি সুন্দর সমাজ। তাই সকলের প্রতি আমাদের একটাই আহ্বান থাকবে আমাদের পাশে আসুন আমাদের মাধ্যমে হত দরিদ্রদের সাহায্য সহযোগিতা করুন। অথবা আপনি নিজেও যদি পারেন তাহলেও অসহায়দের পাশে দাঁড়ান ।

ইনসাফ যুব ঐক্য সংগঠন, পূর্ব মহেশপুর, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল, বাংলাদেশ।

সময়ের আলো

বাকেরগঞ্জে, মুখ খুললে বড় ভাইয়ের স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার হুমকি

সংগৃহীত

বরিশাল বাকেরগঞ্জে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সন্তানকে মারদারের পর হত্যা করার হুমকি দেন শামীম হাওলাদার

বরিশাল বাকেরগঞ্জ বিহারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ওয়াসেদ আলি হাওলাদারের মেজো ছেলে মোঃ শামীম হাওলাদার (৪৮) তার বড় ভাই শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের স্ত্রী সন্তানকে জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে জের দরে মারধর করেন এবং গুরুতর আহত করেন এবং বলেন যদি কারো কাছে মুখ খোল তাহলে তোমাদেরকে হত্যা করা হবে

এক সূত্রে জানা যায় ১২ নং রংঙ্গশ্রী ইউনিয়নের বিহারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত্যু ওয়াসেদ আলীর হাওলাদারের তিন ছেলে প্রথম ছেলে মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার দ্বিতীয় ছেলে মোঃ শামীম হাওলাদার ওরফে কানা শামীম তৃতীয় ছেলে মোহাম্মদ শহীদ হাওলাদার

তিন ভাইয়ের ভিতরে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল দীর্ঘদিন যাবত এই জমি নিয়ে শামীম হাওলাদার এর সাথে এবং বড় ছেলে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার এর সাথে দ্বন্দ্ব চলে

তারই যের ধরে ১২ ই ডিসেম্বর রোজ রবিবার দুপুর ২ ঘটিকার দিকে শামীম হাওলাদার (ওরফে কানা শামীম) তার স্ত্রী ডালিম বেগম এবং বড় ছেলে গাঁজা শাকিল ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ শাহাবুদ্দিনের বসত করে প্রবেশ করুন

প্রবেশ করার সাথে সাথে এলোপাথারে লাথি কেল ঘুসি এবং রামদা দিয়ে আঘাত করেন এক পর্যায়ে শাহাবুদ্দিনকে হত্যা করার হুমকি দেন এবং শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী এবং কন্যাকে ধর্ষণ করার হুমকি দেন

এবং মারধরের পরে ঘরের ভিতরে হাতের কাছে যেসব মাল জিনিস পেয়েছেন সব তারা লুট করে নিয়ে যান

এ বিষয়ে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে নালীর জানালে কোন বিচার বা আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি

গ্রাম্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের কাছে কোন সুবিচার না পেয়ে শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন উপজেলা বাকেরগঞ্জ থানায় শামীম হাওলাদার ওরফে কানা শামীম এবং তার স্ত্রী ডালিম বেগম ও তার বড় ছেলে গাঁজা শাকিল এর বিরুদ্ধে, শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন

বাকেরগঞ্জ থানার এসআই নাসির উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সততা যাচাই করে নিশ্চিত হন। ভুক্তভোগী পরিবারটি অভিযুক্তদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সময়ের আলো

আগৈল জারায় চুরির অভিযোগে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

সংগৃহীত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চুরির অপরাধে তিন কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা গ্রামে নির্যাতনের শিকার হয় তারা। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ কিশোরদের উদ্ধার করে।

নির্যাতনের শিকার তিন ছিন্নমূল কিশোর মামুন গাজী (২০), সাগর মিয়া (১৮) ও তুহিন মিয়া (১৭) বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকায় থাকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে মধ্যশিহিপাশা গ্রামের প্রবাসী মোকলেস সরদারের বাড়িতে প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করতে যায় ওই কিশোরেরা। তারা ওই বাড়ির একটি টিউবওয়েল চুরি করে। মোকলেসের স্ত্রী লাকী বেগম পানি আনতে গিয়ে দেখেন টিউবওয়েল নেই। এ সময় ওই কিশোরদের চলে যেতে দেখে চিৎকার করেন।

এতে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে সাবেক ইউপি সদস্য হানিফ সরদারের বাড়ির সামনে একটি গাছে বেঁধে কিশোরদের নির্যাতন চালানো হয়।

ওই কিশোরদের ভাষ্য, তারা অনুনয়-বিনয় করলেও নির্যাতনকারীদের মন গলেনি। বেধড়ক মারধর করা হয় তাদের। এ সময় স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি গৈলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু তালুকদারকে বিষয়টি জানান। তিনি থানায় সংবাদ দিলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান হোসেন সেখান থেকে তিন কিশোরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু তালুকদার বলেন, ওই কিশোররা চুরি করে থাকলে তাদের পুলিশে দেওয়া যেত। এভাবে গাছে বেঁধে নির্যাতন ঠিক হয়নি।

আগৈলঝাড়া থানার এসআই রমজান হোসেন বলেন, এ ঘটনায় প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সময়ের আলো

দুমকিতে দেড় হাজার পিস ইয়াবা সহ পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক।

সংগৃহীত

পটুয়াখালীর দুমকিতে দেড় হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. আজিজুর রহমান (৫৯) নামে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার রাতে উপজেলার লেবুখালীর পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আজিজুর রহমান বর্তমানে পটুয়াখালী শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের টাউন কালিকাপুর এলাকায় বসবাস করেন। তার স্থায়ী ঠিকানা ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায়। আজিজুর অবসর নেওয়া পুলিশ সদস্য।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আজিজুর রহমান ২০১৫ সালে বরিশাল জেলা পুলিশে এএসআই পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান। তখন থেকে পটুয়াখালী শহরে বাড়ি করে বসবাস করে আসছিলেন।

এর আগে চট্টগ্রাম রেঞ্জের চাকরিরত অবস্থায় ইয়াবা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সেই সিন্ডিকেটের এক সদস্য বর্তমানে ঝালকাঠিতে অবস্থান করছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি একেএম আজমুল হুদা জানান, আজিজুর ঝালকাঠি থেকে ইয়াবার চালান এনে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরবরাহ করে আসছিলেন। তাকে দীর্ঘদিন নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। এ ব্যাপারে দুমকি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

সময়ের আলো

সেবার মান নিম্ন থানায় সেবার মান বাড়াতে হবে আইজিপির নির্দেশ

সংগৃহীত

থানায় আগত সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সদাচরণ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আজ বুধবার রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী কোয়ার্টারলি কনফারেন্সের শেষ দিনের সমাপনী বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন আইজিপি।

পুলিশপ্রধান বলেন, ‘পুলিশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যাপক সাফল্য রয়েছে। এখন সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। থানার সেবার মান আরও বাড়াতে হবে।

‘থানায় আগত সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। তাদের প্রত্যাশিত সেবা প্রদানে সদিচ্ছা নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

সভায় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, র‌্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, হাইওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আতিকুল ইসলাম, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) শাহাবুদ্দিন খাঁন, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) ব্যারিস্টার হারুন-অর-রশিদ, ডিআইজি (টেলিকম) এ কে এম শহিদুর রহমান কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

দুই দিনব্যাপী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কোয়ার্টারলি কনফারেন্স গত মঙ্গলবার শুরু হয়। সব অতিরিক্ত আইজিপি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপার কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে চলতি বছরের তৃতীয় কোয়ার্টারে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সারা দেশের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সময়ের আলো

বরিশালে এক গাভীর তিন বাচ্চা প্রসব

সংগৃহীত

বরিশাল: বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় একটি গাভী স্বাভাবিকভাবেই তিনটি বাছুর জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে উপজেলার মাহিলারা বাজারের মোল্লা মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এ  এ ঘটনা ঘটে।

গাভিটির মালিকের নাম আব্দুল মন্নান গোমস্তা (৯০)। তিনি পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী।

আব্দুল মন্নান জানান, গত ৪৫ বছর ধরে তিনি গরু কেনা-বেচা পেশার সঙ্গে জড়িত। তবে নিয়মিত গাভী পালন করেন।

বর্তমানে তার গোয়ালে একটি শংকর জাতের গাভী রয়েছে। ওই গাভী এর আগে তিন বছরে তিনটি বাছুর জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে সেই গাভীটি গোয়াল ঘরে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে গাভীটি লালন-পালন করায় তিনি বুঝতে পারেন সেটির বাছুর প্রসবের সময় ঘনিয়েছে। তাই সন্ধ্যার পর থেকে তিনিসহ পরিবারের সদস্যরা গোয়াল ঘরে অবস্থান নেন।

মন্নান গোমস্তা বলেন, রাত ১ টার দিকে প্রথম বাছুর প্রসব করে গাভীটি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী বাছুরটি ভূমিষ্ট হয়নি। দ্বিতীয়টিও একই অবস্থায় ভূমিষ্ট হয়। তখন গাভীর অবস্থা গুরুতর হয়। এ সময় মনে হয়েছে গাভীটিকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু তৃতীয় বাছুর  স্বাভাবিকভাবে ভূমিষ্ট হওয়ার পর গাভীটি আস্তে আস্তে সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গাভী ও তার তিনটি বাছুর সুস্থ রয়েছে। বাছুরগুলো ও গাভী স্বাভাবিকভাবে খাবার খাচ্ছে। বাছুর তিনটি ষাঁড়।

মন্নান গোমস্তা বলেন, উপজেলার নলচিড়া এলাকার অস্ট্রেলিয়ান জাতের একটি ষাঁড় দিয়ে গাভীর প্রজনন করানো হয়েছে। বাছুর জন্ম দেওয়া পর্যন্ত কোনো পশু চিকিৎসকের শরনাপন্ন হইনি। স্বাভাবিকভাবে খাবার দেওয়া হয়েছে।

গৌরনদী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি খবর পেয়েছি। দেখতে যাবো। একসঙ্গে তিনটি বাছুর জন্ম দেওয়ার ঘটনা সব সময় ঘটে না। বছরের দু-একটি ঘটনা ঘটে। তবে এটা অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

খবর, সময়ের আলো

নতুন পুরাতন কোন প্রকার সিম বিক্রি করতে পারবেনা গ্রামীণফোন

দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির ওপর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নতুন সিমের সঙ্গে সঙ্গে আর পুরাতন সিমও বিক্রি করতে পারবে না এই মোবাইল অপারেটরটি। রবিবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি গ্রামীণফোন সিম বিক্রি করতে বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছিল। তা প্রত্যাখান করেছে বিটিআরসি। এর আগে গুণগত মান নিশ্চিত না করায় গ্রামীণফোনের নতুন সিম বিক্রি বন্ধ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে পুরাতন সিম তখন বিক্রি করতে পারতো প্রতিষ্ঠানটি। এখন থেকে গ্রামীণফোনের সব ধরণের সিম বিক্রি বন্ধ করেছে বিটিআরসি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গণমাধ্যমকে বলেছেন, আমরা চেষ্টা করেও গ্রামীণফোনের সেবার মান ভালো করার কোনো উদ্যোগ নিতে দেখিনি। তারা গ্রাহক বাড়াবে, কিন্তু সেবার মান বাড়াবে না- এটা হতে দেওয়া যাবে না। যতদিন না তারা সেবার মান ভালো করবে এবং তা সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না হবে ততদিন গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

গ্রামীণফোনের সিম বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আসে গত ২৯ জুন। গ্রামীণফোনকে দেওয়া বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়েছিল, বিটিআরসির পরীক্ষায় গ্রামীণফোনের সেবার মান সন্তোষজনক মনে হয়নি। তাই প্রতিষ্ঠানটির সিম বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।